Text

সাইক্লোন মহাসেন: সর্বশেষ আপডেট

ঢাকা সময় ১২০০, ১৫ই মে ২০১৩
গতিবেগ ঘন্টায় ৮০ কি.মি. থেকে ১০৫ কি.মি.
অবস্থান চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আনুমানিক ৬৭৮ কি.মি. দুরে
ঝড়ের অবস্থান Lat: 17.5 Lon: 87.8 
চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান: Lat: 22.30 Lon: 91.8 
গতিপথ: চট্টগ্রামের দিকে ২১ কি.মি/ঘন্টা

সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর ও মংলা বন্দরকে ৫ নাম্বার সতর্কতা সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আল জাজিরা রিপোর্ট

ওয়েস্টপ্যাক রিপোর্ট

আগের আপডেটগুলো: [লিংক]

Text

সাইক্লোন মোহাসেন গতিপথ ও অন্যান্য তথ্য - আর্কাইভ

সর্বশেষ আপডেট



আপডেট: ঢাকা সময় ১৮০০, ১৪ই মে ২০১৩
গতিবেগ ঘন্টায় ৮০ কি.মি. থেকে ১০৫ কি.মি.
অবস্থান চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আনুমানিক ১০২৬ কি.মি. দুরে
ঝড়ের অবস্থান Lat: 14.8 Lon: 86.2
চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান: Lat 22.30 Lon: 91.8
গতিপথ: চট্টগ্রামের দিকে ১৩ কি.মি/ঘন্টা
সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে চার নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোতে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

বিভিন্ন ফোরকাস্টিং মডেল অনুযায়ী মোহাসেনের গতিপথ




১৩ইমে ফোরকাস্টিং মডেল অনুযায়ী মোহাসেনের গতিপথ। লক্ষ্যনীয় এখানে ৪টি মডেল বাংলাদেশের দিক দিকনির্দেশ করছে।



আপডেট: ঢাকা সময় ১২০০, ১৪ই মে ২০১৩

গতিবেগ ঘন্টায় ৮০ কি.মি. থেকে ১০৫ কি.মি.
অবস্থান চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আনুমানিক ১১০০ কি.মি. দুরে
ঝড়ের অবস্থান Lat: 14.2 Lon: 85.8
চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান: Lat 22.30 Lon: 91.8
গতিপথ: চট্টগ্রামের দিকে ১৩ কি.মি/ঘন্টা
সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে চার নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোতে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আপডেট: ঢাকা সময় ০৬০০, ১৪ই মে ২০১৩
গতিবেগ ঘন্টায় ৯৭ কি.মি. থেকে ১২১ কি.মি.
অবস্থান চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আনুমানিক ১১৭৬ কি.মি. দুরে
ঝড়ের অবস্থান Lat: 13.70 Lon: 85.3
চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান: Lat 22.30 Lon: 91.8
গতিপথ: চট্টগ্রামের দিকে ১৪ কি.মি/ঘন্টা
সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে চার নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোতে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আপডেট: ঢাকা সময় ১৮০০, ১৩ই মে ২০১৩

গতিবেগ ঘন্টায় ৯৭ কি.মি. থেকে ১২১ কি.মি.
অবস্থান চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আনুমানিক ১২৭৬ কি.মি. দুরে
ঝড়ের অবস্থান Lat: 12.40 Lon: 85.70
চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান: Lat 22.30 Lon: 91.8
গতিপথ: চট্টগ্রামের দিকে ১৬ কি.মি/ঘন্টা
সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে চার নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোতে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আপডেট: ঢাকা সময় ১২০০, ১৩ই মে ২০১৩

গতিবেগ ঘন্টায় ৯৭ কি.মি. থেকে ১২১ কি.মি.
অবস্থান চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আনুমানিক ১৩০০ কি.মি. দুরে [সংশোধিত]
ঝড়ের অবস্থান Lat: Lat 11.8, Long 86.4
চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান: Lat 22.30 Lon: 91.8
গতিপথ: চট্টগ্রামের দিকে ৬ কি.মি/ঘন্টা
সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে চার নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোতে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আপডেট: ঢাকা সময় ০৬০০, ১৩ই মে ২০১৩
গতিবেগ ঘন্টায় ৯৭ কি.মি. থেকে ১২১ কি.মি.
অবস্থান চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আনুমানিক ১৪৩৮ কি.মি দুরে [সংশোধিত]
ঝড়ের অবস্থান Lat: Lat 10.2, Long 87
চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান: Lat 22.30 Lon: 91.8
সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোতে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আপডেট: ঢাকা সময় ১৮০০, ১২ই মে, ২০১৩
গতিবেগ ৮০ কি.মি. থেকে ১০৫ কি.মি পর্যন্ত।
অবস্থান: চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার দুরে।

ধেয়ে আসছে সাইক্লোন মোহাসেন। বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা এই সাইক্লোনের গতিপথ আন্দাজ করা হচ্ছে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও সীমান্তবর্তী মায়ানমারের ওপর দিয়ে যাবে। অনুমান করা হচ্ছে আগামী ১৬-১৭তারিখে বাংলাদেশের ওপর এসে পড়বে। ভুনড্যারগ্রাউন্ড সাইটের লাইভ আপডেট অনুযায়ী লাইভ আপডেট অনুযায়ী ঝড়ের অবস্থান ও গতিপথ,

মূল সাইটে যেতে এখানেক্লিক করুন। এখানে লক্ষ্যনীয়, উপরের ছবিতে উপরের সবুজ চিহ্নটি দিয়ে আগামি ২৪ঘন্টার ফোরকাস্ট, দ্বিতীয় চিহ্ন দিয়ে ১২ঘন্টার ফোরকাস্ট ও তৃতীয় সবুজ ডটটি দিয়ে এই মুহুর্তের অবস্থান বোঝানো হচ্ছে।

আমেরিকান এয়ারফোর্সের করা আনুমানিক গতিপথ দেখাচ্ছে এরকম,

ইন্ডিয়ান মেটিওরোলিজিকাল ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক ফোরকাস্ট এরকম,

এই মুহুর্তে এই সাইক্লোনটির গতি কম থাকলেও এটি যাত্রাপথে শক্তি সঞ্চয় করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র
১. ভুনড্যারগ্রাউন্ড সাইটের লাইভ আপডেট [লিংক]
২. আমেরিকান এয়ারফোর্সের ইমেজ [লিংক]
৩. ইন্ডিয়া মেটিওরোলিজিকাল ডিপার্টমেন্টের সূত্র [লিংক]

Photo
রেডিটে দেখলাম এই জিনিস। এই কবর দুটো এক দম্পতির। মাঝখানে দেয়ালটা ক্যাথলিক ও প্রোটেস্ট্যান্টদের পার্থক্য নির্দেশ করে। স্ত্রী ছিলেন ক্যাথলিক আর স্বামী ছিলেন প্রোটেস্ট্যান্ট। তো উনিশ শতকে এইসব ক্ষেত্রে একত্রে কবর দেয়া যেত না। স্বামীর কবরের জায়গা তাই প্রোটেস্ট্যান্ট অংশে আর স্ত্রীর কবরের জায়গা দেয়ালের ওপারে ক্যাথলিক অংশে। সাভারে এরকম এক যুগলের ছবি দেখলাম। ভবিষ্যতে ঐ ছবি নিয়ে লেখার যোগ্যতা হলে একসময় হয়তো তাদের নিয়ে একটা পোস্ট দেব।কবরদুটো রয়রমন্ড, নেদারল্যান্ডসে। গুগল ম্যাপ দেখুন।

রেডিটে দেখলাম এই জিনিস।

এই কবর দুটো এক দম্পতির। মাঝখানে দেয়ালটা ক্যাথলিক ও প্রোটেস্ট্যান্টদের পার্থক্য নির্দেশ করে। স্ত্রী ছিলেন ক্যাথলিক আর স্বামী ছিলেন প্রোটেস্ট্যান্ট। তো উনিশ শতকে এইসব ক্ষেত্রে একত্রে কবর দেয়া যেত না। স্বামীর কবরের জায়গা তাই প্রোটেস্ট্যান্ট অংশে আর স্ত্রীর কবরের জায়গা দেয়ালের ওপারে ক্যাথলিক অংশে।

সাভারে এরকম এক যুগলের ছবি দেখলাম। ভবিষ্যতে ঐ ছবি নিয়ে লেখার যোগ্যতা হলে একসময় হয়তো তাদের নিয়ে একটা পোস্ট দেব।

কবরদুটো রয়রমন্ড, নেদারল্যান্ডসে। গুগল ম্যাপ দেখুন

ট্যাগ: ব্লগ
Text

ব্লগার গ্রেফতারের পর গণজাগরণ মঞ্চের প্রতিক্রিয়া

Photo
ব্লগিং ১০১: সবাইকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলা আমার দায়িত্ব নয়। মানুষ নিজের চেষ্টায় চরে খেতে শিখুক।

ব্লগিং ১০১: সবাইকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলা আমার দায়িত্ব নয়। মানুষ নিজের চেষ্টায় চরে খেতে শিখুক।

Text

খেলাধুলার সাথে রাজনীতি না মেশানো সংক্রান্ত একটা পুরনো ক্যাচাল

একটু সোশাল মিডিয়ায় সময় কাটান এরকম যেকেউই এই বাক্যটির সাথে পরিচিত,

খেলাধুলার সাথে রাজনীতি মেশাবেন না

সারকাস্টিক এই বাক্য দিয়ে এর পুরো উল্টো অর্থটি বোঝানো হয়। ইংরেজিতে এটাকে opposite talk বলে। পাকিস্তানি ক্রিকেট টিম সাপোর্ট করা নিয়ে পাকমনপেয়ারুরা এই অজুহাত দেন যে খেলাধুলার সাথে রাজনীতি মেশানো ঠিক না। এই একই ভাবে শিল্পসাহিত্যের সাথেও রাজনীতি মেশান না অনেকে। উদাহরণ, ঞরাজাকার কবি আল মাহমুদ। এরকম সঙ্গীতের সাথে রাজনীতি না মেশাতে চাওয়া লোকজনেরা বেইল দিতে চান বিজেপি নেতা ভূপেন হাজারিকাকে। ব্লগ ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে এইসব উত্তরাধুনিক আর্গুমেন্ট গদামের ওপর থাকে। ওসব জায়গায় দুষ্টুলোকের খেলাধুলাসহ যাবতীয় জিনিসের সাথে রাজনীতি মেশায়।

আজকে পত্রিকায় দেখলাম জার্মানিতেও এই খেলাধুলার সাথে রাজনীতি মেশানো লোকেরা বরবরের মতো ঝামেলা পাকায় বসছে। জার্মানিতে সবচেয়ে প্রেস্টিজিয়াস echo মিউজিক এ্যাওয়ার্ডের নমিনেশন ঘোষণা করা হয়েছিলো।

সেই এ্যাওয়ার্ডে নমিনেশন পেয়েছিলো চরম ডানপন্থী মিউজিক গ্রুপ ফ্রাই.ভিল্ড (Frei.Wild)। তো সঙ্গীতের সাথে রাজনীতি মেশানো দুই মিউজিক গ্রুপ ক্রাফটক্লুব (Kraftklub) আর মিয়া. (MIA.) এর প্রতিবাদে নিজেদের নমিনেশন প্রত্যাখান করে। । আয়োজকেরা চার্টে সফলতা দেখে ফাই.ভিল্ডকে নমিনেশন দেয়া হয়েছে এই দাবি করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের প্রতিবাদের মুখে পিছু হটতে হয়েছে। রাজনীতির সাথে সঙ্গীত আসলেই মিশে গেছে! ডয়েচে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,

Freedom of expression is, perhaps, only granted when it goes at least some way to conforming with the mainstream social and political climate of the day. We might have scoffed about the BBC pulling the Sex Pistol’s “God Save the Queen” with the lyrics “God save the Queen! / The fascist regime!” from the airwaves in 1977, but overstepping political boundaries remains a matter of life and death for artists of all genres in many other parts of the world.

জামাতি মিডিয়া, জামাতি এস্টাবলিশমেন্টের সাথে আমাদের দেশে একশ্রেনীর লোকেরা মিলেঝুলে রসেবশে থাকেন। সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী নয়াদিগন্তে লেখেন, জীবাশ্ম বুদ্ধিজীবি বদরুদ্দিন উমর আমার দেশে জিহাদ করেন। জামাত আজ এতো শক্তিহালী এটার পেছনে আমাদের এইসব নিত্য সহবাসও একটা বড় কারণ।

Text

হরিদাস পাল বিষয়ক ইতিহাস

চট্টগ্রামের কবি জ্যোতির্ময় নন্দীর একটা কবিতা আছে হরিদাস পাল বিষয়ে। কবিতাটা আমি কখনো ছাপা অবস্থায় পড়ি নাই। কয়েক বছর আগে সামহয়ারইনে জাবির ছাত্র যূথচারী [সামু][সচল] এটার প্রথম দুই লাইন ব্যবহার করে একটা পোস্ট করেন। জাবির এক ক্যান্টিনে নব্বুই দশকের শেষার্ধে একটা পোস্টারে এই কবিতাটা লেখা ছিলো। ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে ওটা তখন। দুষ্টমতি ছাত্ররা দল বেধে হরিদাস পাল নির্বাচন করে। পাবলো নামে একজন ছিলো সেই নির্বাচনের বিজয়ী। আমাদের কলু মোর্শেদও (aka মাহবুব মোর্শেদ) [সামু] কয়েকটা ভোট বাগিয়েছিলেন। যূথচারীর পোস্টের পর ব্লগে এই কনসেপ্টটা বেশ জনপ্রিয় হয়। ব্লগার হোসেইন হরিদাস পাল নির্বাচনের আয়োজন করে। বাংলা ব্লগে প্রথম ও শেষ হরিদাস পাল নির্বাচনে ব্লগার বিপ্লব রহমান [সামু] ভূমিধ্বস বিজয় লাভ করেন।

হরিদাস পাল কবিতাটা ওয়েবে যতটুকু পাওয়া যায় সেটুকু তুলে রাখলাম এখানে। দরকার মতো লিংক যোগ করবো অন্য পোস্টগুলোতে।

অই যে চশমাধারী, মারাত্মক সিরিয়াস
চেহারাসুরত, যেন সারা দীন-দুনিয়ার যাবতীয়
দায়ভার তারই বৃষ স্কন্ধে কেউ চাপিয়ে দিয়েছে;
যেন সে পটল তুললে দুনিয়া এতিম হয়ে যাবে।

কিন্তু অই চশমাধারী, মারাত্মক সিরিয়াস
চেহারাসুরত, জানে না যে ওর মতো কত শত
বালস্য বাল/ “হরিদাস পাল” পৃথিবীর-প্রকৃতির
প্রগাঢ় প্রস্রাবের ফেনায় ভেসে গেছে……..।”

ট্যাগ: ব্লগ ইতিহাস
Text

গাজোয়ারি সংস্কৃতির ব্লগ দিবস

১.

বারো মাসে তেরো পার্বণ আয়োজনে বাঙালির সুখ্যাতি আছে আগেই । আগের যুগে এই পালা পার্বণগুলোর দিন কাল আচার ইত্যাদি ঠিক করতো মোল্লা-পুরুতের দল । কোথায় কবে চাঁদ, লগ্ন ইত্যাদি হলে কি করতে হবে সেটার বিধান করতেন তারা । এ মুহুর্তে পুরনো উদযাপনগুলোর মধ্যে নতুন বছরের হালখাতা ছাড়া ধর্ম থেকে নয় এরকম কোন দিন খুঁজতে ঐতিহাসিকদের দারস্থ হতে হবে ।

আধুনিক ইতিহাসে বাঙ্গালি নিজের জাতিস্বত্ত্বার অস্তিত্ব খুঁজে পাবার পর এই ধর্মভিত্তিক পার্বণগুলোর পাশাপাশি তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ন কিছু ঐতিহাসিক দিনগুলোকে উদযাপন করতে শুরু করে । বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলন সম্ভবত এই ক্যাটেগরিতে প্রথম দিকে পড়বে । এর ধারাবাহিকতায় বাঙালি ইতিহাসের হাত ধরে আরো কিছু দিনকে খুজে নেয় উদযাপনের জন্য । যেমন – স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, বুদ্ধিজীবি দিবস ইত্যাদি । ঐতিহাসিকভাবে এইসব দিনগুলোর কোনকোনটির ইতিহাসে শোকের প্রলেপ থাকলেও কালের বিবর্তনে এগুলো এখন উৎসবের চেহারা নিয়েই হাজির হয় । একুশে ফেব্রুয়ারির জমায়েত ও সেগুলোর চেহারা চরিত্র দেখলেই এ বিষয়টা পরিস্কার হবে । এগুলোর পরে নব্বুই দশকে বাঙ্গালির পার্বণ সংস্কৃতিতে এনজিও সংস্কৃতির আমদানি হয় । বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দিবসের প্রবেশ ঘটে সংস্কৃতিতে । দিবসগুলোতে ঘটা করে রেলি বের করে সেটার ছবি ভিডিও ইত্যাদি তুলে এদিক ওদিক থেকে ফান্ড যোগানেই মূল উদ্দেশ্য এদের । এই সংস্কৃতি এখনও বলবত আছে ।

২.

এই এনজিও সংস্কৃতির সাথে যাযাদির শফিক রেহমান চালু করেন ভালোবাসা দিবসের কনসেপ্ট । সাম্প্রতিক সময় চালু হওয়া এটাই সম্ভবত সবচেয়ে জনপ্রিয় পার্বণ । একসময়ের স্বৈরাচার বিরোধী শফিক রেহমানের এই উদ্যোগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮৩/র স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের আত্মদান পুরো ঢেকে ফেলে ।

তো এই সকল দিবস পালনের পদ্ধতি খেয়াল করলে দুটো বিষয় চোখে পড়ে । একদিকে কিছু দিবস আছে যেগুলো পুরোপুরি জনতার উৎসব । যেমন পহেলা বৈশাখ, ১লা ফাল্গুন । আরেক ধরনের দিবস আছে যেগুলো মূলত সভা সমিতিতে সীমাবদ্ধ । কিছু বিশিষ্ট লোকের বক্তব্য বিবৃতি এবং খুব বেশী হলে সভার আগে বা পরে ক্যাপ-গেঞ্জি চড়িয়ে ফটোসেশনসহ রেলি । এগুলোর মধ্যে মতাদর্শিক ভিত্তির চাইতে মাসলোর হায়ারারকির সর্বোচ্চ ধাপের ইচ্ছেপুরনটাই মুখ্য হয় ।

৩.

বাংলা ব্লগস্ফেয়ারে এই দিবস পালনের হুজুগ ওঠে সামহয়ারইনের তরফ থেকে । ১৪ ডিসেম্বর ২০০৮-এ নোটিশবোর্ডের এক পোস্ট থেকে ব্লগাররা জানতে পারে ১৬ই ডিসেম্বর বাংলা ব্লগ দিবস পালন করা হবে ! সেখানে বলা হয় –

আমরা বিজয় দিবস এর আনন্দের পাশাপাশি এই দিনটিকে “বাংলা ব্লগ দিবস” হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

এই আমরা কারা সেটারর ব্যাখ্যা ছাড়াই আমরা প্রস্তাবিত দিবসের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে পারি -

ক) একটি ক্ষেত্র তৈরি করা যেখানে মাতৃভাষায় গঠনমূলক লেখালেখি, আলোচনা, সমালোচনা থেকে শুরু করে সাধারণ আলাপচারিতায় মুখর হয়ে উঠবে সাংবাদিক, কবি-সাহিত্যিক, ছাত্র-ছাত্রী সহ সকল পেশার সাধারণ মানুষ, সকলেই । সাথে সাথে সবাইকে, বাংলা টাইপিং এর প্রতি জড়তা কাটিয়ে মাতৃভাষা চর্চায় সহায়তা করা।

(খ) “বাংলা ব্লগ দিবস” পালনের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে থাকা বাংলা ভাষাভাষীদের বাংলায় ব্লগিং বা লেখালেখির চর্চাকে উৎসাহিত করা এবং এর প্রসার ঘটানো।

গ) বাঙালি হিসেবে বাংলা ব্লগিং এর একটি নিজস্ব পরিচিতি তৈরি করা ।

ঘ) সামহোয়্যার ইন… কে উম্মুক্ত রাখা যাতে করে ব্লগ কমিউনিটির কাছ থেকে সরাসরি বিভিন্ন মতামত, তথ্য, চিন্তা ভাবনা আদান-প্রদান করা যায় এবং আমাদের ব্লগিং কমিউনিটির কাছ থেকে তাঁদের আগ্রহের বিষয়স্তু সহ অন্যান্য নানা বিষয় সম্পর্কে জানা যায়।

ঙ) পাঁচটি ভালো বাংলা ব্লগ খুঁজে বের করে তা বন্ধুদের সহ পরিচিত সকলকে বলা বা পড়তে উৎসাহী করা যা সকল গর্বিত বাংলাভাষীকে ব্লগিংয়ে উৎসাহিত করবে ।

বলাবাহুল্য, এহেন জ্ঞানগর্ভ অস্ট্রিচ এ্যালগরিমে লেখা উদ্দেশ্য বিবৃতি সাধারণ ব্লগার ভালো চোখে নেয়নি । অবস্থা বেগতিক দেখে তখনকার মতো নোটিশবোর্ড পিছু হটে । নোটিশবোর্ড পরে একটা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব আবিস্কার করতে সক্ষম হলেও ব্যাপক সংখ্যক ব্লগাররা তাদের বিরোধিতা করেছিলো ।

এর ঠিক এক বছর পর সামহয়ার আবারো এই ব্লগ দিবসকে সামনে নিয়ে এসেছে । তবে এবার একটু কৌশলী ভঙ্গিতে । সচলায়তনের এই পোস্ট থেকে আমরা জানতে পারি আরিল্ড ক্লোকারহগ কয়েকটি ব্লগ সাইটের সাথে যোগাযোগ করে জানতে চেয়েছেন ব্লগ দিবস কবে করা যায় । পরে আমার ব্লগের এ্যাডমিনদের তরফ থেকে সামহয়ারের পুরো মেইলটা পাওয়া যায় । দেখি সেখানে কি লেখা ছিলো ।

dear admins of amarblog, muktangon, prothom aloblog, sachalayatan, techtune

all of you are proud and engaged bangla bloggers and i would like to share our joy and congratulations for somewhere in… blog´s 4th year birthday with you today.

you are the admins of popular bangla blog community sites and you are our colleagues and co-pioneers, enabling the creation of rich bangla contents in the blogosphere. discussions are on about having a special and meaningful day (fixed or flexible) for bangla blogging in the freedom month of december, and we would like to invite you for a discussion on this topic here.

15th december is the birthday of somewhere in… blog and last year we adjusted our proposal to suggest the 15th december as the bangla blog day. we do, however, realize that the 15th may not be the best choice afterall.

do you have a proposal for a suitable and neutral day that can unite all the bangla bloggers in this month, a day we all can stand together to announce? i hope you can take your time to reply shortly.

best regards,

arild
somewhere in… blog

সামহয়ারের মেইল বা তাদের নোটিশবোর্ডের বক্তব্য পড়ে মাঝে মাঝেই মাথা চুলকোতে হয় । ফ্লেক্সিবল ব্লগ ডে বলতে ওরা কি বুঝিয়েছে সেটা বহুত চিন্তা করেও বের করতে পারলাম না । এছাড়া কো পাইয়োনিয়ার বিষয়টা কি ? বাকি ব্লগগুলো কি সামহয়ারের সাথে একই সাথে কিছু শুরু করেছিলো ? এইসব গ্রামাটিকাল ধুনফুন দেখতে দেখতে মেইলের শেষ প্রান্তে মোটামুটি বোঝা গেলো তারা কি বলতে চায় । তারা “in this month”-এই ব্লগ দিবস দেখতে চায় । এইরকম শর্তারোপ সকলের সাথে আলোচনা করে ব্লগ দিবস নির্ধারণ করতে তারা কতটা আন্তরিক সেটা পরিস্কার করে ।

৪.

তো শর্তসাপেক্ষে ব্লগ দিবস নির্ধারণের আহবান প্রাপকেরা কিভাবে নিয়েছে দেখা যাক ।

আমার ব্লগ

মেইল পাবার পর আমার ব্লগের মডারেটরদের পক্ষ থেকে ব্লগারদের মতামত জানতে চেয়ে একটা পোস্ট দেয়া হয় । সেখানে বলা হয় -

আমারব্লগ মনে করে এমন একটি দিন পালন করার যৌক্তিকতা নির্ধারণ পূর্বক নিম্নের যে কোন একটি দিনকে “বাংলাব্লগ দিবস” হিসেবে পালন করা যেতে পারে;

১। বৈশাখ এর দ্বিতীয় দিন
২। ফাল্গুন এর প্রথম দিন
৩। ফেব্রুয়ারীর প্রথম দিন
৪। বাংলা কমিউনিটি ব্লগের পথিকৃত বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ জন্মমাস হিসেবে ডিসেম্বর এর চতুর্থ শুক্রবার।

এর পাশাপাশি আমার ব্লগের মডারেট সুশান্ত একটি ডোমেইন খুলে মতামত আহবান করেন ।

আমার ব্লগের এই পোস্ট পড়ে পরিস্কার হয় যে তারা একটি ব্লগ দিবসের বিষয়ে একমত । তবে সেটা কোন দিন হবে সেই বিষয়ে সামহয়ার আরোপিত শর্তের বাইরেও চিন্তা করতে আমার ব্লগ রাজি । তবে সেই সাথে তারা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে তাদের এই পোস্ট দেয়ার উদ্দেশ্য ব্লগারদের মত সংগ্রহের, সামহয়ারের সাথে “সম্পৃক্ততা নয়” ।

আমার ব্লগের এই মত সংগ্রহ প্রচেষ্টায় বৈশাখের প্রথম শুক্রবার সর্বোচ্চ ৮ ভোট পায় (১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত) । দ্বিতীয় অবস্থান পায় ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ । তৃতীয় অবস্থান পাওয়া গ্রুপ এধরনের দিবসের বিপক্ষে মত প্রকাশ করে ।

সচলায়তন

সচলায়তনের মডারেটররা আমার ব্লগের মতোই একটা পোস্ট দিয়ে আরিল্ডের মেইল বিষয়ে সেখানকার ব্লগারদের অবহিত করেন । সেখানে পোস্টের শেষ পর্যায়ে তারা বলেন -

আপনাদের কাছ থেকে পরামর্শ কাম্য। সাদা-মডুর পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত দিনটি হচ্ছে একুশে বইমেলার প্রথম দিন, অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি ১।

সচলের প্রথম অবস্থায় একটা “প্রস্তাব” হিসেবে একটা দিন প্রস্তাব করা হলেও মন্তব্য ঘরে ব্লগাররা বেশ প্রবল আপত্তি জানান । বিপরীতে কয়েকজন ব্লগার ব্লগার দিবস সমর্থন করেন । ওখানে ব্যতিক্রম হিসেবে সচলায়তন যেদিন বাংলাদেশে ব্লক করা হয়েছিলো সেদিনকে ব্লগ দিবস হিসেবে গ্রহণের প্রস্তাব ওঠে ।

বাকিরা কি বলে ?

টেকটিউনস ও নির্মান ব্লগ এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করেনি । তারা তাদের ব্লগারদের বিষয়টি অবহিতও করেনি । এবং মজার ব্যাপার হলো সামহয়ারের একদম শুরুতে ব্যক্তিগত ব্লগসাইটের ব্লগারদের ডেকে আলোচনা করলেও এই উদ্যোগে সামহয়ার তাদের বাইরে রেখেছে । এখনও কোন ব্যক্তিগত ব্লগ সামহয়ারের ডাক পেয়েছে বলে জানা যায়নি ।

৫.

সচলায়তন ও আমার ব্লগে যখন মতামত সংগ্রহ চলছিলো তখন হঠাত করে ১৭ই ডিসেম্বর ২০০৯তে সামহয়ার একটি মেইল করে তাদের সব ব্লগারকে । সেখানে বলা হয়,

প্রিয় ব্লগার,

শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি সামহোয়্যার ইন ব্লগ “বাঁধ ভাঙার আওয়াজ” এ আপনার মূল্যবান ও আন্তরিক অংশগ্রহণের জন্য। এই ব্লগটির জন্মলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এর চড়াই-উৎরাই,ভাল-মন্দ, ভুল-ত্রুটি ইত্যাদি বিষয়ে অভিমত দিয়ে এবং আলোচনা-সমালোচনায় অংশ নিয়ে সর্বোপরি আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে এই প্ল্যাটফরমটিকে আজকের সাফল্যে পৌঁছে দেবার জন্য আমরা গৌরব বোধ করি।

ইতিমধ্যে আরও বেশ কয়েকটি বাংলা ব্লগসাইট তৈরী হয়েছে এবং যার যার নিজস্ব মতাদর্শে একটি অবস্থান ও জনপ্রিয়তাও তৈরী করেছে। মতাদর্শের হের-ফের থাকলেও বাংলা ভাষার চর্চা এবং বিশ্বজুড়ে মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় প্রকৃতপক্ষে আমাদের সবার উদ্দেশ্য অভিন্ন। আমাদের প্রচেষ্টা সফল হবেই – তা হোক আমাদের সম্মিলিত বিশ্বাস।

আমাদের সম্মিলিত এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে এবং বাংলা ভাষাকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দেবার জন্যে একটি “বাংলা ব্লগ দিবস” এর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এ বিষয়ে বাংলায় কমিউনিটি ব্লগিং এর সূচনাকারী হিসেবে আমরা সামহোয়্যার ইন ব্লগ “বাঁধ ভাঙার আওয়াজ” এর পক্ষ থেকে একটি নির্দিষ্ট নিরপেক্ষ দিন নির্বাচনের জন্য সকল বাংলা ব্লগ অ্যাডমিনকে চিঠি দিয়ে এবং এই ব্লগেই এ বিষয়ে অসংখ্য পোস্ট,মন্তব্য,আলোচনা ও প্রস্তাব পর্যালোচনা করে ১৯শে ডিসেম্বরকে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ বলে মনে করছি।

বাংলা ব্লগ দিবসের আনুষ্ঠানিক যাত্রা সূচনা করার জন্য আসছে ১৯শে ডিসেম্বর,শনিবার, ২০০৯ বিকেল ৫টায় একটি ছোট্ট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে আপনার অংশগ্রহণ আন্তরিকভাবে কামনা করছি।

ধন্যবাদ।

সামহোয়্যার ইন… ব্লগ টিম

http://www.somewhereinblog.net

আমাদের ঠিকানা:

“ইসলাম লজ”
সামহোয়্যার ইন…
বাড়ী: ১৪
সড়ক: ১৬/এ
গুলশান-১
ঢাকা-১২১২।

এই ১৯শে ডিসেম্বরের মতামতটার যুক্তি কি সেটা পরিস্কার না । সামহয়ারের মডারেটর জানার এই পোস্টে আরো কয়েকটি তারিখ নিয়ে বেশ ভালো যুক্তি আসলেও সেগুলো ধর্তব্যে নেয়া হয়নি । এছাড়া বিখ্যাত রাজাকার সমর্থক ব্লগার আস্তমেয়ের ভাবশিষ্য ফারহান দাউদের ব্লগে ১৯শে ডিসেম্বরের পক্ষে বেশ দৌড়ঝাপ দেখা যায় ।

মজার বিষয় হলো অনেকটা ইনপিনসেফটিপিন পদ্ধতিতে সামহয়ার কর্তৃপক্ষের রেসিডেন্ট বলে খ্যাত ব্লগাররা ১৯ডিসেম্বরের পক্ষে রায় দিতে শুরু করেন । এটা করা হয় এরকম নির্দিষ্ট তারিখে কারা কারা আসতে পারবেন, বন্ধের দিন কিনা ইত্যাদি জিনিস মাথা থেকে সরিয়ে রেখেই । এই ১৯ তারিখ এই কারনে অনেকটা সামহয়ারের তরফ থেকে পুশ করা হয়েছে এই সন্দেহটা সেখানেই হয় ।

প্রতিক্রিয়া

ওদিকে সামহয়ারের এই একতরফা ঘোষণায় সচলায়তনের তরফ থেকে প্রতিক্রিয়াটা আসে বেশ কঠোরভাবে -

sachalonblogday

অন্যদিকে আমার ব্লগ ১৭ই ডিসেম্বর ঘোষণা দেয় -

জনমতকে শ্রদ্ধা করে, ব্লগারদের সিদ্বান্তনুযায়ী আমার ব্লগ ফেব্রুয়ারি’র প্রথম দিনকে ব্লগ দিবস হিসাবে ঘোষনা দিচ্ছে।

ঘোষণা দেবার পর ১৮ই ডিসেম্বর পর্যন্ত আরোও সমর্থন নিয়ে তারা তাদের সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয় । এখানে উল্লেখ্য যে ঘোষণা দেবার আগ পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত তাদের সিদ্ধান্তের সাথে ছিলো না ।

তো শেষ পর্যন্ত অবস্থা এরকম দাড়িয়েছে সামহয়ার একতরফাভাবে ১৯শে ডিসেম্বর ব্লগ দিবস হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে । আমার ব্লগ ঘোষণা দিয়েছে ১লা ফেব্রুয়ারী । সচলায়তনের কাছ থেকে ব্লগ দিবসের ব্যাপারেই তীব্র “না” রয়েছে । এবং ঘটনা পরম্পরায় এই ত্রিমুখী অবস্থানের জন্য সামহয়ারকেই দায়ী করা চলে । তারা কোনপ্রকার অন্যান্য ব্লগ থেকে কোন আপডেট না নিয়েই একতরফাভাবে ১৯শে ডিসেম্বর ব্লগ দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে । একাধিক ব্লগ দিবস বা ব্লগ দিবস বয়কট যেটাই হোক সেটার দায় দায়িত্ব তাই সামহয়ারের একার ।

তিন ব্লগের এই টানাপোড়েন অবস্থায় দিবস পালনের পেছনে সাধারণত যেসব চেতনা কাজ করে সেটার কোন সম্ভাবনা দেখা মুশকিল । ছাগলে মুখ দিলে পোস্ট বাড়ে না বলে ব্লগে একটা কথা প্রচলিত আছে । এরকমভাবে রাজাকার তোষণকারি সুশীল ভাঁড় পরিবেষ্টিত কর্পোরেট গোষ্ঠি সামহয়ার কর্তৃপক্ষ মুখ দিলে ভবিষ্যতে কোন যুক্ত ব্লগীয় উদ্যোগ হালে পানি পাবে কিনা সেটা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ প্রকাশ করা যায় । ভবিষ্যতে সামহয়ার দিবসের অনুষ্ঠানগুলো সামহয়ার বা তাদের পোষ্য ব্লগারদের মাসলোর হায়ারকারির প্রথম ধাপের অভাব পুরন করতে কাজে লাগবে । কেউ কেউ সেলিব্রেটি হিসেবে টিভি, মঞ্চে বক্তৃতা বিবৃতি দেবার সুযোগ পাবেন, মিছিল মিটিঙের মাধ্যমে নিজের ভার্চুয়াল অস্তিত্ব নতুন করে আবিস্কার করতে পারবেন ।

এর বাইরে আমার ব্লগের কিছু ব্লগার ১৯শে ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক ভাঁড় দিবস হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন । এই বছর হুট করে ১৯শে ডিসেম্বর চলে যাওয়াতে হয়তো তেমন একটা আন্তর্জালিক প্রতিক্রিয়া যায়নি । তবে আগামী বছরগুলোতে হয়তো উত্তর মিলবে আসলেই সামহয়ার দিবস আন্তর্জাতিক ভাঁড় দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে কিনা ।

নোট : এই মুহুর্তে কমেন্ট বক্সের বাংলা কিবোর্ড কাজ করছে না । বাংলা লিখতে এই টুলটির সাহায্য নিতে পারেন ।