Text

এমসিকিউ প্রশ্ন বনাম সিঙ্গেল চয়েস প্রশ্নঃ সঠিক শব্দটি ব্যবহার করুন

আমি এসএসসি ৯২ ব্যাচ। আমাদের সময় এসএসসির প্রশ্নের ধরণে একটা বড় ধরণের পরিবর্তন হয়। আমাদেরকে স্কুল থেকে বলা হলো “অবজেকটিভ প্রশ্ন” নাকি আসবে। অবজেকটিভ প্রশ্ন কী জিনিস এটা বোঝাতে স্যারেরা বললেন আগের মতো পাতার পর পাতা লিখতে হবে না। এখন থেকে প্রশ্নের চারটা সম্ভাব্য উত্তর দেয়া থাকবে ও সেখান থেকে একটা টিক দিয়ে উত্তর করতে হবে। এই “অবজেকটিভ প্রশ্ন” শব্দটার মানে কী এটা আমি তখনও বুঝি নাই এখনও বুঝি না। এটার বাংলা কি নিরপেক্ষ প্রশ্ন?

এই অবজেকটিভ প্রশ্নের আরেকটা প্রতিশব্দ চালু হয় কিছুদিন পর। স্যারেরা এমসিকিউ নামে একটা শব্দ আওড়াতে থাকলেন। সেটার মানে জানলাম মাল্টিপল চয়েস কোয়েশ্চেনস। আজকে পত্রিকার পাতায় অনেক দিন পরে এই শব্দটা নিয়ে একটা হেডলাইন চোখে পড়লো। সেখানে বলা হচ্ছে, “বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় এমসিকিউ-এর পরিবর্তে অন্য কোনো পদ্ধতি অনুসরণ করা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখার সুপারিশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।” (১)

আমি বিসিএস দেই নাই কখনো। এর জন্য প্রিপারেশনও নেই নাই কখনো। আমার বিসিএস হবে না এটা বিসিএস প্রিপারেশন নেবার জন্য যারা লাইব্রেরিতে সারাদিন পড়ে থাকতেন তাদের দেখেই আমি বুঝে গিয়েছিলাম। তো আমি এই কারণে জানতামও না বিসিএসে আসলে কী ধরণের প্রশ্ন আসে। গুগল করতেই কয়েকটা স্যাম্পল সাজেশন, পুরনো প্রশ্ন পেলাম (২)(৩)। এগুলো দেখে বুঝলাম আসলে বিসিএস প্রশ্নকর্তা জ্ঞানী ব্যক্তিরা বা আমাদের স্কুলের স্যারেরা মাল্টিপল চয়েস প্রশ্ন কী জিনিস সেটাই বোঝেন না। তাদের শেখানো আমরা মতো নগন্য ব্লগারের সাধ্যের অতীত। আমার এই পোস্ট আমার মতোই নাদান মুর্খদের জন্য।

সোজা বাংলায় বললে এমসিকিউ প্রশ্ন হলো যেখানে একটা প্রশ্নের একাধিক উত্তর দেয়া যাবে। আর যেখানে একটি প্রশ্নের একাধিক উত্তর দেয়া যাবে না সেটাকে বলে সিঙ্গেল চয়েস প্রশ্ন। যেমন,

১. O2 দিয়ে কোন গ্যাস বোঝায়?
ক. হাইড্রোজেন
খ. অক্সিজেন
গ. কার্বন ডাই অক্সাইড
ঘ. কার্বন মনোক্সাইড

এখানে সঠিক উত্তর একটিই এবং সেটা হলো খ। এখানে দ্বিতীয় উত্তর দেবার সম্ভাবনা বা সুযোগ নেই।

এবার দেখা যাক মাল্টিপল চয়েস প্রশ্নের নমুনা।

২. আপনি কোন কোন পত্রিকা দৈনিক পড়েন?
ক. প্রথম আলো
খ. সমকাল
গ. আমাদের সময়
ঘ. বাংলাদেশ প্রতিদিন
ঙ. ভোরের কাগজ
চ. কালের কণ্ঠ
ছ. সংবাদ

এখানে আপনি একটিতে টিক দিতে পারেন আবার সবকটিতেও টিক দিতে পারেন। এটা হলো একটি মাল্টিপল চয়েস অর্থাৎ যেখানে একাধিক উত্তর দেয়া যেতে পারে এরকম একটা প্রশ্নের নমুনা।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অরণ্যে রোদন ছাড়াই পোস্ট শেষ করা হলো।

সূত্র
১. সমকালের খবর
২. নমুনা প্রশ্ন
৩. নমুনা প্রশ্ন

ট্যাগ: বিসিএস ভাষা
Photo
স্কৃনশটটা ২২শে জুলাই, ২০১৪ দুপুরের দিকে তোলা। বাংলাদেশের প্রায় ট্যাবলয়েড চরিত্রের প্রধান পত্রিকা প্রথম আলোর স্কৃনশট এটা। সাংবাদিকতা শব্দটা সম্পর্কে অল্পবিস্তর যা জানি সেটাতে বুঝি সাংবাদিকেরা খবর সংগ্রহ করেন, খবরের আপডেট দেন, খবরের অনুসন্ধান করেন এবং এসব করতে তাদের তাদের এদিক ওদিক যেতে হয়। একে ওকে এটা সেটা জিজ্ঞেস করতে হয়। প্রথম আলোকে যদি আদর্শ মানি তাহলে বুঝতে হবে আমি আসলে ভুল জানি। সাংবাদিকতা অর্থ এখন এখান ওখান থেকে টুকলিফাই করে অফিসে বসে পত্রিকা ভরানো। অফিসে বসে ইন্টারনেট ঘেটে দিব্যি বিভিন্ন সাইট থেকে খবর অনুবাদ করার নাম এখন সাংবাদিকতা।

স্কৃনশটটা ২২শে জুলাই, ২০১৪ দুপুরের দিকে তোলা। বাংলাদেশের প্রায় ট্যাবলয়েড চরিত্রের প্রধান পত্রিকা প্রথম আলোর স্কৃনশট এটা। সাংবাদিকতা শব্দটা সম্পর্কে অল্পবিস্তর যা জানি সেটাতে বুঝি সাংবাদিকেরা খবর সংগ্রহ করেন, খবরের আপডেট দেন, খবরের অনুসন্ধান করেন এবং এসব করতে তাদের তাদের এদিক ওদিক যেতে হয়। একে ওকে এটা সেটা জিজ্ঞেস করতে হয়। প্রথম আলোকে যদি আদর্শ মানি তাহলে বুঝতে হবে আমি আসলে ভুল জানি। সাংবাদিকতা অর্থ এখন এখান ওখান থেকে টুকলিফাই করে অফিসে বসে পত্রিকা ভরানো। অফিসে বসে ইন্টারনেট ঘেটে দিব্যি বিভিন্ন সাইট থেকে খবর অনুবাদ করার নাম এখন সাংবাদিকতা।

Text

মুসা ইব্রাহীমের লেখা চুরির কাহিনী

মুসা ইব্রাহীম প্রথম আলোর প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাকআপ পান কোন এক কারণে। এই মুসা ইব্রাহীম যখন প্রথম আলোতে প্রথম আলোতে প্রদায়ক হিসেবে কাজ করতেন তখনকার দিনের এক চুরির কথা উঠে এসেছে ব্লগার অমি রহমান পিয়ালের এক ফেইসবুক স্ট্যাটাসে।

image


সেখানে মুসা ইব্রাহীম একই দিনে দুটি লেখা দুই জনের পুরনো লেখা দিয়ে মেরে দিয়েছিলেন। অমি পিয়ালের স্ট্যাটাসের রিলেভেন্ট ইনফরমেশনগুলো এরকম,


সবশেষে বলি মুসা ইব্রাহীমের সেই অবিস্মরণীয় কীর্তি যা আরেকটু হলে আমার চাকরিটাই খেয়ে দিতো। সেবার যে কোনো প্রদায়কের জন্য বিশ্বরেকর্ড হিসেবে স্টেডিয়ামের প্রথম এবং দ্বিতীয় লিড লেখার কৃতিত্ব দেখিয়েছিলো সে। একটার বিষয় সুইমিং পুল আরেকটা জিমনেসিয়াম। ভেরি গুড। সে লিখে দিলো, আমি চমৎকার স্টোরি পেয়ে দুটোই ছেপে দিলাম। যেহেতু বড় কোনো আন্তর্জাতিক ইভেন্ট না থাকলে দেশী স্টোরিগুলোকে লিডে প্রায়োরিটি দেওয়া হতো। স্টেডিয়াম বের হতো রোববার। সেদিন অফিসে গিয়ে প্রথম ফোনটা সানাউল হক খানের। তিনি কবি হলেও খেলা বিষয়ক চমৎকার সব লেখা লেখেন। কিন্তু ব্যাপক মাথাগরম পাবলিক। ফোনে শুরু করলেন তার প্রথাগত খিস্তি। প্রথম লিডের প্রথম দুই প্যারা মাত্র ছয় মাস আগে স্টেডিয়ামেই ছাপানো তার একটা লেখার হুবহু কপি! আমি স্যরি ট্যরি বলে মাফ চেয়ে অস্থির। তারপর স্টেডিয়াম পাড়া থেকে ফোন আসতে লাগলো নানা পত্রিকার স্পোর্টস রিপোর্টারদের। পিয়াল ভাই, সানা ভাইর লেখা নাকি চুরি করে কে লিখে দিছে স্টেডিয়ামে? তিনচারটা এমন কলের পর বললাম, হ,দিছে। এখন কি সাক্ষাতকার নিবেন আমার!

রিপোর্টাররা হাউজে ফেরার পরও সেই একই কাহিনী। ধুর মিয়া চেক করবেন না আগে! আমি বলি কিভাবে চেক করুম! কবে কি ছাপা হইছে আমি তো মুখস্ত রাখি না। সবার শেষে আসলেন পবিত্র কুন্ডু। উনি ঠান্ডা মানুষ, কারো সঙ্গে ঝগড়া ঝাটি বা গলা উচিয়ে কথা বলেন না। স্টেডিয়ামের একটা পুরানো ফাইল বগলদাবা করে নিয়ে এসেই খুললেন, তারপর বললেন, পিয়াল এটা কি হলো? আমি বললাম, দাদা পায়ে ধরি। এইবার খেমা দেন। সকাল থিকা এই এক চোদনের উপর আছি। সানা ভাইরে স্যরি বলছিতো, উনিও সেটা মেনে নিছেন। আর কতো। পবিত্র দা বললেন, সানা ভাইয়ের কথা কে বলছে! আপনি সেকন্ড লিড দেখেছেন? ওটার প্রথম তিন প্যারা হুবহু আমার লেখা। এইবার আমি আক্ষরিক অর্থে চেয়ার থেকে পড়ে গেলাম। ভাগ্যিস শুভ্রদা তখন ট্যুরে। হাউজ সামলাচ্ছে মামুন।
Text

প্যালেস্টাইন ইজরায়েল সংঘর্ষে নিহতদের সংখ্যাচিত্র

সেপ্টেম্বর ২০০০ এর পর থেকে প্যালেস্টাইন ইজরায়েল সংঘর্ষে নিহতদের সংখ্যাচিত্র। সূত্রআলোচনা

Link
ট্যাগ: ফিলিস্তিন
Text

ভিনদেশি বিয়ে ও রোহিঙ্গা সমাচার

বিশ্বকাপ ফুটবল জ্বরে আক্রান্ত দেশ। এই বিশ্বকাপ জ্বর এমনই ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে আছে যে দেশের অ-, নিম- ও জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় কোনটাই হালে পানি পাচ্ছে না। ছবির হাঁট থেকে শুরু করে সর্বাধিক জনপ্রিয় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের শাস্তি সবগুলোই এক দুদিনের ফেইসবুক এ্যাক্টিভিজম (সাথে একটা দুটো মানববন্ধন) হালে পানি পাচ্ছে না। দুই একদিন পরই এরকম ইস্যুগুলো স্মৃতির অতলে হারাচ্ছে।

সকালে পত্রিকা পড়তে বসে গুরুত্বপূর্ণ একটা খবর দেখলাম। প্রবলভাবে রাজনৈতিক সচেতন আমার ফেইসবুক ফিড এই বিষয়ে বিষয় এখন টের পায়নি। বা পেলেও বিশ্বকাপ জ্বরে এগুলো দাগ ফেলেনি কারো মনে।

নিউজটা পেলাম প্রথম আলোতে। (ইমেজ ব্যাকআপ) সেখান থেকে জানছি রোহিঙ্গাদের সাথে বাংলাদেশিদের বিয়ে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

হেডিং পড়ে ভাবলাম নিশ্চয়ই কোন পাতি আমলার কাজ এটা। কিন্তু না! এই সিদ্ধান্ত এসেছে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে! আইনমন্ত্রী আনিসুল হক নিজে জানিয়েছেন এই সিদ্ধান্তের কথা। তিনি জানিয়েছেন,

রোহিঙ্গাদের বিবাহের বিষয়ে আজই আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এই অনুযায়ী এখন থেকে যদি কোনো কাজি রোহিঙ্গাদের বিবাহ নিবন্ধন করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাৎ এ দেশে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে বাংলাদেশিদের বিবাহ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই নিবন্ধন হলেও সেটি অবৈধ হবে।  

নিজেদের বর্ণবাদ আমাদের কখনো চোখে পড়ে না। আমরা ভিন্ন ধর্মের লোক ঘৃনা করি, আমরা অপেক্ষাকৃত গরীব লোকেদের ঘৃণা করি, আমরা পাশের জেলার লোকেদের ঘৃণা করি, চেহারা যাদের কালো তাদের সাথে প্রেম/বিয়ে করতে চাই না। রোহিঙ্গাদের বিয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা এরকই একটা ভিন্ন জাতির ওপর ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ। রোহিঙ্গাদের দোষ কী? এরা বিতাড়িত জনগোষ্ঠি। এদের মধ্যে সুযোগসন্ধানী কয়েকজন বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়েছে। নিয়ে এই পরিচয় ব্যবহার করে কিছু অপরাধ করেছে। রোহিঙ্গারা এই সুযোগটা পায় আইন শৃংখলা বাহিনী এবং সরকারি আমলাদের ব্যর্থতার জন্য। এদেশে এখনও পর্যন্ত একটা দুর্নীতিমুক্ত পাসপোর্ট ইত্যাদি সিস্টেম গড়ে তুলতে না পারার দায়িত্বটা তাদের নিতে হবে।

দুই জনগোষ্ঠির দুইজন মানুষ নিজেদের সম্মতি ও বোঝাপড়ায়  বিয়ে করতে পারবে এটাই সভ্য দেশের আইন হওয়া উচিত। এখানে কোন জনগোষ্ঠির লোকেরা কোন জাতির, কোন দেশের এসব প্রসঙ্গ সম্পূর্ন অপ্রাসঙ্গিক। বাংলাদেশের নাগরিকেরা যেমন পশ্চিমা (মিডলইস্টও পশ্চিম, সেখানকার কথা বলছি না) দেশে গিয়ে বিয়ে করার সুযোগ পান, সেরকম ভিনদেশের কোন নাগরিক, সেটা যে দেশেরই হোক বাংলাদেশে এসে বাংলাদেশিদের বিয়ে করতে পারার অধিকার রাখবে এটাই আশা করা যায়।

বাংলাদেশের আইন বর্বরতামুক্ত হোক।

লেখাটি সচলায়তনে প্রকাশিত।

Text

শুভ কামনা বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত শুদ্ধতম দল আর্জেন্টিনার প্রতি

এবারের বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলা দেশগুলোর মধ্যে আর্জেন্টিনা এ পর্যন্ত শুদ্ধতম খেলাটা খেলছে। এটা আগের এক পোস্টেও বলা হয়েছে। আজ আর্জেন্টিনা খেলতে নামছে বেলজিয়ামের বিপক্ষে। বেলজিয়ামের ম্যাচপ্রতি ফাউলের সংখ্যা আর্জেন্টিনার প্রায় দুই গুন।

এই ফাউল করা কোয়ার্টার ফাইনালে উত্তীর্ন হওয়া দেশগুলোর মধ্যে কোস্টারিকা আছে প্রথমে। এই দলটি আজ খেলবে তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা নেদারল্যান্ডসের সাথে।

ফিফা কর্তৃপক্ষ ফাউলের সংখ্যা কমাবার ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে আশা করি।




ড্যাটাসোর্স ইয়াহুস্পোর্টস
R স্কৃপ্ট এখানে পাওয়া যাবে।

Text

বিশ্বকাপে যতো ফাউলের শিকারেরা

বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা এক তারকা ব্রাজিলের নেইমার জুনিয়র গতরাতে প্রতিপক্ষের ফাউলের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। এই বিশ্বকাপ তো বটেই, অদুর ভবিষ্যতে আমরা নেইমারকে মাঠে দেখবো এরকম সম্ভাবনা নেই।

খেলা শেষে টিভি বা সনাতন মিডিয়া যে স্ট্যাটিসটিকস হাজির করে তার মধ্যে থাকে কোন দল কতোটা ফাউল করেছে। কোন দলের কোন খেলোয়াড় কতোবার ফাউলের শিকার হয়েছে সেটা নিয়ে আলোচনা হয় না বলতে গেলে। একটা ড্যাটাসেট পেলাম uefa সাইটে। সেখানে কোন খেলোয়াড় কয়বার ফাউলের শিকার হয়েছে সেটার তালিকা দেয়া আছে। সেই ড্যাটাতে দেখছি এবারের বিশ্বকাপে এখনো পর্যন্ত সবচাইতে বেশি ফাউলের শিকার চিলির আলেক্সিস সানচেজ। সর্বমোট ২১টি ফাউলের স্বীকার তিনি। এখনও পর্যন্ত টুর্নামেন্টে টিকে আছে এরকম দলগুলোর মধ্যে ব্রাজিলের নেইমার ও মারসেলো আছেন তালিকার শুরুর দিকে। ১৫টি করে ফাউল হয়েছে এদের দু’জনের ওপর। ন্যুনতম ৭টি ফাউলের শিকার এরকম খেলোয়াড়দের তালিকাটা দেখুন এই প্লটে।

এখানে স্মর্তব্য যে এই পরিসংখ্যান শুধুমাত্র সংখ্যা নির্দেশ করে। ফাউল কতোটা গুরুতর সেটা এখানে দেখা যায় না।

ফুটবল খেলাটা আরো একটা সভ্য হোক।


নোটঃ

ড্যাটাসোর্স uefa।

প্লট তৈরি করতে এই স্কৃপ্টটা ব্যবহৃত হয়েছে।

Text

গোল করা ও গোল বানিয়ে দেয়া

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি প্রচারিত পরিসংখ্যানগুলোর একটা হলো কে কতো গোল করতে পারলো। এবারের বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত এই তালিকায় এগিয়ে আছে কলাম্বিয়ার জেমস রডরিগেজ। উনি ৫ গোল করেছেন। ৪ গোল করে তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন তিনজন। জার্মানির ম্যুলার, ব্রাজিলের নেইমার আর আর্জেন্টিনার মেসি।

গতকাল আর্জেন্টিনার খেলা দেখে মনে হলো সর্বোচ্চ সংখ্যক গোলদাতাদের সাথে গোল করতে যারা প্রত্যক্ষ সহায়তা করেন তাদেরকেও মাথায় রাখা উচিত।

uefaর ড্যাটা বলছে এই বিশ্বকাপে গোল করায় প্রত্যক্ষ সহায়তা করেছেন এরকম খেলোয়াড়দের তালিকায় সর্বোচ্চ তিনটি অবদানের জন্য শীর্ষে আছেন পাঁচজন খেলোয়াড়। এদের দু’জনই ফ্রান্সের। বেলজিয়াম, ব্রাজিল ও কলোম্বিয়ার আছে একজন করে। ২টি অবদান নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকাদের তালিকায় শীর্ষ গোলদাতাদের পাওয়া যাবে। এ তালিকায় আছে মেসি, জেমস রডরিগেজ, থমাস ম্যুলার। ব্রাজিলের নেইমার না থাকলেও আন্দ্রে শ্যুর্লে আছে দুইটি সহায়তা স্কোর নিয়ে। খেলার ফল তৈরি করতে এসব খেলোয়াড়ের প্রত্যক্ষ তৎপরতার সাথে এসব পরোক্ষ তৎপরতাও আলোচনায় আসা উচিৎ।

অন্ততপক্ষে দু’টো গোলে সহায়তা করেছেন এরকমদের তালিকাটা এরকম,

ড্যাটাসোর্স আগেই বলা হয়েছে uefaর। প্লট নিজের তৈরি। প্লট তৈরির জন্য R-script এখানে পাবেন।

Text

বিশ্বকাপে কোন সময়ে গোল হয় বেশি

আজকে অফিসে ম্যারাথন মিটিঙের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। মাঝখানে পড়েছে আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ডের খেলা। আজকে সুযোগ আর্জেন্টিনার মেসির সর্বোচ্চ গোলস্কোরার হয়ে যাবার। কলিগদের প্লান এমনভাবে মিটিঙে ব্রেক নিতে হবে যাতে করে খেলার উত্তেজনাকর অংশটা ব্রেকের মধ্যে পড়ে। আগে থেকে এরকম আন্দাজ করা মুশকিল। এই বিশ্বকাপে একদম শুরুতে বা শেষের পাঁচ মিনিটে গোল হয়েছে। তবে বিভিন্ন সাইটের ড্যাটা ঘেটে বুঝলাম খেলার দ্বিতীয়ার্ধে অধিকাংশ গোল হয়। এ পর্যন্ত হওয়া ১৪৯ গোলের ৮১ টা, অর্থাৎ ৫৪% এই সময়ে হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ গোল হয়েছে ৬১-৭৫ মিনিটের মাথায়। ড্যাটাটার প্লটটা এরকম,

ড্যাটার সোর্স uefa। প্লট যথারীতি নিজের। কপি করতে পারবেন। তবে সূত্র উল্লেখ করে। প্লট তৈরি করা হয়েছে R ব্যবহার করে। স্কৃপ্ট পাবেন এখানে