Link
ট্যাগ: XeLaTex
Text

পিয়াস করিমকে শ্রদ্ধা নিবেদন প্রসঙ্গে ঞরাজাকার বুদ্ধিজোটের প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শহীদ মিনার অপবিত্র করার কাজে বাধা দেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, সরকার ও ক্ষমতাসীন রাজনীতিবিদদের দায়ি করে নিন্দেমন্দ করা হয়েছে। আমার প্রশ্ন হলো এই যে হাজার হাজার লোক ফেইসবুকে প্রতিবাদ করছে, শহীদ মিনারের সামনে মানববন্ধন করছে, সেখানে কাল সকালে যারা অবস্থান নেবে, যারা শহীদ মিনারের সামনে প্রতিবাদি শিল্পকর্ম আঁকছেন তারা এই ঞরাজাকারের পাল উল্লেখিত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, সরকার ও রাজনীতিবিদদের কেউ?

বাটপারের আশ্রয় সবসময়ই মিথ্যা কথা। এটা আরেকবার প্রমানিত হলো।

Text

পিয়াস করিমের লাশ নিয়ে দুপক্ষের কর্মসূচি অনর্থকঃ ইমরান

সূত্রঃ আমাদের সময়.কম
তারিখঃ ১৫/১০/২০১৪
রিপোর্টারঃ রিকু আমির

জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায়ের বিরোধীতার চেয়ে কেন শহীদ মিনারে ড. পিয়াস করিমের লাশ আনা নিয়ে তারা (কামাল পাশা চৌধুরী ও বাপ্পাদিত্য বসু) প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছেন এমন প্রশ্ন গণজাগরণ মঞ্চ একাংশের নেতা ডা. ইমরান এইচ সরকারের।

বুধবার আমাদের সময় ডটকমের কাছে তিনি এই প্রতিক্রয়া জানান। তিনি বলেন, এ আচরণের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় সরকার সমর্থিত ওই দুটি পক্ষের মূল লক্ষ্য যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ বিচার নিশ্চিতে বাধা সৃষ্টি করা। পিয়াস করিম ইস্যু সৃষ্টি করে তারা আন্দোলনের প্রধান বিষয় যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতে আন্দোলন এর শপথ থেকে সরে গেছেন।

তবে ডা. ইমরান পিয়াস করিমের লাশ শহীদ মিনারে আনার পক্ষে নন।

অন্যদিকে, শহীদ মিনারে যারা পিয়াস করিমের লাশ আনতে চাইছেন তাদের সম্পর্কেও আমাদের সময় ডটকমের কাছে কঠোর সমালোচনা করেছেন ডা. ইমরান। তিনি বলেন, পিয়াস করিম নিজেই বলতেন তিনি স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, শহীদ মিনার এসবে বিশ্বাস করেন না। এ অবস্থায় তার লাশ কোন যুক্তিতে শহীদ মিনারে আনার জন্য উদগ্রীব হওয়া। এটি একেবারেই অযৌক্তিক। যদি পিয়াস করিম অনুশোচনা করে বলে যেতেন কিংবা বিবৃতি দিয়ে যেতেন যে, তিনি শহীদ মিনার, স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে যা বলেছেন তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী কিংবা প্রমাণ সাপেক্ষে তার শেষ ইচ্ছা যদি থাকতো লাশ শহীদ মিনারে আনা তাহলে একটা কথা ছিল। যারা তার লাশ শহীদ মিনারে আনতে ব্যাকুল হয়ে উঠেছেন তারা ঘৃণ্য রাজনৈতিক ফায়দা লুটার চেষ্টা করছেন। প্রকারান্তরে এর মাধ্যমে তারা পিয়াস করিমকেও অমর্যাদা করছেন। কেননা, তিনি নিজেই বলতেন তিনি স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, শহীদ মিনার এসবে বিশ্বাস করেন না।

কর্মসূচি না দেয়া সম্পর্কে ইমরান বলেন, কার জন্য, কিসের জন্য কর্মসূচি দেব? মৃত পিয়াস করিম আমাদের কোনো ক্ষতি করছে না। তিনি জীবিত থাকাকালীন মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, ট্রাইব্যুনাল নিয়ে বিরোধীতা করেছেন প্রকাশ্যে। গণমাধ্যমে কথাও বলেছেন। গণজাগরন মঞ্চের আন্দোলনকে অবৈধ, নাস্তিকদের আন্দোলন বলে আখ্যা দিয়েছেন। আমার নাম উচ্চারণ করে নাস্তিক, ইসলাম বিরোধী বলেছেন। যার দাঁত ভাঙা জবাব আমরা দিয়েছি ২০১৩ সালেই। তার প্রতি আমাদের মনোভাব এখনো বদলায়নি।

কিন্তু এখন মৃত পিয়াস করিমের লাশের বিরুদ্ধে কর্মসূচি দিয়ে আমাদের কী লাভ? গণজাগরণ মঞ্চের জন্ম এ জন্য নয়। আমাদের আন্দোলনের মূল বিষয়বস্তু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। তাছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার লাশের বিষয়ে যে অবস্থান নিয়েছেন তাতেই সন্তুষ্ট আমরা। পিয়াস করিমের লাশ নিয়ে কর্মসূচি পালনকারীদের বিষয়ে ডা. ইমরানের ভাষ্য এ দুটি পক্ষ (কামাল পাশা চৌধুরী সমর্থিত গণজাগরন মঞ্চ ও বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু সমর্থিত শাহবাগ আন্দোলন) সরকার সমর্থিত। যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থক পিয়াস করিমের লাশ নিয়ে তাদের যতটা মাথা ব্যথা সৃষ্টি হয়েছে। ততটা মাথা ব্যাথা সরাসরি যুদ্ধাপরাধী সাঈদীর রায় নিয়ে হলে ভালো হত। তারা সাঈদীর রায়ের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারেননি। সরাসরি রাজাকারের চেয়ে রাজাকারের দোসরের মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি অনর্থক। তিনি মনে করেন এ দুটি পক্ষের কর্মসূচি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে ক্ষতিগ্রস্থই করবে।

ব্যাকআপ লিংক।

Text

পিয়াস করিম অবিচুয়ারিসমগ্র

টকমারানি পিশাচ করিমের বিশিষ্ট ভক্তকুলদের অবিচুয়ারি সংগ্রহে রাখা হলো। পাঠকদের কাছে এই কালেকশন সমৃদ্ধ করতে সাহায্য চাইছি। সহায়তার ইচ্ছে কচি ভক্তদের তথ্য দিয়ে ভারাক্রান্ত করবেন না প্লিজ।

আলি রিয়াজ

জামায়াতে ইসলামী ওয়েবসাইট

প্রভাষ আমিন

আনিসুল হক (আন্দোলন প্রসঙ্গে)

অরূপ রাহী

পিনাকী ভট্টাচার্য্য

কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর

সৌভিক রেজা

প্রবীর বিকাশ সরকার

আব্দুন নুর তুষার

আসিফ নজরুল

আসিফ নজরুলের স্ট্যাটাসে লাইক দাতা মোস্তফা জামান আব্বাসী

নুরুল কবির

জাকির তালুকদার

বাংলাদেশ ছাত্র শিবির

মইনুল আহসান সাবের

ড. মুহম্মদ ইউনূস

ফারুক ওয়াসিফ

দিনা সিদ্দিকী

গোলাম মুর্তজা

পিয়াস করিমের বাসায় খালেদা জিয়া

সাঈদীপুত্র শামীম সাঈদী

ফরহাদ মজহার

বাসায় যারা যারা গিয়েছিলেন,


তার মৃত্যুসংবাদ শুনে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের কর্মী, বুদ্ধিজীবী, ভক্ত-অনুরক্তরা তার ধানমন্ডিস্থ বাসায় ছুটে যান। শোক সন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে বাসায় যান,

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও ২০ দলীয় জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া
আইনমন্ত্রী এডভোকেট আনিসুল হক
কবি ও বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আসিফ নজরুল
রামরু’র চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের অধ্যাপক সিআর আবরার
সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ
দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী
আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান
নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর
ড. জাফরউল্লাহ চৌধুরী
ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)  মহাসচিব  এজেডএম জাহিদ হোসেন
ড. তুহিন মালিক
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বীরপ্রতিক
এডভোকেট তাজুল ইসলাম
ঢাবি শিক্ষক ফেরদৌস আজিম
গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি
ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল
মহিলা দল নেতৃবৃন্দ
জামায়াত নেতা মতিউর রহমান আকন্দ
সেলিম উদ্দিনসহ অনেকে।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক,

তার মৃত্যুতে জাতি একজন সুশিক্ষিত বুদ্ধিজীবীকে হারালো। জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হলো। তার পরিবারের বিরাট ক্ষতি হলো উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, তার পরিবার যেন শোক সইতে পারে সে কামনা করছি।


নূরুল কবির

তিনি একজন স্পষ্টভাষী রাজনীতি সচেতন ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকে তাকে চিনি উল্লেখ করে বলেন, তখন পিয়াস করিম বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তার চিন্তার পরিবর্তন হলেও নীতির জায়গায় ঠিক ছিলেন। তিনি সমাজের নানান অসঙ্গতি সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরতেন।


সি আর আববার, শিক্ষক ঢাবি

ড. পিয়াস করিম মুক্তবুদ্ধি চর্চার একজন মানুষ ছিলেন। তিনি যেটা বলতেন সাহসের সঙ্গে বলতেন। এই সাহসিকতা তাকে অল্প সময়ের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছিল।


গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সমন্বয়ক ড. জাফরউল্লাহ চৌধুরী,

তার মতো সংগ্রামী, শিক্ষিত দেশপ্রেমিক অপরিণত বয়সে চলে গেল। বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থাও তার মৃত্যুর কারণ বলে তিনি মনে করেন।


মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতিক

পিয়াস করিম একজন স্পষ্টভাষী, সত্যপ্রিয় বিশ্লেষক। সাধারণ মানুষের কথাগুলো তিনি সহজবোধ্য ভাষায় তুলে ধরতে পারতেন। টিভি দর্শকগণ দীর্ঘদিন তার অনুপস্থিতি অনুভব করবে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি আমার মরহুম ছোট ভাইয়ের ঘনিষ্ঠ ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন তার মৃত্যুতে আমি ব্যথা অনুভব করছি।


টক শো আলোচক ড. তুহিন মালিক

তার আকস্মিক মৃত্যু জাতিকে বড় ধরনের নাড়া দিয়ে গেছে। শুধু রাজনৈতিক নয়, সামাজিক অসঙ্গতিগুলো সাহসিকতার সঙ্গে তিনি তুলে ধরেছেন। যে ক’জন সাহসী মানুষ আছেন তাদের মধ্যে পিয়াস করিম প্রথম সারিতে ছিলেন উল্লেখ করে এরকম পুরুষ জন্ম নিতে অনেক বছর লাগবে। তিনি কামনা করেন এ রকম পিয়াস করিমের আগমন যেন দ্রুত ঘটে।


এড. তাজুল ইসলাম

আমরা শোকাভিভূত। এই কঠিন সঙ্কটের সময় তার মতো মানুষ খুব প্রয়োজন। যখন মানুষ কথা বলতে ভয় পাচ্ছিল তখন তিনি সাহস করেছিলেন। কথা বলছিলেন।


খালেদা জিয়া

দেশে যখন নাগরিক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে, বিরোধী দলের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে, গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে সংকুচিত করা হয়েছে তখন সত্যপ্রকাশে এক নিঃশঙ্কচিত্ত নির্ভীক ব্যক্তিত্ব ড. পিয়াস করিমের মৃত্যু এক অপূরণীয় বিশাল ক্ষতি। তিনি ছিলেন এই সময়ের স্বাধীন বিবেকের উজ্জ্বল প্রতিনিধি। মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে দুঃসময়ে দুঃসাহসের ওপর ভর করে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে তিনি কখনওই পিছপা হননি। খালেদা জিয়া মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত কলামের লিংক

১. জীবনেরই নয় মৃত্যুরও স্বপ্ন আছেঃ পীর হাবিবুর রহমান [লিংক][ব্যাকআপ]

২. পিয়াস করিমঃ বুদ্ধিবৃত্তির ক্ষণকালীন নক্ষত্র - ড. মাহফুজ পারভেজ [লিংক][ব্যাকআপ]

৩. পিয়াসের মৃত্যু ও আমার কষ্টঃ মাহমুদুর রহমান মান্না [লিংক][ব্যাকআপ]

৪. Is simple decency too much to ask? - Dhaka Tribune সম্পাদকীয় [লিংক]

৫. সাহসী কণ্ঠস্বরের বিদায় দৈনিক মানবজমিন  [ব্যাকআপ]

Text

আফসান চৌধুরীর “মার্ক্সবাদি” বন্ধু পিয়াস করিমের রাজনৈতিক কর্মকান্ড বিষয়ে নোট

বণিকবার্তায় আফসান চৌধুরী অসময়ে প্রস্হান শিরোনামে এক কলাম লিখেছেন। উনি পিয়াস করিম বিষয়ে কিছু স্মৃতিচারণ করেছেন। সেখানে উনি পিয়াস করিমের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে লিখেছেন,

ধীরে ধীরে তিনি মার্ক্সবাদী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। মার্ক্সবাদের ওপর তাঁর আস্থা ছিল অবিচল। রাজনৈতিক বিশ্লেষণ তিনি মার্ক্সবাদ দিয়েই করেছেন।

এই অংশটা লেখক বলেছেন পিয়াস করিমের প্রথম জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে। পিয়াস করিমের আমেরিকাবাসের পর বাংলাদেশে আবার যখন নতুন জীবন শুরু করেন তখনকার কথা বলতে গিয়ে আফসান চৌধুরী জানাচ্ছেন,

শেষের দিকে পিয়াস মার্ক্সবাদী থেকে ইসলামী চিন্তা কিংবা জাতীয়তাবাদী রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। আমি এটা বিশ্বাস করি না, বিশেষ করে শেষ পর্যন্ত তিনি আলোচনা করে গেছেন মার্ক্সবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে।

আমরা আরোও জানছি,

পিয়াস স্বকীয় অবস্থান থেকে একটি মুক্ত স্বাধীন সত্তার কথা জানান দিয়েছেন, কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের কর্মী হিসেবে নিজেকে দেখতে চাননি।

এই পর্যন্ত পড়ে পিয়াস করিমের জাতীয়বাদি দলের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হবার কথা মনে পড়লো। এরকম একটা ছবি পাওয়া গেল আমার দেশ পত্রিকায় যেখানে তার পিছনে খালেদা জিয়া জেএসসির ছবি সাটা ব্যানার।

এর থেকেও মারাত্মক ছবি পেলাম ফেইসবুকে কিছু দুষ্টুমনার বদৌলতে। সেখানে আমরা দেখছি পিয়াস করিম বড় গণতন্ত্র তারেক জিয়ার জন্মদিনের কেক কাঁটছেন। ছবিটা পাওয়া গেল দিনকালের সৌজন্যে।

এছাড়া তিনি বিএনপি জামাতের ইফতার পার্টিতেও হাজিরা দিতেন। এই নিউজটাতে দেখছি সেখানে উনার সাথে ছিলেন সাংবাদিক মাহফুজুল্লাহ, জাফরুল্লাহ। এরা আজকে শহীদ মিনারে পিয়াস করিমের লাশ নিয়ে যাবে ঘোষণা দিয়েছে।

এই দুইজনের সাথে আজকের সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন সবান্ধবী ফরহাদ মজহার। কার্ল মার্ক্স এইরকম মার্ক্সবাদি দেখলে নিশ্চিত আত্মহত্যা করতেন। সাহসে না কুলালে বানপ্রস্থে যেতেন।

তবে এইসব থেকেও মারাত্মক তথ্য দিয়েছেন আফসান চৌধুরী। পিয়াস করিম নাকি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে কাজ করছেন!

সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে তিনি একটি কাজ করছিলেন। পাশাপাশি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক গবেষণা প্রকল্পে পিয়াস যুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিষয়ক আন্তর্জাতিক একটি সেমিনারে অংশগ্রহণের কথাও ভাবছিলেন পিয়াস।

অবস্থাদৃষ্টে বিএনপি জামাতের পোষ্য বুদ্ধিজীবি পিয়াস করিমের পঞ্চত্ব প্রাপ্তিতে সবচাইতে বড় বাঁচা বেঁচে গেছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। বেঁচে থাকলে এই লোক বিকৃত ইতিহাস রচনা করতো এবং সেটাকে মুক্তিযুদ্ধের এ্যানাদার ন্যারেটিভ ইত্যাদি বলে আকাশ বাতাস ভারি করতে ফেলতো। আমি নিশ্চিত এই সমর্থকদলে আফসান চৌধুরীও থাকতেন। ইতিহাস হয়ে যাওয়া পিয়াস করিম কীরকম ছিলেন সপ্তা না পেরোতে সেই বিষয়ে মিথ্যা কথা লেখা শুরু করেছেন আফসান চৌধুরী।

জাফরুল্লাহ, ফরহাদ মজহার, মাহফুজুল্লাহ কেন বিএনপি জামাতের ইফতার পার্টিতে হাজিরা দেয় এইটা পরিস্কার। আমার এখনো পরিস্কার না আফসান চৌধুরী কেন হঠাত করে টয়লেটটিস্যু পেপার কার কী পরিস্কার করতে হাজির হলেন? বয়স তো যথেষ্ট হলো, এখন অবসরে গেলে হয় না?

Text

লাশ নিয়ে যা পাকিস্তানঃ ছবি গ্যালারি

আপডেট ১৭ই অক্টোবর, ২০১৪

১.

ছবিঃ শাহাদাত হোসেইন

২.

ছবিঃ শাহাদাত হোসেইন

৩.

ছবিঃ শাহাদাত হোসেইন

৪.

ছবিঃ প্রাচ্য পুরুষ

৫.

ছবিঃ প্রাচ্য পুরুষ

৬.

ছবিঃ প্রাচ্য পুরুষ

৭.

ছবিঃ প্রাচ্য পুরুষ

৮.

ছবিঃ প্রাচ্য পুরুষ

৯.

ছবিঃ প্রাচ্য পুরুষ

১০.

ছবিঃ প্রাচ্য পুরুষ

১১.

ছবিঃ প্রাচ্য পুরুষ

১২.

ছবিঃ প্রাচ্য পুরুষ

১৩.

ছবিঃ প্রাচ্য পুরুষ

১৪.

ছবিঃ প্রাচ্য পুরুষ

১৫.

ছবিঃ প্রাচ্য পুরুষ

১৬.

ছবিঃ সৈকত কুল

১৭.

ছবিঃ কিন্তু কেন

মূল পোস্ট

১.

২.

৩.

ছবিঃ সরকার তাপস

৪.

৫.

৬.

৭.

ছবিঃ জয়দেব নন্দী

৮.

ছবিঃ শেখ আসমান

৯.

ছবিঃ শেখ আসমান

১০.

ছবিঃ শেখ আসমান

১১.

ছবিঃ শেখ আসমান

১২.

ছবিঃ শেখ আসমান

১৩.

ছবিঃ সৈকত কুল

১৪.

ছবিঃ শেখ আসমান
ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন ১৫/১০/২০১৪

১৫.

ছবিঃ সৈকত কুল

১৬.

ছবিঃ সাজ্জাদ হোসেন

১৭.

ছবিঃ সাজ্জাদ হোসেন

১৮.

ছবিঃ সাজ্জাদ হোসেন

নোট
১. ছবিগুলো মূলত ফেইসবুক থেকে সংগ্রহ করা। এগুলো অনেক জায়গায় বিভিন্নজনেরা পোস্ট করছেন। মূল ফটোগ্রাফারের খোঁজ পেলে দয়া করে জানাবেন। কপিরাইট মালিক হিসেবে নাম যোগ করে দেব।
২. পোস্ট চলমান। কোন ছবি পেলে যোগ করা হবে এই পোস্ট।

Photo
জরুরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। তনখা আলোচনাসাপেক্ষ।

জরুরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। তনখা আলোচনাসাপেক্ষ।

Text

জীর্ণবচন সংগ্রহশালা

জাতি হিসেবে বাঙ্গালির ক্রিয়েটিভিটি সীমাবদ্ধ। ফেইসবুক, ব্লগে কোন বিতর্কিত কমেন্ট/পোস্ট দিলেই এক পদের ক্রিয়েটিভিটি ছাড়া লোক তাদের কিছু ক্লিশে (অর্থাৎ অতি ব্যবহার জীর্ণ। একথায় জীর্ণবচন) আর্গুমেন্ট নিয়ে হাজির হন। তাদের সুবিধার্থে এইসব ক্লিশে কমেন্টগুলো একত্রে জড়ো করলাম। জীর্ণবচনেরা সুবিধামতো এখান থেকে তাদের কমেন্ট কপি পেস্ট করে ব্যবহার করতে পারেন। এতো কষ্ট না পোষালে নাম্বার উল্লেখ করলেই চলবে।


১. বাঙ্গালির দোজখে দারোয়ান লাগে না। কেউ কিছু করতে দেখলেই আপনারা তার পেছনে লেগে পড়েন।

২. পারলে আপনি কিছু করে দেখান।

৩. ডক্টর ইউনূসকে অপমান করলেন। এখন লেগেছেন ______র পেছনে। আর কতো?

৪. বিদেশে থেকে এরকম অনেক কথাই বলা যায়। পারলে দেশে এসে কিছু করে দেখান।

৫. কিছু না করতে পারার বেদনা থেকে আপনার এই স্টাটাস।

৬. মোবাইল টাকা আয় করার দারুণ সুযোগ। এই লিংকে ক্লিক …..

৭. বাঙ্গালী সবসময় পশ্চাতদেশের মতো বিভক্ত। কখনো কোনোটায় একমত হতে পারে না। সবকিছুতে বিভক্তি।

৮. তুই একটা নাস্তিক।

৯. কিছু কইলেই তো কইবেন ছাগু।

১০. ভারতের দালালি আর কতো?

১১. খুব তো এইসব বলছেন। ছাত্রলীগের কাজকর্মে প্রতিবাদে আপনাকে দেখি না কেন?

১২. আওয়ামী বয়ান এইরকমই হয়। ৭১ পরবর্তী সময়ে যখন …

১৩. যুদ্ধ অপরাধের বিচার কি হয়েছে? এক কাদেরকে ঝুলিয়ে বিচার হয়ে গেল?

১৪. যাকে তাকে ছাগু ও রাজাকার ট্যাগ করবেন না। আওয়ামী লীগের সমালোচনা করলেই কাউকে রাজাকার বলা যায় না।

১৫. নিজের ভালো বুঝার যোগ্যতা আমাদের নেই। তাই সমালোচনা বাদ দেয়া উচিত।

১৬. তাতে আপনার কী?

১৭. না পাবার বেদনা থেকে আপনি এগুলো বলছেন।

১৮. অতীত নিয়ে ঘাটাঘাটি না করে সামনের দিকে একত্র হয়ে এগিয়ে যেতে শিখুন। তাকিয়ে দেখুন পাশ্চাত্য দেশগুলো ….

১৯. দেশে তেল নাই, গ্যাস নাই, বিদ্যুত নাই আর আপনি এইসময় এইগুলো নিয়ে …

২০. যখন ____ দেখি, তখন কোথায় থাকে আপনাদের _____ ।

২১. আপনার কথা মানলাম, কিন্তু/তবে এসবের/তার আগে আমাদের দেখতে হবে ____ ।

২২. আপনি কি জানেন শেখ হাসিনার বেয়াই রাজাকার?

২৩. এতোদিন পরে এই কথা। আমি আগেই বলেছিলাম …. ।

২৪. বঙ্গবন্ধু নিজেই যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করে গেছেন।

২৫. খেলাধুলার সাথে রাজনীতি মেশাবেন না।

২৬. __________ হতে পারে তার সাম্প্রতিক ভূমিকার জন্য বিতর্কিত। কিন্তু তাই বলে তার আগেকার অর্জন তো আমরা ফেলে দিতে পারি না। তিনি তার ____র জন্যই বেঁচে থাকবেন।

২৭. এভাবে খারিজি লাইনে গিয়ে আমাদের কী অর্জন হচ্ছে বলুন শুনি!

২৮. মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের জন্মই হয়নি। আমরা নতুন প্রজন্ম আমাদের মুক্তিযোদ্ধা বাবা/চাচা/মামা/খালু/শ্বশুরদের কাছে শুনেছি ______ ।

২৯. বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি, উনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। এখন আপনার মেজর জিয়ার অবদান মুছে _____ ।

৩০. গোলাম আজম ভাষা সৈনিক এ কথাও আপনারা মানতে চান না।

৩১. স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আওয়ামী লীগের কোন এমপিই যুদ্ধ করে নাই, ওরা কলকাতায় আরাম আয়েশে দিন কাটিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে এইসব আওয়ামী বয়ান ছেড়ে আসুন _____ ।

৩২. আপনাদের বঙ্গবন্ধুই তো ৭ই মার্চ ভাষণের শেষে জিয়ে পাকিস্তান/পাকিস্তান বলেছিলেন!

৩৩. বাঙ্গালির গোল্ডফিশ মেমরি এর মধ্যেই এসব ভুলে বসে আছে। আমরা যখন …. ।

৩৪. বাঙ্গালি গুনি লোকের মর্যাদা দিতে জানে না।

৩৫. আমি রাজনীতি বুঝি না। আমি শুধু বুঝি দেশের উন্নতি।

৩৬. আগে কোরান পড়ে আসেন তারপর কথা বলতে আসেন। আপনার কথা ঠিক হলে এতোসব বুজুর্গ আলেম কি ভুল বলেছেন?

৩৭. ইহা প্রকৃত ইসলাম/বাম রাজনীতি নয়।

৩৮. আপনার ভাষা পড়লেই বোঝা যায় আপনার পড়াশোনা কদ্দুর/কোন ফ্যামিলি থেকে এসেছেন।

৩৯. আমি … আমি … আমি …. আমি …. আমি ….. আমি

৪০. বিএনপি ও আওয়ামী লীগ আসলে একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ।

৪১. সবার আগে দরকার ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা।

৪২. [ছাগু/ছুপা ছাগু/সুশীল কমেন্ট বা স্ট্যাটাসের জবাবে] আরে আরে করেন কি! আপনার রাজাকার উপাধী পেতে আর দেরি নাই।

৪৩. মৃতব্যক্তিদের সমালোচনা করা উচিৎ নয়।

৪৪. আওয়ামী লীগের সমালোচনা করলেই কাউকে রাজাকার বলা যায় না।

ছবি সূত্র।

(পোস্ট চলমান)

Text

ভাষা মতিন সম্পর্কে জাফর ওয়াজেদের স্টাটাস ও অন্যান্য সূত্র

এর কিছু কিছু আমি শুনেছি আগে। তবে জাফর ওয়াজেদ যেসব অভিযোগ করেছেন সেগুলো এতো ডিটেইলে জানতাম না। এসব ভেরিফাই করা দরকার।

।। ভাষা মতিনের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালিটা কই?।।
ইতিহাস ও সময়ের এক বিশাল দাবি পূরণে যারা সামনের কাতারে ছিল-আপনি তাদের একজন ভাষা মতিন। জাতি সে জন্য আপনাকে শ্রদ্ধা জানায়। ৫৭সালে ভাসানীর সাথে গেলেন।কিন্তু ষাট ও সত্তুর দশকে আপনার ভূমিকা-জাতি,দেশ ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ভূমিকা জাতির ব্যাপক অংশ জানে না।কিন্তু আমরাতো জানি। এবং ভুক্তভোগী।শ্রেণী শত্রু খতমকারিযুগের আপনি শেষজন। হক -তোযাহা-মতিন -আলাউদ্দিন- টিপু বিম্বাস এই নামগুলো ছিল
কুষ্টিয়া-যশোর-খুলনা-মাদারীপুর-আত্রাই ইত্যাদি অন্চলে আতংকের নাম।জোতদার ও শ্রেণী শত্রু খতমের নামে কত সহস্রজনের জীবন হরণ করেছে—সে সব আধেক লেখা ইতিহাস । আপনাদের নেতা তখন চীনের চেযারম্যান। সে কথায় পরে।

আপনি মাস ৬আগে অশীতিপর শরীর নিয়ে অপরের কাঁধে ভর করে ক্ষুদ্রঋণদাতাযাকে পুষ্পমাল্য দিলেন শুধু নয় ভাঙ্গা কন্ঠ থেকে নির্গত করলেন অমোঘ বাক্য—সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি বলে।

প্রতিশোধ নিলেন বিবিসির জনভোটে শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালির উপর।যাঁর মৃত্যুদিনে
শোক নয় নাজাত দিবস পালন করে বক্তৃতা করতেন।কী ক্ষোভ- যে ১৯৭০ সালে আপনার জেলায় নৌকামার্কার নির্বাচিত প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলামকে দিনদুপুরে জবাই করে শ্লোগান দিয়ে অস্ত্রহাতে বীরদর্পে যেতেন শুধু নয়—লুটপাটও করতেন।আপনারা ১৯৭১সালে মুক্তিযুদ্ধকে দুই কুকুরের কামড়া কামড়ি বলে ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতাকামীদের হত্যা করেছেন।

১৯৭২সালে অস্ত্রসহ পলাতক রাজাকারদের একটা অংশ অস্ত্রসহ আপনাদের সাথে যোগ দেয়। স্বাধীনতার পর শুরু হলো থানা লুট, পাটের গুদামে আগুন, রেলও সড়ক ব্রীজ উড়িয়ে দেওয়া। যুদ্ধবিধস্ত দেশকে ধংস করে দেওয়ার কাজটি করেছেন।

১৯৭৪সালে আপনার দলের কমরেড হক নামেখ্যাত নেতাটি ভুট্টোকে চিঠি দেন অর্থ ও অস্ত্র চেয়ে,যা ভুট্টোর জীবনীতে রয়েছে।অাপনারা তখনো বাংলাদেশ নামব্যবহার করেন না।

১৯৭৫সালের ১৫ আগস্ট পর আপনাদের লোকরা গর্ত হতে বেরুতে থাকে।
আত্রাইয়ে অালমগীর কবিরকে বাংকার হতে ধরা হয়।

১৯৭৭সালে পাকিস্হানী কোলাবরেটর ভাসানীর সেক্রেটারি যাদু মিয়া মন্ত্রী হবার পর আপনাদের দল ভাঙ্গতে থাকে নানা উপদল হয়। খুনের অভ্যাস বজায় রাখতে নিজেরা নিজেদের তত্ত্ব বিরোধী উপদল নেতাদের হত্যা করা শুরু করেন। আপনারা খুন হবার  আশংকায় ঢাকায় এসে জিয়ার কৃপা লাভ করলেন। ভাতা পাওয়া শুরু হলো। ধানমন্ডি ১৯নং রোডে বাসা নিলেন-আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস তখন গলাকাটাদের নানা গ্রুপের পালিয়ে আসাদের নিরাপদ আশ্রয় স্হল। ছাত্রলীগের নেতা কমীদের অনুপস্হিতিতে তাদের রুম দখল করে থাকা শুরু করে। আপনাকে দেখতাম মধুরসহ ছাপড়া কেন্টিনে-কতিপয়দের সাখে। সে সুবাদে পরিচয়-ধানমন্ডির রাস্তায়ও দেখা হত।
অাপনি বাংলাদেশ স্বাধীনদেশ মানেন কি না এখনো জানি না। মার্কিনীদের প্রিয় যাকে সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বলে অভিধা দিলেন-তিনি কিন্তু আপনার  জীবনের অন্তিম মুহূর্তে পাশে এসে দাঁড়ান নি। তাকে সত্তরদশকে পেলে শ্রেণী শত্রু হিসেবে  জবাই করতেন। দাঁড়িয়েছে আওযামীলীগ এবং আপনার স্বদেশী স্বাস্হ্যমন্ত্রী মো.নাসিম।
হে ভাষা সৈনিক জীবনের শেষ প্রান্তে এসে একটিবার বলে যান শেখ মুজিব সবর্কালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি আর তথাকথিত শ্রেণীশত্রু খতমের নামে যাদের হত্যা করেছেন-তাদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চান

ইস্টিশন ব্লগে আরিফুজ্জামান তুহিন একটা লেখা দিয়েছেন। সেখানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে দুই কুকুরের লড়াই বাদে জাফর ওয়াজেদের অভিযোগগুলো বিষয়ে কিছু পেলাম না।

জাফর ওয়াজেদ আরো বলছেন,

।।প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানে অমলিন ভাষা মতিন।।
১৯৭৩সালের শেষ দিকে যখন সেনাবাহিনীর কম্বিং অপারেশন শুরু হয়,তখন রাজশাহী হতে পিছু হটার সময় পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি নেতা আবদুল মতিন বাগাতিপাড়া থানার একটি জঙ্গলে ধরা পড়েন।পুলিশের সঙ্গে গুলি বিনিময়কালে তা একসময় শেষ হয়ে যায়।সারেন্ডার করার আগে চিৎকার দিয়ে বলেন,”আমি শেখ মুজিবের বন্ধু, অামাকে গুলি করে মারবেন না।”শুনে পুলিশ ফাযারিং বন্ধ করে।তার গ্রেফতারের পর রাজশাহীতে চরমপন্হীদের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। সরদার আমজাদ হোসেন ১৯৭৩সালে জাতীয় সংসদে নির্বাচিত বাগমারা-রাণীনগর-আত্রাই এলাকার।একই সঙ্গে আওযামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক।খবর পেয়ে তিনি এসপির অফিস যান।তার জয়পরাজয়ের রাজনীতি গ্রন্হে লিখেছেন,”সিঁড়ি দিয়ে বারান্দায় উঠে দেখি অফিসের উত্তর পার্শ্বে কাঁচাপাকা চুলের কালো সুঠাম দেহের এক পন্চাশোর্ধ ব্যক্তি হ্যান্ডকাপ হাতে দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্হায় মাটিতে বসে আছেন।পাশে আরো দু’একজন। বারান্দায় উঠে জিজ্ঞেস করতেই পুলিশ গার্ডেরা পরিচয় করিয়ে দিলো ভাষা সৈনিক নকশাল নেতা আবদুল মতিনের সঙ্গে।বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠার সেই সৈনিককে এ ধরনের দুঃখজনক পরিবেশে বন্দি হিসেবে আমার দেখতে হবে;কোনোদিন ভাবি নি- কল্পনাও করি নি। মুখ ঘুরিয়ে শুধু বলেছিলাম,মাটিতে কেন চেয়ারে বসতে দিন।। এসপি আবু তালেব বললেন„ মতিন সাহেব শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত থেমে থেমে গুলি করে পুলিশের সাথে গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ করছিলেন। গুলি শেষ হওয়ার পর সারেন্ডার করেন। চিৎকার করে বলেন-যে তিনি শেখ মুজিবের বন্ধু ও তাকে না মারার জন্য। তা শুনে গুলি করা বন্ধ করি। তা না হলে তিনি গুলি খেয়ে মারা পড়তেন। সরদার আমজাদ রাতে ঢাকা ফিরে প্রধান মন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকে বিষয়টি জানান।বঙ্গবন্ধু বলেন ,মতিন ঠিকই বলেছে। সেতো বন্ধু। তাকে গুলি করবে কেন? বন্দি করে রাখুক।”

জাফর ওয়াজেদ আরো বলছেন,

১৯৭২ সালের ১৬ডিসেম্বরের পরও যারা দলের নামে বাংলাদেশ সংযোজন না করে ১৯৭৭পর্যন্ত পূর্ববাংলা বা পূর্ব পাকিস্তান রাখেন,তারা আর যাই হোক স্বাধীনতার পক্ষের নন।১৬ডিসেম্বরের পূর্ব পযর্ন্ত ন্যাপ মুজফফর পূর্বপাকিস্তান ন্যাপ ব্যবহার করতো।আজকের সিপিবিও পূর্বপাকিস্তানের কমিউনিস্টপার্টি ব্যবহার করতো।১৬ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ ব্যবহার করে। মতিন-আলাউদ্দিনরা তা করেন নি।তাদের ভাষ্যে বাংলাদেশ তখন “ভারতের করদ রাজ্য”।তখনো তাদের দলের চেয়ারম্যান চীনের চেয়ারম্যান মাও দে জং।

খতমের রাজনীতি সম্পর্কে জানাচ্ছেন তিনি,

।।শ্রেণীশত্রু নিধন শোষিতের নামে?।।
মতিন -আলাউদ্দিনের খতমের রাজনীতি ছিনিয়ে নিয়েছে স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের হাজার হাজার মানুষকে।
স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে শুরু হয় তাদের শ্রেণীশত্রু নিধন পর্ব।উত্তরবঙ্গ ছিল ত্রাসের ভীতির জনপদ।
১৯৭২সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাজশাহীর বাগমারায় গোয়ালকান্দির পরিত্যক্ত জমিদার বাড়িতে একই রাতে ৮জনকে জবাই করে হত্যা করা হয়। শ্রেণীশত্রু হিসেবে চিহ্ণিত এদের মধ্যে পাশের গ্রামের কৃষক পরিবারের আবদুর রহমান, রেফাজ উদ্দিন,গোয়ালকান্দির নাপিত তুলশীও শ্রেণী শত্রু, সোনা ডাঙ্গার কসিমুদ্দিন,মোহনপুর গ্রামের আজহার চেয়ারম্যান, তাহেরপুরের বিরু সান্যাল।
১৯৭৩ জানুয়ারিতে বাগমারার ঝিকরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নামকান গ্রামের আব্বাস মাস্টার এবং সহকারি শিক্ষক মোসলেমকে প্রকাশ্য দিবালোকে স্কুল ঘরের দরজার চৌকাঠে শুইয়ে জবাই করে হত্যা করা হয়।
১৯৭৩ মার্চমাসে রামরামা গ্রামের৭০বছরের বেশী বয়সী রেফাজ সরকারকে,হুলিখালিরজীতেন বকসী ও তার কিশোর পুত্রকে জবাই করা হয় প্রকাশ্যে হাটে।
সবচেয়ে বড় অপারেশন চালায় ১৯৭৩সালের অক্টোবর সন্ধ্যার আগে।যাতে ভাষা মতিন নেতৃত্ব দেন।দামনাশ হাট পুলিশ ফাড়িঁর উপর হামলা করে পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির সশস্ত্র ক্যাডাররা।তারা নায়েকসহ ৮জন পুলিশকে হত্যা করে। স্কুল গৃহে স্হাপিত ফাঁড়ি পুড়িয়ে রাইফেল লুট করে। গোলাগুলির সময় চরমপন্হী নেতা মতিনের ডানহাত অধ্যাপক বাদল দত্ত মারা যায়।
চারদিকে মাথার খুলি-মগজ ছড়িয়ে ছিটিয়ে-বীভৎস অবস্হা। দু’জন পুলিশ আশ্রয় নিয়েছিল স্কুলের ছাদে। সেখানেই তাদের পুড়িয়ে মারা হয়।
শ্রেণীশত্রু নিধন -সমাজতন্ত্রের বিপ্লব নাকি সিরিয়ালকিলার, হত্যাকারি বিপ্লবের আবরণে? সাধারণ মানুষ, পুলিশ হত্যা করে  সহায় সম্পদ লূট,চাঁদা ধার্য করে জোরপূর্বক আদায় নামক ডাকাতি তারা অবলীলায় করেছেন। আর আজ শুনিতারা শোষিতের পক্ষে ছিলেন।

অক্টোবর ৮, ২০১৪র জনকণ্ঠেভাষা মতিনের একটা সাক্ষাতকার বেরিয়েছে। সেখানে তিনি জাফর ওয়াজেদের উল্লেখ করা গলাকাটা রাজনীতির প্রসঙ্গে তিনি যে ঐ রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন সেটা উল্লেখ করেছেন। উনি এখানে কোন ঘটনার বর্ণনা দেননি।


প্রশ্ন : আমাদের দেশে এক সময় গলাকাটা রাজনীতির কথা শোনা যেত। যাঁরা সেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন তাঁদের সম্পর্কে আপনার রাজনৈতিক মূল্যায়ন করুন।
আব্দুল মতিন : গলাকাটার রাজনীতি আসলে সবাই করেনি। তবে কেউ কেউ তো করেছেই। গলাকাটা কথাটার মধ্যে একটু বেশি বেপরোয়া, উচ্ছৃঙ্খলতাই বোঝায়। আমরাও এক সময় এই রাজনীতি করেছি। আমি আমার কথা বলছি, অন্যদেরটা বলতে পারব না।
আব্দুল মতিনের কথা পাশের ঘরে চেয়ারে বসে তাঁর স্ত্রী গুলবদননেছা মনিকা পত্রিকা পড়তে পড়তে শুনছিলেন। তিনি উঠে এলেন। ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে আব্দুল মতিনের দিকে তাকিয়ে আমাদের বললেন, এখানে আমার একটা কথা আছে। আপনারা যেটাকে গলাকাটা রাজনীতি বলছেন সেটা আসলে গলাকাটার রাজনীতি না। সেটা ছিল আসলে শ্রেণীশত্রু খতমের রাজনীতি। শ্রেণীশত্রু খতমের প্রক্রিয়াটা ভাল ছিল কিন্তু কিছু সুবিধাবাদী মানুষ নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য শ্রেণীশত্রু খতমের রাজনীতিকে নিয়ে গেল তাদের গলাকাটার রাজনীতিতে। চারু মজুমদার তো মানুষের ভালই চেয়েছিলেন।
আব্দুল মতিন তন্ময় হয়ে স্ত্রীর কথা শুনছিলেন। মাথা নেড়ে সমর্থন করলেন মনিকার কথা। তার পর বললেন, যখন দেখলাম মানুষ এই রাজনীতি নিচ্ছে না তখন আমি পার্টির নেতাদের বললাম, আমরা ভুল করছি। তারা আমাকে যতটা পারলেন বোঝালেন। আমার কাছে তাদের যুক্তি বা ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য মনে হলো না। আর একটা জিনিস আমার ক্ষেত্রে ছোটবেলা থেকে আমি দেখে এসেছি সেটা হলো, একবার যখন কোনও জিনিস আমার মাথায় ঢুকবে আমি সেখান থেকে আর নড়ে দাঁড়াব না। তার পর পার্টি থেকে রিজাইন করলাম। যারা শ্রেণীশত্রু খতম করার কথা বলে সাধারণ মানুষকে খতম করে তারা তো প্রকৃত অর্থে রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থানকেও খতম করছে। এর পর নানান কারণ দেখিয়ে পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি থেকে আমাকে বহিষ্কার করা হয়।
প্রশ্ন : রাজনৈতিক হত্যাকা-কে আপনি কীভাবে দেখেন?
আব্দুল মতিন : একটা মানুষের সঙ্গে বিভিন্ন কারণে আমার মতবিরোধ হতে পারে। মতের অমিল হতে পারে, তার জন্য তো আমি তাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে পারি না। তবে হ্যাঁ, যে আমার শত্রু হবে তার সঙ্গে আমার যুদ্ধ হতে পারে। সেই যুদ্ধের কৌশল হতে পারে নানা রকম। বুদ্ধিমত্তা দিয়ে, যুক্তি দিয়ে, কৌশল দিয়ে শত্রুকে নাস্তানাবুদ করার উপায় খুঁজতে হবে।
একটু হেসে রসিকতা করে আব্দুল মতিন বললেন, যদি মতের সঙ্গে মত না মেলার কারণে একজনের হাতে অন্যজনকে প্রাণ দিতে হয় তবে তো স্বামী-স্ত্রী কেউ দীর্ঘদিন সংসারজীবন পালন করতে পারবে না।

বিভিন্ন সূত্র থেকে আলোচনা থেকে আরো কিছু তথ্য পেলাম। টুকে রাখলাম সব এখানে।

ভাষা মতিন খালেদা জিয়ার উপরও আস্থা রাখতেন। ২০১২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া উনার বাসায় দেখা করতে গেলে উনি বলেন,

আমি মনে করি আপনার নেতৃত্বে চলমান আন্দোলন সফল হবে। আপনি সামনে এগিয়ে চলেন। জনগণ আপনার সঙ্গে আছে।




তিনি আরোও বলেন,

সংসদের ভেতরে ও বাইরে আন্দোলনকে প্রসারিত করতে বিএনপিকে সংসদে যোগ দিতে হবে। সরকারি দল একতরফাভাবে সংসদে যা ইচ্ছা তাই বলে যাচ্ছে। সেজন্য আপনাকে প্রতিবাদ জানাতে হবে।


গতবছর খবরে দেখেছিলাম উনি খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাত করতে যাচ্ছেন। সাক্ষাতে কী কথা হলো সেটা জানা হয়নি।

২০১২ সালে ভাষা মতিন মাহমুদুর রহমানের আমার দেশ পত্রিকা থেকে সংবর্ধনা নিয়েছিলেন। ওখানে একই সাথে সংবর্ধনা নেন ঞরাজাকার কোবি আল মাহমুদ




সেখানে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে ভাষা মতিন বলেন,


আমার দেশ সম্মাননা পদক পেয়ে ভাষাসৈনিক আবদুল মতিন তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, আপনারা আমার বন্ধু ও সাথী। আপনাদের দেখলে আমি সাহস পাই। সাহস ছাড়া কোনো ভরসা নেই। তিনি বলেন, আমি চিন্তা করছি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কি-না। মানবতা রক্ষা পাবে কি-না। মানুষ কীভাবে বাঁচবে। পৃথিবীতে যা ঘটছে, যে কোনো সময়ই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ লেগে যেতে পারে। এ অবস্থায় সাহসই আমাদের সম্বল। সাহস ছাড়া আমাদের আর কী আছে। এই সাহস নিয়েই আমাদের লড়তে হবে। তিনি বলেন, আমার দেশ যে সংগ্রাম করে যাচ্ছে, তাতে আমি এখন সাহসী হচ্ছি। আমিও আপনাদের সঙ্গে থাকতে চাই। পাশে বসা আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বাহুতে হাত স্পর্শ করে তিনি বলেন, এই আমি গা ছুঁয়ে বলছি—আমি আপনাদের সঙ্গে আছি। আপনারা সাহস রাখুন। আপনারা মহান কাজে ব্রতী থাকুন।

খালেদা জিয়ার মতো উনি ড. ইউনূসরেও না বলতে পারেন নাই। ছবিটা পেলাম এক জায়গায়

আরোও একটা ছবি




নোবিল ব্যাংকারের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উনি সভাপতিত্ব করেছেন। উনি নাকি গণমানুষের রাজনীতি করতেন।


Text

ভূঁড়ি ভোজ বনাম ভূরিভোজ

ঈদের দিন প্রথম আলোতে ঝুলছে 7upএর বিশাল বিজ্ঞাপন। সেখানে ভূরিভোজের বানান লেখা হয়েছে ভূঁড়ি ভোজ! বাংলা একাডেমির অভিধানে এই বানানটা লেখা হয়েছে ভূরিভোজ। এরকম একটা ভুল বানানে লেখা বিজ্ঞাপন ঝুলতে পারলো দেশের প্রধান দৈনিকে!


সংসদ বাংলা অভিধানেও এই বানানটা ভূরিভোজ হিসেবে উল্লেখ আছে।

কৃতজ্ঞতাঃ ফেইসবুকের বাংলা বানান গ্রুপের সদস্যগণ।