গতকাল ১৩ই জুলাই ২০১০ তারিখ বিকালে দুই ঘন্টার ব্যবধানে জামায়াতে ইসলামীর দুই নেতা কামারুজ্জামান ও কাদের মোল্লা গ্রেফতার হয়েছে । বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত এই খবর ও এর আনুসাঙ্গিক তথ্যগুলো রিভিউ করার উদ্দেশ্যে এই পোস্ট লেখা । এখানে পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যগুলোর একটা তুলনামূলক যাচাই করা হবে ।
আলোচনার সুবিধার জন্য প্রথমেই কামারুজ্জামান ও কাদের মোল্লার গ্রেফতারের ঘটনাটাকে মূল খবর হিসেবে ধরে কয়েকটি ভিন্ন ভিন্ন সংযুক্ত বিষয়ে বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করা হবে । বাংলা পত্রিকাগুলোর মধ্যে দৈনিক প্রথম আলো, দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক ভোরের কাগজ, দৈনিক মানবজমিন, দৈনিক নয়া দিগন্ত, দৈনিক সংগ্রাম, দৈনিক সমকাল, দৈনিক আমাদের সময়ের তথ্যগুলোর তুলনা করা হয়েছে ।
কোন মামলায় এই গ্রেফতার
ঠিক কোন মামলায় কামারুজ্জামান ও কাদেরকে গ্রেফতার করা হলো সে সম্পর্কে সবচেয়ে তথ্য বেশী পাওয়া যায় নয়া দিগন্ত ও দৈনিক সংগ্রামে । নয়া দিগন্ত জানাচ্ছে “২০০৮ সালের জানুয়ারি মাসে পল্লবীতে গণহত্যার ব্যাপারে আদালতে একটি পিটিশন করা হয়। ২৪ জানুয়ারি আদালত তদন্তপূর্বক মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করার জন্য পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। পরদিন ২৫ জানুয়ারি সেটি নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়। পরে মামলাটির তদন্তভার সিআইডি’র ওপর ন্যস্ত হয়।” মামলার বিস্তারিত নথিভুক্তি সম্পর্কে দৈনিক সংগ্রাম জানাচ্ছে মামলাটির নম্বর ছিলো ৬০ । সংগ্রাম আরোও জানাচ্ছে “বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি বাদি আমীর হোসেন মোল্লা ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে একটি পিটিশন মামলা (নং-১০/০৮) দায়েরের পর মামলাটি সংশ্লিষ্ট থানা পল্লবীতে আদালত পাঠিয়ে দেয়। দন্ডবিধির ১৪৮/৪৪৮/৩০২/৩৪/২০১/৩২৬/৩০৭/৪৩৬ ধারায় মামলাটি পুলিশ রুজু করে। বর্তমানে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তথ্যবিভাগ-সিআইডি তদন্ত করছে। এর আগে পল্লবী থানার এসআই হামিদুর রহমান তদন্ত করেন। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছেন সিআইডির ইন্সপেক্টর নুরুল ইসলাম সিদ্দিকী।”
মামলার এই খুটিনাটি তথ্যগুলো দিতে অন্য পত্রিকাগুলো ব্যর্থ হয়েছে বলা যায় । প্রথম আলো মামলার তারিখ হিসেবে “গত ২৫শে জানুয়ারি” লিখেছে । অর্থাৎ এ বছরের ২৫শে জানুয়ারী মামলাটি দায়ের করা হয়েছে ! মামলার বাদি হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা আমীর (অামির) হোসেন মোল্লার কথা প্রায় সবগুলো পত্রিকা লিখেছে । মানবজমিন উল্লেখ করেছে আমির হোসেন মোল্লা একজন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা । দৈনিক সংবাদ লিখেছে মামলাটি করেছেন জাকির হোসেন নামের একজন । নয়া দিগন্ত লিখেছে বাদির নাম জাকির হোসেন মোল্লা ।
মামলার আসামী কারা
সমকালে সর্বমোট ৭০ জন আসামীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে । কালের কণ্ঠ বলছে সংখ্যাটা ৮০ । সংগ্রামে ৬০/৭০ জনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে । এদের মধ্যে প্রথম দশজন মূল আসামী এবং বাকিদের অজ্ঞাত হিসেবে দেখানো হয়েছে । এদের মধ্যে কালের কণ্ঠ ও মানবজমিন প্রথম ১০জনের নাম জানানো হয়েছে । এরা হলেন – “জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুজাহিদ, আবদুল কাদের মোল্লা, কামারুজ্জামান, মীর আবুল কাসেম, সরদার আবদুস সালাম, খাজা অসিম উদ্দীন (মৃত) আকতার গুণ্ডা (অবাঙালি), নেওয়াজ (অবাঙালি) ও ডোমা (অবাঙালি)” (মানবজমিন) । প্রথম আলো জানিয়েছে আসামীরা ১৯৭১ এ অবাঙ্গালিদের নিয়ে ৬০-৭০ জনের একটি বাহিনী তৈরী করেন । এটা একটা গুরুত্বপূর্ন সংযোগজন বলতে হবে ।
কিসের জন্য মামলা
ঘটনাস্থলঃ
আগেই বলা হয়েছে মামলাটি করেছেন মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন মোল্লা । ১৯৭১ সালে মিরপুরে সংঘটিত এক গণহত্যার অভিযোগ তিনি তাঁর মামলায় এনেছেন । মিরপুরের ঐ জায়গাটির নাম আসলে কী সেটা নিয়ে পত্রিকাগুলো বিভিন্নরকম তথ্য লিখেছে ।
-
[*] সমকাল, কালের কণ্ঠ, ভোরের কাগজ – আলেকদী গ্রাম
[*] সংবাদ – আলোকদি
[*] আমাদের সময় – আলোবদি
[*] নয়া দিগন্ত – আলোকদী
[*] মানবজমিন – আলবদী গ্রাম
তবে সবকিছুকে ছাড়িয়ে গেছে দৈনিক সংগ্রাম । তারা আলোকদী, আলুবদি, আলবদী তিনটি নামই ব্যবহার করেছে ! সবগুলো পত্রিকার এতোগুলো কম্বিনেশন দেখে পাঠকের কোনভাবেই বোঝার উপায় নেই জায়গাটির নাম আসলে কী ।
ঘটনাঃ
ঘটনার সময়কাল সম্পর্কে সংগ্রাম বলছে “১৯৭১ সালের ২৪ এপ্রিল ফজরের আযানের সময় ও একই বছরের ১৮ ডিসেম্বর সকাল ১১টা” । সময়কালে এসে প্রথম আলোর মতো নয়া দিগন্তও তারিখ কেলেংকারিতে জড়িয়েছে । নয়া দিগন্ত লিখেছে “পল্লবী থানার ওসি জানান, ২০০৮ সালে মিরপুরের আলোকদী গ্রামে গণহত্যা সংঘটিত হয়” । নয়া দিগন্তের রাজনৈতিক পক্ষপাত বিবেচনায় এই ভুল ইচ্ছাকৃত কিনা সেই প্রশ্ন উঠতে পারে । অন্য কোন পত্রিকা এই সময় বিষয়ে আলোকপাত করেনি ।
সমকাল জানাচ্ছে ১৯৭১ সালে আসামীদের গঠিত বাহিনী দ্বারা তাঁর ৬৪ নিকটাত্মীয় নিহত হন । প্রথম আলো আরো একটু বিস্তারিতভাবে জানিয়েছে “১৯৭১ সালের আমীর হোসেন মোল্লা মিরপুর ও মোহাম্মদপুরে ১০০-১৫০ মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে আসামিদের আস্তানা আক্রমণ করেন। তখন কাদের মোল্লার নেতৃত্বে নিজামী, মুজাহিদ, কামারুজ্জামান, মীর আবুল কাশেম, সরদার আবুল কালামসহ অন্য আসামিরা ভারী অস্ত্র নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর গুলি চালায়। এতে বাদী আমীর হোসেন মোল্লার সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সাত্তার শহীদ হন। বাদীর ডান পায়ে ও ডান হাঁটুতে গুলি লাগে। পরে স্বজনদের খুঁজতে এসে অনেকেই ঘাতক আল-বদরদের হাতে নিহত হন।” তো প্রথম আলো এই ঘটনা দিয়ে “গণহত্যার” ছবিটা পরিস্কার করতে পারেনি । মানবজমিন আরো একটু পরিস্কার করে লিখেছে “কাদের মোল্লার নেতৃত্বে অবাঙালিরা ৩৪৪ জনকে হত্যা করে ৩টি কুপে লাশ ফেলে দিয়ে মাটিচাপা দেয়। ঘটনার সময় বাদী ও তার পরিবার কচুরিপানার মধ্যে লুকিয়ে আত্মগোপন করেন। পরে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন ।” তো নিহতের সংখ্যা ৬৪থেকে বেড়ে ৩৪৪ হলো এখানে এসে ।
আমাদের সময় এই ৩৪৪ সংখ্যা বহাল রেখেছে । মানবজমিন জানাচ্ছে “নেতৃত্বে বদর বাহিনী প্রথম আক্রমণ করে ১৯৭১ সালের ২৪ এপ্রিল। ওইদিন ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হয় ও একসঙ্গে ৬৪ জনকে লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলির পর গ্রামের তিনটি কূপে মাটিচাপা দিয়ে হত্যা করা হয়। পরে বিভিন্ন সময়ে মোট ৩৪৪ জনকে ওই তিন কূপে মাটিচাপা দেয়া হয়। এদের মধ্যে ২৮০ জন কৃষি শ্রমিকও রয়েছে।” মানবজমিনের খবরের মাধ্যমে পুরো ছবিটা আস্তে আস্তে পরিস্কার হয় । এই তিনটি পত্রিকা ছাড়া বাকি পত্রিকাগুলো নিহতের সংখ্যার মতো গুরুত্বপূর্ন তথ্যটি দিতে ব্যর্থ হয়েছে ।
অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য
ফেইসবুকে সচল নজমুল আলবাব এই গ্রেফতার সংক্রান্ত নিউজ শেয়ার করে সেখানে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন “যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে প্রথম গ্রেপ্তার… (সম্ভবত)” । নজমুলের মতো আমারো এই সন্দেহটা ছিলো যে এই গ্রেফতার কি আসলেই এই জাতীয় মামলায় প্রথম গ্রেফতার? উত্তরটা শুধুমাত্র সমকালে পাওয়া যায় । সমকাল জানিয়েছে “এ মামলায় ইতিমধ্যে মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এ মামলায় গ্রেফতারকৃত চার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।” অর্থাৎ কামারুজ্জামান এবং কাদের মোল্লা এই জাতীয় মামলায় দ্বিতীয় গ্রেফতার ।
গ্রেফতারের ঘটনা সন্ধ্যা ৬টা । এই ঘটনার পর পত্রিকার ট্রেসিং বের হওয়া পর্যন্ত যথেষ্ট সময় ছিলো মামলার বাদি আমির হোসেন মোল্লার একটা সাক্ষাৎকার নেবার । দুঃখজনক ব্যাপার হলো কোন পত্রিকা সেটা নেবার প্রয়োজনবোধ করেনি । রাত জেগে বিদেশ বিভূয়ে অক্টোপাসের শুড়ের মহিমাকীর্তনে পত্রিকাগুলো ভালো সময় দিলেও এই জাতীয় গুরুত্বপূর্ন বিষয়টিতে তাদের তৎপরতা হতাশাজনক । কালের কণ্ঠে কামারুজ্জামানের নির্বাচনী এলাকা শেরাপুরের কয়েকজনের প্রতিক্রিয়া ছাপা হয়েছে শুধু । মানবজমিন লিখেছে গ্রেফতার হওয়া আসামিরা কি রঙের পোষাক পরিহিত ছিলেন! খবরের বলিহারি সব।
মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন মোল্লার সাক্ষাৎকার বা তাঁর বিষয়ে কোন তথ্য দিতে ব্যর্থতার পাশাপাশি পত্রিকাগুলো আসামিদের বিষয়েও খুব বেশি কিছু লেখেনি । ব্যতিক্রম শুধু আমাদের সময় এবং ভোরের কাগজ । আমাদের সময় দুটি আলাদা নিউজ করেছে তাদের অতীত নিয়ে । ভোরের কাগজ নির্ভরযোগ্য বইয়ের বরাতে কয়েক ছত্র লিখেছে ।
কালের কণ্ঠ তাদের সংবাদে গণহত্যা শব্দটাকে সিঙ্গেল কোটে আবদ্ধ করেছে । আমার বিবেচনায় এটা করা হয় তখন যখন কোন বিষয়ে অমীমাংসিত থাকে বা অন্য কারো মত হিসেবে কোন ঘটনা বা বক্তব্যের কথা উল্লেখ করা হয় । কালের কণ্ঠ কি মনে করছে গণহত্যা হয়েছে কিনা সেটা এখন অমীমাংসিত ? কালের কণ্ঠ আসামীদের ক্ষেত্রে সম্মানসূচক চন্দ্রবিন্দুর ব্যবহার করেছে । তাঁদের/এঁরা ব্যবহৃত হয়েছে কালের কণ্ঠে খবরে । একই পত্রিকায় গত ১০ তারিখে ১৫লাখ গাছের জীবন বাঁচাতে কাজ করাদের কথা বলতে চন্দ্রবিন্দু দেখা যায় নি । জানতে ইচ্ছে করে কালের কণ্ঠের এই বানান রীতির সিদ্ধান্তগুলো কে নেয় ।
শেষ পর্যন্ত কী দাড়ালো ?
বাংলাদেশে বা মোটাদাগে ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস বইগুলোতে রেফারেন্সের অভাব এখানকার ইতিহাস চর্চাকে এগোতে দেয় না । তথ্য আছে হয়তো । কিন্তু সেই তথ্য যাচাই করার সুযোগ নেই । এই ডিজিটাল যুগে সব সুবিধা থাকা সত্ত্বেও এই রেফারেন্স হিসেবে নিজেদের তথ্যকে সঠিক ও ব্যবহার্য করে গড়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছে না দেশের পত্রিকাগুলো । ভুল, বিকৃত, অসম্পুর্ন তথ্যের ভিড়ে আসল খবর খুঁজে বের করতে ঘর্মাক্ত হতে হয় । এই কথাটা জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ন খবর বা ততোটা গুরুত্বপূর্ন নয় এরকম খবর দুই ক্ষেত্রেই সত্য । সাম্প্রতিক দু’টি খুনের ঘটনা বয়ানে পত্রিকাগুলো হিন্দি সিনেমার স্কৃপ্ট লিখে পাতা ভর্তি করেছে । আমি নিশ্চিত জানি ঐ ঘটনা দু’টি নিয়ে এরকম একটা প্রবন্ধ দাড় করাতে গেলে সেটা খুব উপাদেয় কিছু হবে না । এই লেখা থেকেও খারাপ হবার সম্ভাবনা বেশী । দুর্ভাগ্য আমাদের যে এইসব ভুল বা বিচ্যুতি থেকে আমাদের পত্রিকাগুলো কিছু শেখে না । সম্পাদক কি খোঁজ নিয়েছেন আমির কিভাবে জাকির হলো ? বা সম্পাদক কি জানতে চেষ্টা করছেন এখন যে ৩৩৪ থেকে ২৭০ জন কীভাবে বাদ পড়ে গেলো খবর থেকে ? কেন গ্রামের নামটা ঠিকঠাক পাওয়া গেলে না সেটারও কোন সুরাহা হবে না । উত্তরটা আমরা সবাই জানি । অতীত ভুলে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়াই আজকের জিকির ।
সূত্রঃ
১. সমকাল
২. প্রথম আলো
৩. কালের কণ্ঠ
৪. ভোরের কাগজ
৫. মানবজমিন
৬. সংবাদ
৭. আমাদের সময়
৮. নয়া দিগন্ত
৯. সংগ্রাম
১০. ইত্তেফাক
১১. উপরের সবগুলো খবরের ইউনিকোড ভার্সনের ব্যাকআপ রাখা আছে এখানে ।
১২. একই সাথে সচলায়তনে প্রকাশিত ।
{ 7 comments… read them below or add one }
এই গ্রামের নাম টা এলাকার সবাই ডাকে আলোব্দি হিসাবেই | তবে এটা কাগজে কলমে কি আছে টা ঠিক জানা নেই| বিপ্লবউদ্ধৃতি
একটু এদিক ওদিক ফোন করলে মনে হয় নামটা পাওয়া যেত ঠিকঠাক । এমন তো না যে জায়গাট মঙ্গল গ্রহে । হাসিবউদ্ধৃতি
ঠিক। নজমুল আলবাবউদ্ধৃতি
হাসিবভাই, সম্ভবত এদের দুজনকেই সরাসরি গণহত্যার অভিযোগে আটক করা হলো। নিজামী মোজাহিদ সাইদীদের অন্য মামলায় আটক করে পরে গণহত্যার মামলায় গেফতার দেখায়। এই অর্থে আমি প্রথম বলছিলাম।
লেখাটা দারুণ লাগলো। এটা সময়ে খুবি কাজের লেখা হিসাবে প্রমানিত হবে। এই কাজটা চালু রাখুন। নজমুল আলবাবউদ্ধৃতি
হমম এইদিকদিয়ে ভেবে দেখলে এদের প্রথম আটক করা হলো এই মামলায় ।
আমি আরো একটা লেখার পরিকল্পনা করছি । সংবাদপত্রে প্রথম পাতার কভারেজ নিয়ে । দেখা যাক ভালো কিছু দাড়ায় কিনা । হাসিবউদ্ধৃতি
ফোন টোনের দিকে গেলাম না , একটা জমির দলিল দেখলাম | নামটা আলোব্দি ই বিপ্লবউদ্ধৃতি
অর্থাত নামটা আলোবদি/আলোব্দি/আলোবদী হতে পারে । হাসিবউদ্ধৃতি