অনেক আগে থেকেই কানাঘুষায় শুনতাম আল মাহমুদ নাকি মুক্তিযোদ্ধা কবি । বিপরীতে শামসুর রাহমান নাকি মুক্তিযুদ্ধের সময় পালিয়ে বেড়ানো কবি । আরিফ জেবতিক তার ব্লগে [১][২] আল মাহমুদ আসলে ‘৭১-এ কি করতেন সেটা দেখিয়েছেন । তো এই পোস্টের বিষয়বস্তু আসলে সেদিকে নয় । এখানে শুধু টুকে রাখছি আল মাহমুদ জামাতি সংগঠন মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের হয়ে কি কি বলছেন বা বলেছেন । সম্প্রতি জামাতি সংগঠনের কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণ ও সেই সংক্রান্ত বিষয়গুলো এখানে থাকছে । পোস্ট পরে আপডেট হতে পারে ।

১. সোনার বাংলাদেশ (তারিখবিহীন) [লিংক]
এর মধ্যে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ পরিষদের আহবানে তাদের একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। সেখানে দেখলাম হলভর্তি মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ ঘটেছে। আমাকে দেখে তারা আনন্দ প্রকাশ করলেন, সম্ভবত মুক্তিযোদ্ধাদের দলিল-দস্তাবেজে আমার নাম খুঁজে পেয়েছেন এবং এ জন্যই আমাকে দেখে তাদের আনন্দ।
সেখানে যা আলোচনা হলো, তাতে বোঝা গেল, এরা বঞ্চিত মুক্তিযোদ্ধাদের দল, মুক্তিযোদ্ধারা যে কেউ কেউ অনেক সুবিধাপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং আবার কেউ কেউ যে ঠেলাগাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন, এ নিয়ে এখানে আলোচনা হলো। ক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধাদের চিৎকার শুনতে পেয়ে গুম হয়ে থাকলাম। কী করব, কী বলব, তা স্খির করা না গেলেও আমি দু-চার কথা বললাম। বললাম, মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে। ফলে কেউ কেউ এখনো বঞ্চিতদের দলে পড়ে আছেন। আর কেউ কেউ এমন রাজনৈতিক দলবাজির কারণে অনেক সুবিধা, সম্পদের মালিক হয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি কর্তব্য ভুলে গেছেন। একটু বিলম্ব হলেও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ গঠিত হওয়ায় আমি সন্তোষ প্রকাশ করলাম। মুক্তিযোদ্ধারা ঠেলাগাড়ি ঠেলে কেন জীবিকা নির্বাহ করবেন?
এটা আল মাহমুদের লেখা কলাম থেকে উদ্ধৃতি । এটা পড়ে মনে হতে পারে নাদান আল মাহমুদ একদিন হঠাৎ “মুক্তিযোদ্ধা”দের সমাবেশে গিয়ে হাজির হয়েছিলেন । হয়তো এরকমও সম্ভব যে ওটা জামাতি জমায়েত সেটা তিনি জানতেন না । এ প্রশ্নের ফয়সালা আমরা পাই প্রথম আলোতে ।
২. প্রথম আলো (২৭শে ডিসেম্বর, ২০০৯) [লিংক]
মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের কথিত সম্মাননা বিতরণী প্রসঙ্গে প্রথম আলো জানাচ্ছে -
মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখায় তাঁকে সম্মাননা দেওয়া হবে এবং তিনি সেখানে যাবেন। সংগঠনটি যে জামায়াতের, এ তথ্যও তিনি জানেন। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী দল জামায়াতের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার সম্মাননা কেন নেবেন—জানতে চাইলে আল মাহমুদ বলেন, ‘তাহলে কার কাছ থেকে নেব। আওয়ামী লীগ তো আর আমাকে সম্মাননা দেবে না।’ মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের অবস্থান বিষয়ে আবারও প্রশ্ন করলে আল মাহমুদ বলেন, ‘কারা বিরোধিতা করেছে, এখনো এটা স্থির হয় নাই।’
এখানে দু’টো বিষয় । প্রথমত, তিনি জানেন এটা জামাতের সংগঠন । দ্বিতীয়ত, তিনি মুক্তিযুদ্ধে কারা বিরোধিতা করেছে সেটা এখনো স্থির করতে পারেননি !

সূত্র: দৈনিক সংগ্রাম
৩. প্রথম আলো (২৭শে ডিসেম্বর, ২০০৯) [লিংক]
মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের পুরস্কার প্রসংগে আল মাহমুদ বলেন -
‘এ সম্মাননা গ্রহণকে নিজের জন্য ন্যায়সংগত ভেবেছি।’ তিনি আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘এ সংবর্ধনা ইতিহাসের অনিবার্য।’
রসিক জনতা এটাতে একমত হবে আশা করা যায় । এতো বছরের জামাত সার্ভিসের জন্য তার এই সম্মাননা ন্যায়সংগত ও অনিবার্যই বটে !
৪. দৈনিক সংগ্রাম (২৮শে ডিসেম্বর, ২০০৯) [লিংক]
সম্মাননা গ্রহণকালে কবি আল মাহমুদ তার অনুভূতি জানিয়ে বলেন, আজকের এই সম্মাননা একটি ইতিহাস হয়ে থাকবে। যারা এমন আয়োজন করলেন, তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি বলেন, কবিদের কাজ মানুষকে স্বপ্ন দেখানো। মুক্তিযুদ্ধে আমি সে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার মনে কোন খুত নেই, সঠিকভাবেই আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি। আবারো মানুষকে জাগিয়ে তুলতে হবে।
আল মাহমুদ একদিক দিয়ে ঠিকই বলেছেন । এই সম্মাননা ইতিহাস হয়েই থাকবে । চলুন দেখা যাক আল মাহমুদ আরোও কি কি ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন ।
বিডিনিউজে রাজু আলাউদ্দিনের সাথে সাক্ষাৎকার [লিংক]
২৬শে অক্টোবর ২০০৮এ প্রকাশিত বিডিনিউজ আর্টসে প্রকাশিত সে সাক্ষাৎকারে একটু নজর বোলানো যাক -
রাজু: ঠিক আছে। আপনার সম্পর্কে ভুল বা সঠিক যেটাই হোক না কেন তা হলো আপনি জামায়াতের সক্রিয় সদস্য কিনা?
মাহমুদ: না। আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য না।
রাজু: তাহলে জামায়াত আপনার পৃষ্ঠপোষক কেন?
মাহমুদ: আমি দৈনিক সংগ্রামে চাকুরি করি। আপনি তো জানেন আমি সরকারী কর্মচারী হিসেবে রিটায়ার করেছি। লিখে-টিখে খেতে হয় আমাকে। সংগ্রামে লিখি, পালাবদলে লিখি এবং আরও কয়েকটা পত্রিকায় লিখে-টিখে খাই। এখন আপনি বলছেন যে তারা পৃষ্ঠপোষক কিনা। হতে পারে। আমি যেহেতু ধর্মে বিশ্বাস করি, ধর্মের কথা বলি; শুধু এখানেই নয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ভাবে। তারা আমাকে সমর্থন করে।
রাজু: তারা ভাবে যে আপনি তাদের লোক।
মাহমুদ: তারা হয়তো ভাবতে পারে। তাদের লোক বলে আমাকে ভাবে কিনা সেটা তো আমি আর তাদের মনের কথা জানি না।
রাজু: তাদের মনের মানুষ ভাবে আপনাকে।
মাহমুদ: আমাকে তারা ভালোবাসে।
রাজু: ভালোবাসে? সাধারণত ভালোবাসা তখনই ঘটে — একটা লোককে আমরা ভালোবাসি কেন? কিংবা আপনার কবিতা আমার ভালো লাগে কেন? ভালো লাগে এই কারণে যে মনে হয় যেন এটা আমার মনের কথা। তো ওরা যে আপনাকে ভালোবাসে, তার মানে ওদের মনের সঙ্গে আপনার মনঃগঠনের কোনো ঐক্য আছে বলেই কি ভালোবাসে?
মাহমুদ: আমি আগেই বলেছি যে আই অ্যাম নট এ পলিটিশিয়ান। আমি যেহেতু ইসলামে বিশ্বাস করি ইসলামের কথা বলি…
রাজু: ইসলামের নাকি ‘জামায়াতে ইসলামী’র?
মাহমুদ: না, এই ধরনের প্রশ্ন করা সঠিক নয়। দলকে নিয়ে একজন কবিকে এই ধরনের প্রশ্ন করা কি সঠিক? আমি তো আগেই বলেছি আমি রাজনীতিক নই।
রাজু: কিন্তু আপনাকে তো জামায়াতে ইসলামীর অনেক দলীয় কর্মকাণ্ডে দেখা গেছে।
মাহমুদ: না, এটা আপনি ঠিক বলেন নি।
রাজু: অনেক অনুষ্ঠানে দেখা গেছে; আপনি সভাপতিত্ব করছেন বা গেস্ট হিসেবে আছেন।
মাহমুদ: আমি হয়তো তার কোনো ছাত্র সংগঠনের কালচারাল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছি। অনেক ছাত্র সংগঠনেই আমি করে থাকি। কিন্তু যেহেতু আমি কোনো একসময় বা কোনো একবার বা দুইবার বা তিনবার তাদের একটা অনুষ্ঠানে গিয়েছি তাতে আমাকে এভাবে চিহ্নিত করা ঠিক না।
রাজু: আপনি জামায়াতের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন কিনা?
মাহমুদ: জামায়াতের রাজনীতি কী — সেটা আমার কাছে প্রথম ব্যাখ্যা করতে হবে। তাহলে আমি বুঝতে পারবো আমি সমর্থক কিনা। জামায়াতে ইসলাম ইসলামী রাষ্ট্র, ইসলামী শরিয়ত প্রচলনের জন্যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। আমি একজন সাংস্কৃতিক কর্মী, আমি একজন কবি। কোথাও যদি তাদের সাথে আমার মিল হয় সেটা তো ভালো কথা আমি মনে করি, অসুবিধা কী? এবং তারা যদি সে-কারণে আমাকে খানিকটা পৃষ্ঠপোষকতা দেয় তাহলে সেটা আমার লভ্য; এটাকে বলি না যে এটা দোষনীয়। যেহেতু তারা আদর্শগতভাবে আমার কবিতা বা আমাকে সমর্থন দেয় তাহলে এটা দোষণীয় মনে করি না। এ কারণে আমাকে রাজনীতি করতে হবে বা রাজনৈতিক দলের অন্তর্ভুক্ত হতে হবে — এটা জরুরী না।
রাজু: না, কিন্তু ওদের রাজনীতিতে আপনি বিশ্বাস করেন কিনা?
মাহমুদ: আমি ইসলামে বিশ্বাস করি। জামায়াতে ইসলাম দেশের নানান ঘটনায় নানা রকম রাজনৈতিক প্রক্রিয়া চালায়, এটার সাথে ইসলামের সম্পর্ক থাকতেও পারে। নিশ্চয় থাকবে, কারণ তারা তো ইসলামী দলই।
রাজু: এটা কোন ইসলাম? কারণ হচ্ছে, সেভেনটি ওয়ানে ওরা যখন স্বাধীনতার বিপক্ষে কাজ করলো তখনও কিন্তু তারা বলছে যে ইসলাম রক্ষা হলো তাদের মূল দায়িত্ব। সেখানেও কিন্তু তারা ‘ইসলাম’কে ব্যবহার করছে।
মাহমুদ: জামায়াতে ইসলাম ইসলামের স্বার্থেই কোনো এক সময়ে মানে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে ছিলো শেখ মুজিবের বা আওয়ামী লীগের অপজিট দল।
রাজু: এখানে আমি একটু বলি: সেভেনটি ওয়ানে ওদের ভূমিকা কেবল আওয়ামী লীগের, শেখ মুজিবের বিপক্ষে নয়, ওটা প্রকারান্তরে গোটা জাতির স্বার্থের বিপক্ষে চলে গেছে।
মাহমুদ: এটা আমি… ঠিক… সম্পূর্ণভাবে সঠিক মনে করি না।
রাজু: যদি এটা সঠিক না হয় তাহলে সেভেনটি ওয়ানের যে-অর্জন সেটা কি আওয়ামী লীগের অর্জন নাকি এই জাতির অর্জন?
মাহমুদ: মনে রাখতে হবে যে আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা।
রাজু: সে-জন্যেই তো আপনি এর উত্তর দেবেন।
মাহমুদ: তখনকার জামায়াতে ইসলামীর — আমার যেটা ধারণা; আমি কিন্তু রাজনীতির লোক নই আগেই বলে নিচ্ছি। আমার ধারণা যেটা পাকিস্তানের যে-ঐক্য, যে ভাব-কল্পনা — এটার অনুসারী ছিলো তারা, সেটা তারা রক্ষা করতে চেয়েছে। এবং সেই জন্যে শেখ মুজিবের রাজনীতির বিরোধিতা করেছে। এবং বিরোধিতার পরিণাম তারা ভোগ করেছে।
রাজু: কী পরিণাম ভোগ করেছে? আমি তো কোনো পরিণাম দেখি না।
মাহমুদ: তাদের অসংখ্য লোক মারা গেছে।
রাজু: আর তারা যে অসংখ্য লোক হত্যা করছে, অসংখ্য নারীকে ধর্ষণে সহযোগিতা করছে, অনেক লুটপাট করছে…
মাহমুদ: এ বিষয়ে আমাকে প্রশ্ন না করাই ভালো…
রাজু: আপনি মুক্তিযোদ্ধা, ফলে আপনি এসব বিষয়ে বলতে পারেন।
মাহমুদ: এ ব্যাপারে আমাকে প্রশ্ন না করাই ভালো।
রাজু: আপনি বলতে অনাগ্রহী কেন?
মাহমুদ: অনাগ্রহী না, আমি যে-বিষয়টা কম জানি সেটা বলতে চাই না। এটা একটা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড…
রাজু: না আপনি কম জানেন — এই ব্যাপারটা ঠিক না।
মাহমুদ: একজন কবির কী সম্পর্ক… এখন কথা হলো আমি একজন কবি মাত্র।
রাজু: একজন কবির সাথে রাজনীতির সম্পর্ক তো হয়।
মাহমুদ: না, আমার সাথে রাজনীতির সম্পর্ক তেমন ঘটেনি। আমি আরাম কেদারায় বসে রাজনীতির চর্চা করি না। আমি কাব্যচর্চা করি, কবিতা নিয়েই কথা বলতে চাই।
প্রিয়.কম (জুন ১৮, ২০০৮) [লিংক]
স্বপ্ন দেখা কবি সেখানে আক্ষেপ করে বলছেন -
তবে বাংলাদেশকে নিয়ে এখন আর বড় কোনো স্বপ্ন রচনার সুযোগ নেই।
সেইসাথে জেহাদি জোশে উম্মত্ত আল মাহমুদ বলেন -
বাংলাদেশে ঈমানদার মানুষের একটি ঘূর্ণি তোলার উদ্ভাবনার জোয়ার আসছে। কিন্তু তা যে এত তাড়াতাড়ি আসবে, আমি নিজেও ভাবতে পারিনি। এই সময়টাকে ঠিকমতো ব্যবহার না করতে পারলে সময় কারো জন্য বসে থাকবে না। সে কালস্রোতে মিলিয়ে যাবে।
আমরা নাস্তিকতা ও দোদুল্যমানতা অনেক দেখেছি। দীর্ঘকাল এদের গায়ের জোরের শাসন আমাদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন এ থেকে মুক্তির সংগ্রাম শুরু হয়েছে। ঈমানদার তারুণ্যের কণ্ঠস্বর আমরা শুনতে পাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ এরাই বিশ্বাসের বিজয়কে সুনিশ্চিত করবেন। এই ঢাকা মহানগরীতে বাল্য থেকেই আমার বসবাস, আমি এই মহ্গারীকে অন্তর দিয়ে ভালোবাসি, এর স্বভাব-চরিত্র আমার জানা আছে। এর মন-মানসিকতা ঈমান দিয়ে আপ্লুত, এটা নাস্তিকতা ও দোদুল্যমান চরিত্রের সাথে আপস করে চলতে পারবে না। তবে এর ভেতরে অনেক বর্ণচোরা বিশ্বাসঘাতকের দল নিজেদের চেহারা ও চরিত্র গোপন করে গা-ঢাকা দিয়ে আছে।
শুধু হাঁকডাক বা হাহুতাশ করলে জাতির দুর্ভাগ্য ঘোচে না। এর জন্য সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে ঈমানদার তরুণের লড়াই প্রয়োজন।
দৈনিক সংগ্রাম (আল মাহমুদ প্রসঙ্গে তার এক ভক্তের লেখা এটি) [লিংক]
আল মাহমুদ যখন দেখতে পান-‘আল আকসার আঙিনায় হুমড়ি খেয়ে শিশুরমতো পড়ে আছে এক বিজয়ী বীর যার প্রতিটি ক্ষতস্থান থেকে রক্তের বদলে বেরিয়ে আসছে যুদ্ধের চিৎকার। আর জেহাদ জেহাদ শব্দে তার আকুতি ছড়িয়ে পড়ছে পৃথিবীতে।’’ তখন তিনি নিশ্চিতভাবেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির অপেক্ষায় থাকেন। আর যখন সমস্ত দ্বানিদ্বক তত্ত্বকে তিনি উল্টো দিকে বইতে দেখেন তখন যে কোনো নতুন দার্শনিক তত্ত্বকেই তাঁর ‘ঘোড়ার ডিমের মতো’ মনে হয়। অতএব ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবার জন্য যে কোনো প্রকার দার্শনিক তত্ত্বই তাঁর নিকট পরিত্যাজ্য। আর তাঁর পরিপূর্ণ আস্থা উদ্ভাসিত হচ্ছে জেহাদে-‘অধর্মের বিরুদ্ধে এই হলো মানবতার শেষ জেহাদ।’ আর এই জেহাদে সকল শক্তির উৎসই হচ্ছে ঈমান। যার মূল কার্যকারিতাই হচ্ছে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর রাজত্ব কায়েম করা এবং নিশ্চিতভাবেই আল্লাহর জমিনে জানোয়ারের রাজত্ব কায়েমে বাধা দেয়া।
গণকন্ঠে আল মাহমুদ [লিংক]
“দেশ স্বাধীন হবার পর ১৯৭২ সালে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের বিশ্বাসীদের মুখপত্র এবং আওয়ামী সরকারের শ্বেতপত্র হিসেবে বিবেচিত সরকার বিরোধী এক মাত্র রেডিক্যাল পত্রিকা দৈনিক গণকণ্ঠ এর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
গণকণ্ঠের সম্পাদনার সময় এক অনন্য অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের পাশাপাশি জাতীয় দায়িত্ব পালনের মত বড় একটি ঝুঁকিপূর্ণ সাহসী কর্মে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছিলেন কবি। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ভারতীয় বাহিনীর তাণ্ডব ও সরকারের নতজানু নীতির বিরুদ্ধে একাই যুদ্ধ করেছে এ পত্রিকাটি। তাই একদিকে যেমন ভারতীয় কর্তৃপক্ষ পত্রিকার বিরুদ্ধে কঠোর তেমনি আওয়ামী সরকার বিভিন্ন কৌশলে এ পত্রিকাকে রোধ করতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ ছিল। সেই সাথে এ সাহসী পত্রিকার একজন কবি সম্পাদককে এ পথ থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য সর্বক্ষণ প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হত। এমন কি গাড়িতে যাতায়াতের সময় গুলির ভয়ে রাস্তায় তাঁকে মাথা নিচু করে পথ পাড়ি দিতে হত। আল মাহমুদ বলেন, “আমার তো দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, আমাকে গুপ্ত ঘাতকদের হাতে প্রাণ দিতে হবে। কিন্তু যে কোন কারণেই হোক হারমানা আমার স্বভাবের মধ্যে স্থান করে নিতে পারেনি।” (বিচুর্ণ আয়নায় কবির মুখ, পৃ: ১২৬) ”
সেই সময় গণকণ্ঠ ও আল মাহমুদের সাহসীক ভূমিকা দেশে বিদেশে ব্যাপক হৈ চৈ ফেলে দেয়। এক পর্যায়ে মুজিব সরকারের রোষানলে পড়ে পত্রিকাটি। ১৯৭৪ সালের মার্চে আল মাহমুদকে গ্রেফতার করা হয় এবং কারাগারে প্রায় দশ মাস থাকতে হয় তাঁকে। তার গ্রেফতারের মাত্র তিনদিন পর দৈনিক গণকণ্ঠও বন্ধ করে দেয়া হয়। দীর্ঘ ১০ মাসে জেলের অসহ জীবন যাপন করতে হয় তাকে।”
ঈমানদার আল মাহমুদ! [লিংক]
“অকপটে স্বীকার করি, আমার স্মৃতি বিস্মৃতির মধ্যে যত চেহারা আছে তার মধ্যে নারীর চেহারাই অধিক পরিমাণে দেখতে পাই। কাউকে ঠকাতে এই দুনিয়াতে আসিনি। তবুও কেউ হয়তো আমার মাধ্যমে প্রতারিত হয়েছেন বলে মনে করেন। কিন্তু কোনো অবস্খাতেই কোনো বিবেকবিরোধী কাজ, কথা বা প্রতিশ্রুতি কাউকে দেইনি। যদি তেমন কিছু করতাম তাহলে হয়তো অনেক আগেই আমি ধ্বংস হয়ে যেতাম। আমার বিনাশ ঘটত। শেষ পর্যন্ত শত লাঞ্ছনা সহ্য করেও ঈমানদার কবির ভূমিকায় এই নাস্তিকতা আকীর্ণ বাংলাদেশে নিজের পরিচয় দিয়ে টিকে থাকতে পেরেছি। এর চেয়ে বড় সান্তবনা জানা নেই আমার।
কিছু মানুষ অযথাই আমার বিরোধিতা করেছে। একটু খাটো দেখাতে চেয়েছে। এ প্রক্রিয়া এখনো চলছে। আমার মাথার ওপর কারো ছবি গায়ের জোরে চেপে দিলেই তিনি আমার চেয়ে উঁচু হয়ে যাবেন না। আমি তো আমার মতোই থাকব। আমার কোনো প্রতিযোগী নেই। কোনো প্রতিক্রিয়াও নেই। “
আল মাহমুদের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে ড. তপন বাগচীর প্রতিক্রিয়া [লিংক]
ব্লগার গরীব মানুষের সৌজন্যে প্রাপ্ত
কবি আল মাহমুদ ভারতে গিয়েছিলেন সত্যি, কিন্তু আমার জানামতে সেখানে এমন কোনো কাজ করেননি, যাতে তাকে “মুক্তিযোদ্ধা” বলা যায়। আমাদের মতো সরাসরি যুদ্ধ না করলেও যারা অন্তত শরণার্থী শিবিরে নানা দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন, এমনকী এম আর আকতার মুকুলের মত যেসব সাংবাদিক স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে অনুষ্ঠান গ্রন্থনা ও প্রচার করেছেন, খবর পড়েছেন, কিংবা যারা শিল্পী হিসেবে উদ্দীপক গান গেয়েছেন তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধা। আল মাহমুদের মতাদর্শে বিশ্বাসী অন্য একজন সৈয়দ আলী আহসান প্রকৃত অর্থেই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। ১৯৯৭ সালে অনুষ্ঠিত ”মুক্তিযুদ্ধ উত্ সব কলকাতা”য় গিয়ে অন্নদা শঙ্কর রায়-এর লিখিত বক্তব্য থেকে আমি এই তথ্য জানতে পারি। উত্সবের ব্রুশিয়রে প্রকাশিত সেই লিখিত বক্তব্যে অন্নদা শঙ্কর রায় বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে সৈয়দ আলী আহসান স্থানীয় সংগঠন ও কলকাতায় বসবাসরত বিদেশী কুটনীতিকদের সঙ্গে প্রায় প্রতিদিন অনুষ্ঠান করে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্ববিবেক জাগ্রত করার চেষ্টা করেছেন। আল মাহমুদ কেবল শক্তি, সুনীল ও বুদ্ধদেব বসুর সঙ্গে তাঁর কবিতা নিয়েই ব্যস্ত থেকেছেন। ভারতে যাওয়া না-যাওয়ার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের কোনো সম্পর্ক নেই–এ-কথা কবি আল মাহমুদ নিজেও বোঝেন! তবুও অন্যকে হেয় প্রতিপন্ন করার আবার একই সঙ্গে অযোগ্যকে সার্টিফিকেট প্রদানের একটা মানসিকতা তাঁর আছে এ-কথা তাঁর লেখা ”কবির আত্মবিশ্বাস” বইটি পড়ে আমি টের পেয়েছি। এত বড় একজন কবির এসব মানায় কি?
প্রধান লেখক ও কবিগণের প্রতি আল মাহমুদের অভিযোগ [লিংক]
ব্লগার মৃম্ময় মিজানের সৌজন্যে প্রাপ্ত
“আমাদের দেশের প্রধান লেখক ও কবিগণ মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ করেননি । আমাদের বামপন্থী প্রগতিবাদী বুদ্ধিজীবী এবং কবি-সাহিত্যিকগণ সেকালে আওয়ামী লীগ এবং এর অবিসম্বাদিত নেতা শেখ মুজিবকে মূর্খ বলে গালি দিতেন।…..হাতে গোনা যে দু’একজন কবি মুক্তিযুদ্ধে সামিল হতে ঢাকা ছেড়ে শেষ পর্যন্ত কলকাতায় পৌঁছেন এবং যুদ্ধের প্রপাগান্ডায় সাধ্যমত অবদান রাখেন তাদের একজন আমি নিজে ।স্বধর্ম এবং স্বদেশের প্রতি আস্থা উঠে যায়নি বলে আমাকে আখ্যায়িত করা হয় মৌলবাদী বলে।” -রূপম, মার্চ ১৯৯৩
“মুক্তিযুদ্ধের ভেতরটা আমি দেখেছি । যুদ্ধের সময় উদ্দীপিত হয়ে দু’য়েকটা কবিতাও লিখেছি । পরে এ নিয়ে কবিতা লিখতে না পারলেও উপন্যাস লিখেছি ।আমার কবিতা হোক বা গদ্যই হোক যা কিছু মুক্তিযুদ্ধের ওপর নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছি । যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত একটা নিষ্ঠুর ব্যাপার । কবি হৃদয় সর্বক্ষণ এ নিয়েই পড়ে থাকতে পারেনা ।তাছাড়া মুক্তিযুদ্ধে আমার পরিবার পরিজনের অপরিসীম ক্ষতি হয়েছে ।” – বিচিত্রা, সেপ্টেম্বর ১৯৯৫
“চিন্তা করুন, আমরা ক’জন মিড ফিফটিজের লেখক একজন জাতীয়তাবাদী নেতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে জীবনের এই মহার্ঘ্য সময়ে তার জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করেছিলাম । স্ত্রী পুত্রকে পথে রেখে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হলাম ।আমাদের অদম্য আগ্রহে শুরু হয়েছিল বাঙালি মুসলমানের প্রথম সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ ।”-জলঘড়ি, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭
” আমাকে কেউ কোন নির্দিষ্ট দায়িত্ব না দিলেও আমি কলকাতার লেখক , শিল্পী , ও সাহিত্যিকদের মধ্য আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন যোগানোর কাজ করে চলছিলাম ।”
মৃম্ময় মিজানের পোস্টে মুক্তিযুদ্ধে আল মাহমুদের ভূমিকা প্রসঙ্গে অমি রহমান পিয়ালের মন্তব্য [মন্তব্য নং ১.২]
আল মাহমুদ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের তালিকাভুক্তদের একজন ছিলেন (পেশাগত ক্রমিক ১৩৬৫) আর তার পদবী ছিলো লেখক ও পাঠক- কবিতা। এর বাইরে সংগ্রামী বুদ্ধিজীবি পরিষদ থেকে শুরু করে আর কোনো কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণ ছিলো না। মুক্তিযুদ্ধকালে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রচিত তার কোনো কবিতা আমার পড়া হয়নি, হয়তো লিখেছেন আমি পড়িনি।
আমি ইতিহাসের মতোই নিরপেক্ষ, সোনার বাংলা [লিংক]
আমার জীবন নানা ঘাত-সঙ্ঘাতে পরিপূর্ণ, ইতিহাসের অনেক পটপরিবর্তনে আমার অবস্থান ছিল নিরপেক্ষ, শুধু হেঁটেই চলে এসেছি। কাউকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করিনি, আবার প্রশংসাও করিনি। আমি ইতিহাসের মতোই নিরপেক্ষ। ইতিহাস স্বপ্ন দেখে না, বাস্তবতাকে অতিক্রম করে যায় মাত্র। আমার অসুবিধা হলো, আমি কবি। আমিও বাস্তবতাকে অতিক্রম করি, কিন্তু স্বপ্ন মিশিয়ে বাস্তবতাকে সহনীয় করতে চাই। এর জন্য আমাকে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। কী করব, আমি তো আর কবির নিয়তি বদলে দিতে পারব না।
আল মাহমুদের সাক্ষাৎকার . প্রেক্ষণ [আমার বই.অর্গ লিংক]
:প্রেক্ষণ পত্রিকার আল-মাহমুদ সংখ্যায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকার, সময়কাল সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ২০০৭
আল-মাহমুদ : এটা আমার কাছে অত্যন্ত আক্ষেপের বিষয় । এখানে আমি আমার একটা বিষ্ময়ের কথা বলি । সম্প্রতি কলকাতা থেকে শ্যামল কান্তি সম্পাদিত “কবি সম্মেলন” বলে একটা কাগজ আমার ওপর একটা প্রবন্ধ ছেপেছে । মজার ব্যাপার হলো , আমাকে যে মৌলবাদী বলা হয়, সেখানে তার ঘোর বিরোধীতা করা হচ্ছে ।
শ্যামল কান্তি সম্পাদিত “কবি সম্মেলন”-এ কি যুক্তি দেখানো হয়েছিলো ? জানতে ইচ্ছুক । কারো কাছে পত্রিকাটি আছে ?
আরিফ জেবতিকের পোস্টে মাসুদা ভাট্টির কমেন্ট [লিংক]
১ | মাসুদা ভাট্টি | শুক্র, ২০০৮-০৮-২২ ২১:৫৫
আরিফ
আজই বিষয়টি নিয়ে লন্ডনে কবিতা উৎসবে আমন্ত্রিত কবি বেলাল চৌধুরী এবং রফিক আজাদের সঙ্গে কথা হচ্ছিলো, রফিক আজাদ চুপচাপ হাসলেন, আর বেলাল চৌধুরী, স্পষ্ট এবং অতি স্পষ্ট করেই বললেন, আল-মাহমুদ মুক্তিযুদ্ধের গোটা সময়টা কাটিয়েছেন কোলকাতার এগলি-ওগলিতে ‘বাবুয়ানি’ করে, কোলকাতা শহরে কোনও পরিব্রাজকও হয়তো ওভাবে শহর পরিভ্রমণ করেন না, যা কিনা উনি করেছেন, দেশ ও জাতির ওই ভয়ঙ্কর দুঃসময়ে।
এখানে অবশ্য কবি আল-মাহমুদকে সৎই বলতে হবে কেননা তিনি আত্মজীবনীতে কোথাও বলেননি যে, তিনি সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা। জামায়াতের মুক্তিযোদ্ধা সাজার এবং মুক্তিযুদ্ধকে দখল করার কৌশল হিসেবে কবিকেও যেমন ওরা ক্রয় করেছে তেমনই তার হাতে অস্ত্র দিয়ে সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা সাজানোর কৃতিত্বও তাদেরই।
আসুন না আপনাদের মধ্যে থেকে কেউ একজন গিয়ে কবিকেই একদিন সরাসরি এই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুন, দেখুন না উনি কি সত্যি কথা বলেন না, তাকে সাজঘরে যা সাজানো হয়েছে সেই ভূমিকার কথাই বলেন?
ধন্যবাদ লেখাটির জন্য।
[চলমান । আপনার কাছে কোন লিংক বা সূত্র থাকলে মন্তব্যঘরে জানিয়ে যেতে পারেন । পোস্টে যোগ করে নেব ।]
{ 2 trackbacks }
{ 44 comments… read them below or add one }
ভালো কাজ। পেপারে খেয়াল করি নাই। ব্লগে দেখলাম আজকে তার এই কীর্তি! রাশেদউদ্ধৃতি
- এগুলো কালেকশনে থাকা উচিৎ । বাংলাদেশের আর্কাইভিঙের যেই দশা তাতে গুগল করলেই সব খুঁজে পাওয়া যাবে এমন চিন্তা করা উচিৎ না ।
- “আমারব্লগে” আরিফ ভাইয়ের পোস্টে একটা মন্তব্য আছে । দেইখেন পারলে । সম্ভবত বাগ একটা । হাসিবউদ্ধৃতি
ধন্যবাদ ভাই। বাগ টা ফিক্স হইছে এখন। সুশান্তউদ্ধৃতি
ভাল করেছেন। পেপারে চোখে পড়ে নি। রনি পারভেজউদ্ধৃতি
এই লোক্টা সম্পর্কে হুমায়ুন আজাদ স্যার একবার বলেছিলেন; “বাংলায় রোকেয়ার মত মানুষ জন্মগ্রহণ করেন। এই বাংলাতেই আবার ‘সোনালি কাবিন’ ধরণের পিতৃতান্ত্রিক ধারণাধারীরা কবি হসেবে প্রশংসিত হয়।”
স্যার তাঁর সম্পাদিত আধুনিক বাংলা কবিতায় কামুকমধ্যযুগমনস্কতার কদর্য উদাহরণ এই আল মাহমুদকে স্থান দেননি। ডোবারব্যাংউদ্ধৃতি
হুমায়ুন আজাদ তার বইতে কাকে স্থান দিলো না দিলো সেটার আগে কথা হলো এই লোক এখন খুনিদের সহচর । হাসিবউদ্ধৃতি
ভালো কাজ করছেন। কালেকশনটা কাজে লাগবে। মুকুলউদ্ধৃতি
হমম, সেটাই । কাগুজে মিডিয়া এগুলো ছাপবেনা এভাবে । ওয়েবেই সংগ্রহ থাকুক । হাসিবউদ্ধৃতি
আল মাহমুদের কুকীর্তি সবার চোখে পড়ুক। শুভাশীষ দাশউদ্ধৃতি
এসব ছড়িয়ে দিন সবখানে । মানুষ শত্রু চিনতে শিখুক । হাসিবউদ্ধৃতি
এই লোকটার পুরুষত্ব শুধু সন্তান জন্মদানেই কাজে লেগেছে……. মোনাফেক একটা। মলিকিউলউদ্ধৃতি
কিন্তু কিছু লোক রে চোখে গুতা দিলে ও দেখবেন কিছুই বুঝতেছে না। তারপর ও আমাদের লিখতে হবে। পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। সুশান্তউদ্ধৃতি
একদম ঠিক কথা । ব্লগ একারনেই অল্টারনেট মিডিয়া । হাসিবউদ্ধৃতি
সে কবি, তাহাকে রাজনৈতিক প্রশ্ন করিয়া বিব্রত করিবেন না। পিলিজ। কারন কবিরা রাজনৈতিকভাবে অসেচতন থাকে আর ধর্মপরায়ন হয়। কবিতাতো রাজনীতির সাথে সম্পর্কিত না, ধর্মের সাথে। আবার উনি মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধও ধর্মীয় চেতনা থেকেই করছে, রাজনৈতিক চেতনা থেকে নয়। ছাগু দি ইনফিনিটিভ।
তাসলিমা নাসরিনকে নিয়ে একটা অখাদ্য উপন্যাস লেখার পর থেকে এর কোন কিছুতেই আমার কোন রুচি বা ভক্তি নেই। তানবীরাউদ্ধৃতি
এই লোক কি বলে নিজেও বোঝে না । আমরা হিন্দু হয়ে যাইতেছিলাম বলে পাকিস্তানিদের ব্যাপক ক্ষোপ ছিলো ৭১এ । আল মাহমুদ তখন কোন ধর্মের আদর্শে বলিয়ান হয়ে মুক্তিযুদ্ধ (মানে আইডি কার্ড সংগ্রহ) করেছিলেন জানতে মন চায় । হাসিবউদ্ধৃতি
জেবতিক ভাইয়ের ঐ পোস্টা আমি প্রথম সচলে পড়ি। ওখানেও কে জানি আল মাহমুদের পক্ষে পিছলামি করেছিল। গতকাল আমার ব্লগে কাকে যেন পিছলামি করতে দেখলাম।
বিএনপির পিরিয়ডে টিএসসি প্রাঙ্গনে ছাত্রদল আয়োজিত একটা অনুষ্ঠানে আল মাহমুদ সাহেবকে বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে সম্মাননা দেওয়া হয়েছিল। তিনি যে ছুপা জামাতী এটা বিএনপি ভালো করেই জানে। জামাতের কাছে তিনি সবেধন নীলমণি। আমি যতটুকু জানি মস্তিষ্ক বিকৃতি ছাড়া কেউ জামাত সহনশীল হয় না। আরো স্পষ্ট করে বললে তিনি জামাতী। তো এই আধা মধ্যযুগীয়, আধা আধুনিক, গাড়লটাকে জামাত সংবর্ধনা দেওয়াতে খুব একটা অবাক হইনি। দণ্ডিত পুরুষউদ্ধৃতি
সম্বর্ধনা দিক ভালো করে । আল মাহমুদ কি জিনিস সেটা প্রচার হওয়া দরকার ভালো করে । হাসিবউদ্ধৃতি
http://priyo.com/articles/20080619/6103
বাংলাদেশে ঈমানদার মানুষের একটি ঘূর্ণি তোলার উদ্ভাবনার জোয়ার আসছে। কিন্তু তা যে এত তাড়াতাড়ি আসবে, আমি নিজেও ভাবতে পারিনি। এই সময়টাকে ঠিকমতো ব্যবহার না করতে পারলে সময় কারো জন্য বসে থাকবে না। সে কালস্রোতে মিলিয়ে যাবে।
আমরা নাস্তিকতা ও দোদুল্যমানতা অনেক দেখেছি। দীর্ঘকাল এদের গায়ের জোরের শাসন আমাদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন এ থেকে মুক্তির সংগ্রাম শুরু হয়েছে। ঈমানদার তারুণ্যের কণ্ঠস্বর আমরা শুনতে পাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ এরাই বিশ্বাসের বিজয়কে সুনিশ্চিত করবেন। এই ঢাকা মহানগরীতে বাল্য থেকেই আমার বসবাস, আমি এই মহ্গারীকে অন্তর দিয়ে ভালোবাসি, এর স্বভাব-চরিত্র আমার জানা আছে। এর মন-মানসিকতা ঈমান দিয়ে আপ্লুত, এটা নাস্তিকতা ও দোদুল্যমান চরিত্রের সাথে আপস করে চলতে পারবে না। তবে এর ভেতরে অনেক বর্ণচোরা বিশ্বাসঘাতকের দল নিজেদের চেহারা ও চরিত্র গোপন করে গা-ঢাকা দিয়ে আছে।
http://www.dailysangram.net/news_details.php?news_id=12230
আল মাহমুদ যখন দেখতে পান-‘আল আকসার আঙিনায় হুমড়ি খেয়ে শিশুরমতো পড়ে আছে এক বিজয়ী বীর যার প্রতিটি ক্ষতস্থান থেকে রক্তের বদলে বেরিয়ে আসছে যুদ্ধের চিৎকার। আর জেহাদ জেহাদ শব্দে তার আকুতি ছড়িয়ে পড়ছে পৃথিবীতে।’’ তখন তিনি নিশ্চিতভাবেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির অপেক্ষায় থাকেন। আর যখন সমস্ত দ্বানিদ্বক তত্ত্বকে তিনি উল্টো দিকে বইতে দেখেন তখন যে কোনো নতুন দার্শনিক তত্ত্বকেই তাঁর ‘ঘোড়ার ডিমের মতো’ মনে হয়। অতএব ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবার জন্য যে কোনো প্রকার দার্শনিক তত্ত্বই তাঁর নিকট পরিত্যাজ্য। আর তাঁর পরিপূর্ণ আস্থা উদ্ভাসিত হচ্ছে জেহাদে-‘অধর্মের বিরুদ্ধে এই হলো মানবতার শেষ জেহাদ।’ আর এই জেহাদে সকল শক্তির উৎসই হচ্ছে ঈমান। যার মূল কার্যকারিতাই হচ্ছে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর রাজত্ব কায়েম করা এবং নিশ্চিতভাবেই আল্লাহর জমিনে জানোয়ারের রাজত্ব কায়েমে বাধা দেয়া।
http://www.sonarbangladesh.com/article.php?ID=1502
“দেশ স্বাধীন হবার পর ১৯৭২ সালে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের বিশ্বাসীদের মুখপত্র এবং আওয়ামী সরকারের শ্বেতপত্র হিসেবে বিবেচিত সরকার বিরোধী এক মাত্র রেডিক্যাল পত্রিকা দৈনিক গণকণ্ঠ এর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
গণকণ্ঠের সম্পাদনার সময় এক অনন্য অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের পাশাপাশি জাতীয় দায়িত্ব পালনের মত বড় একটি ঝুঁকিপূর্ণ সাহসী কর্মে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছিলেন কবি। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ভারতীয় বাহিনীর তাণ্ডব ও সরকারের নতজানু নীতির বিরুদ্ধে একাই যুদ্ধ করেছে এ পত্রিকাটি। তাই একদিকে যেমন ভারতীয় কর্তৃপক্ষ পত্রিকার বিরুদ্ধে কঠোর তেমনি আওয়ামী সরকার বিভিন্ন কৌশলে এ পত্রিকাকে রোধ করতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ ছিল। সেই সাথে এ সাহসী পত্রিকার একজন কবি সম্পাদককে এ পথ থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য সর্বক্ষণ প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হত। এমন কি গাড়িতে যাতায়াতের সময় গুলির ভয়ে রাস্তায় তাঁকে মাথা নিচু করে পথ পাড়ি দিতে হত। আল মাহমুদ বলেন, �আমার তো দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, আমাকে গুপ্ত ঘাতকদের হাতে প্রাণ দিতে হবে। কিন্তু যে কোন কারণেই হোক হারমানা আমার স্বভাবের মধ্যে স্থান করে নিতে পারেনি।� (বিচুর্ণ আয়নায় কবির মুখ, পৃ� ১২৬) ”
সেই সময় গণকণ্ঠ ও আল মাহমুদের সাহসীক ভূমিকা দেশে বিদেশে ব্যাপক হৈ চৈ ফেলে দেয়। এক পর্যায়ে মুজিব সরকারের রোষানলে পড়ে পত্রিকাটি। ১৯৭৪ সালের মার্চে আল মাহমুদকে গ্রেফতার করা হয় এবং কারাগারে প্রায় দশ মাস থাকতে হয় তাঁকে। তার গ্রেফতারের মাত্র তিনদিন পর দৈনিক গণকণ্ঠও বন্ধ করে দেয়া হয়। দীর্ঘ ১০ মাসে জেলের অসহ জীবন যাপন করতে হয় তাকে।”
http://www.sonarbangladesh.com/article.php?ID=122
“অকপটে স্বীকার করি, আমার স্মৃতি বিস্মৃতির মধ্যে যত চেহারা আছে তার মধ্যে নারীর চেহারাই অধিক পরিমাণে দেখতে পাই। কাউকে ঠকাতে এই দুনিয়াতে আসিনি। তবুও কেউ হয়তো আমার মাধ্যমে প্রতারিত হয়েছেন বলে মনে করেন। কিন্তু কোনো অবস্খাতেই কোনো বিবেকবিরোধী কাজ, কথা বা প্রতিশ্রুতি কাউকে দেইনি। যদি তেমন কিছু করতাম তাহলে হয়তো অনেক আগেই আমি ধ্বংস হয়ে যেতাম। আমার বিনাশ ঘটত। শেষ পর্যন্ত শত লাঞ্ছনা সহ্য করেও ঈমানদার কবির ভূমিকায় এই নাস্তিকতা আকীর্ণ বাংলাদেশে নিজের পরিচয় দিয়ে টিকে থাকতে পেরেছি। এর চেয়ে বড় সান্তবনা জানা নেই আমার।
কিছু মানুষ অযথাই আমার বিরোধিতা করেছে। একটু খাটো দেখাতে চেয়েছে। এ প্রক্রিয়া এখনো চলছে। আমার মাথার ওপর কারো ছবি গায়ের জোরে চেপে দিলেই তিনি আমার চেয়ে উঁচু হয়ে যাবেন না। আমি তো আমার মতোই থাকব। আমার কোনো প্রতিযোগী নেই। কোনো প্রতিক্রিয়াও নেই। “ রেজওয়ানউদ্ধৃতি
অসংখ্য ধন্যবাদ রেজওয়ান ভাই । আস্তে আস্তে এগুলো পোস্ট যোগ করে নেব । হাসিবউদ্ধৃতি
আল মাহমুদ বাজে লোক, ভালো কবি। মুজিব মেহদীউদ্ধৃতি
ভাগ্যিস গোলাম আযম ভালো কবিতা লেখে না । হাসিবউদ্ধৃতি
এই লোকটা জামাত শিবিরের লোক কি’না এই নিয়া কাদা ছোড়াছুড়ির পেছনে কি ফায়দা? আজাইরা টাইম পাস বেকুব™উদ্ধৃতি
তা ঠিক । তবে আপনি বেকুব নামটা ট্রেড মার্ক করে ফেললেন এটা নিয়ে একটু চিন্তিত । আপনি কি বলছেন আপনি ছাড়া আর পরবর্তীতে কেউ বেকুব হতে পারবে না ? হাসিবউদ্ধৃতি
আল মাহমুদে বাজে লোক ভালা কবি
হ কবিরা স্বপ্ন দেখায় ডঃ আইজুদ্দিনউদ্ধৃতি
পড়লাম, তথ্যবহুল, কাজের। আমার পোস্টের মন্তব্যে এই লিংকটা দিয়েছেন, আমার মূল পোস্টে এটার লিংক যোগ করে দিচ্ছি।
বয়স্ক একটা মানুষকে নগ্ন দেখতে কী কুৎসিতই না লাগে! গা রিরি করে!
বিভ্রান্ত আমরা আমাদের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানাতে পারিনি। এর দায় আমাদের অগ্রজদের উপর বর্তায়। আমরা এক সময় থাকব না কিন্তু এই লেখাগুলো থেকে যাবে। পরের প্রজন্মের জন্য এটাই আমাদের উপুড়-হস্ত উপহার…। আলী মাহমেদউদ্ধৃতি
কথা সেটাই । জিনিসপাতি লিপিবদ্ধ থাকা দরকার । এরকম লোকের কাব্যিপনায় মুগ্ধ কাগুজে লেখককুলেরা হয়তো তার কাব্য নিয়েই আলোচনা লিখতো । কিন্তু ওয়েব এইসব অথর্ব কাব্যিপনায় বাম হাত দেবে নিশ্চিত । হাসিবউদ্ধৃতি
আমার পোস্টের উদ্ধৃতি দেখলাম । ব্যক্তিকভাবে আমি আল-মাহমুদের ভক্ত না হলেও অতীতকে নিজের মত লেখার চেষ্টাটা মেনে নিতে পারিনা । মৃন্ময় মিজানউদ্ধৃতি
মৃম্ময় মিজান, আমি এখানে নিজের বক্তব্য দেই নাই । আল মাহমুদেরই কিছু উদ্ধৃতি ও অন্যান্য কয়েকজনের বিশ্লেষণ ও মতামত তুলে ধরেছি মাত্র । হাসিবউদ্ধৃতি
আপনার নাম অনেক শুনেছি । এখানে আপনার দেখা পাওয়ায় আনন্দিত । আমি আপনার পোস্টের জবাবে কিছু বলিনি । আমার পোস্টের কারণটা বলেছি মাত্র । মৃন্ময় মিজানউদ্ধৃতি
চমতাকর কাজ। ধন্যবাদ হাসিব ভাই।
এদিকে আমাগো অনেক প্রগতিশীলগোরে দেখি সোনালী কবিন বুকে নিয়া শীৎকর করতে। তারাও যে একদিন একই পরিণিতির দিকে যাবে তা এখনই বলে দেওয়া যায়। প্রণব আচার্য্যউদ্ধৃতি
পড়লাম। বিষয়টা জানা ছিল। কিন্তু তথ্যগুলো হাতে ছিল না। এবার কোথাও প্রসঙ্গ এলে আমি যথাযথভাবে আল মাহমুদের চরিত্র উপস্থাপন করতে পারবো। সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদ। সুশান্ত বর্মনউদ্ধৃতি
Thanks for the wonderful post… Nasifউদ্ধৃতি
হাসিব ভাই রঙিন এ লেখাটা সাবমিট করা হইছে ।
http://rongeen.com/হাসিব/টুকে-নেয়া-আল-মাহমুদ
আপনার একটু সময় থাকলে রঙিনে জয়েন করেন । বাংলা Digg .
ধন্যবাদ । বোহেমিয়ানউদ্ধৃতি
ধন্যবাদ । হাসিবউদ্ধৃতি
এখানে সেখানে কিছু বিষয় আগেই পড়া ছিল। এখন একসাথে সব পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে কাজে লাগবে। পান্থ রহমান রেজাউদ্ধৃতি
আল মাহমুদ বাজে লোক, ভালো কবি। বিপ্লব রহমানউদ্ধৃতি
খুব ভালো একটা কাজ করলেন। আর্কাইভ হয়ে থাক। কাজে লাগবে। রণদীপম বসুউদ্ধৃতি
পুরাটা পড়িনি ……..। তবে পড়ব…………..
একজন কবি হিসেবে আমি তাকে যথেষ।ট সম্মন করি…………..। তার রাজনৈতিক ব্যপারটা বাদ দিলেই হয় । তারপরও এত বড় একজন কবি ……………………মেনে নিতে কষ্ট হয় যে জামাতের মত একটা নিকৃষ্ট দলের সাথে জড়িত।
কবি আপনার জন্য শুভ কামনা……………….
তবে সত্য সুন্দর দেখুন………….. ফরিদ উদ্দন মোহাম্মদউদ্ধৃতি
এইখানে রাজনৈতিক ব্যাপার কোনটা ? যুদ্ধাপরাধীদের সাথে দাড়ানো মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ । এই অপরাধ ঘৃনার্হ । এই বিষয়টাকেই কি আপনি রাজনৈতিক ব্যাপার বলছেন ?
আরো একটা কথা, গোলাম আযম খুব ভালো কবিতা লিখলে তাকে আপনি কি হিসেবে দেখতেন ? হাসিবউদ্ধৃতি
থ্যাংকু হাসিব ভাই।
রাজাকারদের গুহ্যচাটা ভাড়দের মুখোশ টেনে খোলা হোক। Muradউদ্ধৃতি
আস্তে আস্তে অনেক মুখোশই খুলবে । কবিতা লিখি, কাব্যচর্চা করি ইত্যাদি দিয়ে সেগুলো ঠেকানো যাবে না । হাসিবউদ্ধৃতি
হাসিব ভাই,
href=”http://www.somewhereinblog.net/blog/ridoyebangladesh/29205387″>এইখানে এক ছাগ শাবক ১৯৯৬ সালে শওকত ওসমানকে ব্যক্তি আক্রমণ করে লেখা আল মাহমুদের একটা নিবন্ধ কপি পেস্ট করে ছাগলামি করছিল। এর একনম্বর মন্তব্যে “সৈয়দ কেফায়াতুল্লাহ হোসইন” নামে একজন ব্লগার আল মাহমুদের আত্মজীবনী ”বিচূর্ণ আয়নায় কবির মুখ ” বই থেকেই তার ভন্ডামী ধরিয়ে দেন। পড়ে দেখতে পারেন।
ছাগলটা তার পোস্ট মুছে দিলেও সমস্যা নাই। আমার কাছে সেভ করা আছে। সাদাচোখউদ্ধৃতি
দেখলাম । দরকার মতো পরে যোগ করে নেব এখানে । হাসিবউদ্ধৃতি