
সচলায়তন

শাহ আবদুল করিমের জন্য একফোঁটা দীর্ঘশ্বাস – লিখেছেন মাহবুব লীলেন
চলে গেলেন বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম – লিখেছেন ফকির ইলিয়াস
শাহ আব্দুল করিম – লিখেছেন মাহবুব লীলেন
শাহ আবদুল করিমের একটি সাক্ষাৎকার – লিখেছেন হাসান মোরশেদ
সামহয়ারইনব্লগ
আমার স্মৃতিতে বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম। – সুরঞ্জনা
কয়েক ছত্র বাউলামি – অপূর্ব সাহা
তপঃসিদ্ধ এক শাহ আবদুল করিম – আকাশ অম্বর
থেমে গেলো বাউল করিমের জীবন গাড়ি- ইয়াহইয়া ফজল
যাইবার কালে পরান বন্ধু নয়ন তুলে চাইলো না! – অন্যআনন
আমার ব্লগ
জীবন গাড়ি থেমে গেল বাউল সম্রাটের – কেমিকেল আলী
প্রথম আলো
বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিম আর নেই
রাখালবালক থেকে বাউলসম্রাট
শ্রদ্ধাঞ্জলি – ‘আসি বলে চলে গেল…’ – মোস্তফা জামান আব্বাসী
বিডিনিউজ২৪
থেমে গেল শাহ আব্দুল করিমের ‘জীবনগাড়ি’
আব্দুল করিমের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতার শোক
সঙ্গীত বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন পূরণ হলো না
‘সঙ্গীতই ছিল তার ধ্যান’
বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম আর নেই
দৈনিক ভোরের কাগজ
রঙের দুনিয়া ছেড়ে চলে গেলেন বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম
করিম ভাই, সঞ্জিবদা ও গাড়ি চলে না
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাহীন বাউল সম্রাট রচনা করেন ১৬০০ গান
বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের মৃত্যুতে বিভিন্ন সংগঠনের শোক
দৈনিক সমকাল
থেমে গেল শাহ আবদুল করিমের ‘জীবনগাড়ি’
ভাটির দেশের বাউল সাধক…মুস্তাফা জামান আব্বাসী
সরলার প্রতীক্ষার দিন কাটল
দৈনিক ইত্তেফাক
বাউল সাধক আবদুল করিম আর নেই
যায় যায় দিন
থেমে গেছে বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিমের ‘জীবনগাড়ি’
সঙ্গীতই ছিল ধ্যান-জ্ঞান
কেমনে ভুলিব আমি বাঁচি না তারে ছাড়া…
আমাদের সময়
থেমে গেল বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের জীবনগাড়ি
তোমরা কুঞ্জ সাজাও গো
সংবাদ

থেমে গেছে বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের জীবন ‘গাড়ি’
আমার দেশ
বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম আর নেই
শোকবিহবল সঙ্গীতাঙ্গন
মানবজমিন

হাইপারলিংকিং অনর্থক । তাদের কোন আর্কাইভ নেই, অতএব আগামীকালই লিংক বলবত থাকবে না ।
{ 7 comments… read them below or add one }
পড়লাম। সমৃদ্ধ সংগ্রহ। বুকমার্ক করে রাখলাম। Aeroউদ্ধৃতি
ধন্যবাদ Aero. হাসিবউদ্ধৃতি
শাহ আব্দুল করিম নিঃসন্দেহে বাংলা লোকসংগীতে অমূল্য অবদান রেখে গেছেন। হাওড়ের জলের ধ্বনি, কাঁদা-মাটির গন্ধ আর মানুষের বিবিধ জীবনাচরণের নানামুখী দার্শণিক উপলব্ধিতে সমৃদ্ধ করেছেন বাংলা চিরায়ত সাহিত্যধারাকে। তাঁর অবদানের প্রতি জানাই অকৃত্রিম শ্রদ্ধা।
যদিও আকাঙ্খিত নয়, তথাপি একটি বিতর্ক এখানে রয়ে যায়। বাউলধর্ম বাংলা লোকধর্মের বিস্মৃতপ্রায় অবশেষ। গাঙ্গেয় ব-দ্বীপে বারে বারে বিদেশি শক্তি এসেছে, সাথে নিয়ে এসেছে তাদের ধর্মীয় রীতিনীতি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিজধর্ম প্রতিষ্ঠায় তারা আক্রমণ করেছে অঙ্গ, বঙ্গ, গৌড়ের লোকায়ত ধর্মবিশ্বাসকে, ফলে তা বিবর্তিত হয়েছে। এই বিবর্তনের ধারায় সুস্পস্ট দু’টো বড় ঢেউ লেগেছিল বৌদ্ধধর্মাবলম্বী পাল আমলে এবং তারপর শেষটি লেগেছিল মুসলিম শাসনামনে। মাঝখানে হিন্দু শাসনামলে অবশ্য পরিবর্তনের ধারা স্তমিত হয়েছে বলেই অনেকে মত দেন, কেননা তখন লোকধর্ম ছিল তীব্র আক্রমণের মুখে। ফলে বিকাশের বদলে তা অনেকটা মিইয়ে গেছে।
মুসলিম শাসনামলের শুরুতেই বাউলধর্ম আবার বদলাতে শুরু করে। পারস্যের মুসলিম সূফিদের আগমনে বাংলায় একধরণের পারসিক-আরবী ভাববাদের বিকাশ শুরু হয়। রাজধর্ম ইসলাম হওয়ার পরে তা অতি দ্রুত বিস্তার লাভ করে। বাউলদের মাঝেও এর ছোঁয়া লাগে। বাউল দর্শণে স্থান পায় আল্লাহ-নবী বিশ্বাসের ভেদ নির্ণয়ের আলোচনা। কিন্তু তাতে বাউলের দেহতত্ত্ব বদলায়নি মোটেও, বরং আরও গভীর ও সমৃদ্ধ হয়েছে। পর্তুগীজ ও ইংরেজদের আগমনে বাংলায় খ্রীষ্টধর্মেরও খানিকটা প্রভাব পড়ে, তবে তা বাউলধর্মকে খুব একটা প্রভাবিত করতে পারেনি। উপরন্তু বাউলরা খ্রীষ্টদর্শণকে ব্যবহার করেছে বিভিন্ন একেশ্বরী দর্শণকে খারিজ করতে। লালনের গানে বারে বারে এসেছে ইসলামের সাথে খ্রীষ্ট দর্শণের তুলনা যা তুলে ধরেছে একেশ্বরী দর্শণের সীমাবদ্ধতা।
যা-ই হোক, মূল বিতর্কটি হচ্ছে শাহ আব্দুল করিমকে বাউল বলা কতটা যুক্তিসঙ্গত? যদিও তাঁর গানে দেহতত্ত্ব ব্যপকভাবেই স্থান পেয়েছে, তবুও বাউল দর্শণ কতখানি তিনি ধারণ করতেন সে ব্যাপারে প্রশ্ন রয়ে গেছে। হাওড় অঞ্চলের লোকসংগীতের যে ধারা সেটি কি বাউলস্রোতে মিশতে পেরেছে? কিংবা চেয়েছে? সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ইত্যাদি এলাকার গান স্বমহিমাতেই উজ্জ্বল। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায় হাসন রাজা কিংবা উকিল মুনশীর গানের কথা। এঁদের সকলের গানই বাণী, সুর বিষয় বৈচিত্রে বাংলা লোকসংগীতের অমূল্য সম্পদ। কিন্তু বাউল গান, দর্শণ ও ধর্মের সাথে তাদের সরাসরি কোন যোগ নেই। সেটি প্রকৃত অর্থেই আরেকটি ধারা। তাই বাউলসম্রাট বিশেষণ দিয়ে শাহ আব্দুল করিমকে মহিমান্বিত করার বিশেষ কোন দরকার আছে বলে আমার মনে হয় না। তিনি স্বমহিমাতেই ভাস্বর। প্রশ্নোত্তরউদ্ধৃতি
http://proshnottor.blogspot.com/ প্রশ্নোত্তরউদ্ধৃতি
এইটা একটা ভালো কাজ হইছে। ধন্যবাদ আপনাকে। রাশেদউদ্ধৃতি
প্রশ্নোত্তর, আপনার প্রশ্নটা নিয়ে অনেক ভাবলাম । আপনার প্রশ্নে দুইটা অংশ ।
১. শাহ আব্দুল করিমকে বাউল বলা যাবে কিনা ।
এ বিষয়ে মৌল ভিত্তিতে বাউল বলে খুব কম লোককে পাওয়া যাবে বলে আমার বিশ্বাস । শাহ আব্দুল করিম নিজেকে বাউল বলে পরিচয় দিতেন । শুধুমাত্র এ কারনেই আমি তাঁকে বাউল বলতে পারি ।
২. বাউল বললেও তাঁকে বাউল সম্রাট বলাটা কতটা যুক্তিযুক্ত ।
এটাতে হয়তো অতিরঞ্জন আছে । তবে বাউলদের মধ্যে এই বাউল সম্রাট উপাধির প্রচলন আছে । শাহ আব্দুল করিম যেহেতু এতে আমার জানামতে কোন আপত্তি জানাননি সেহেতু এটাও আমার খুব গুরুত্ব না দিয়েও দেখতে পারি ।
তবে,
সেলিব্রেটিদের নিয়ে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি আমাদের ও অন্যান্য অনেক সংস্কৃতির অংশ । এটার অনেক খারাপ দিক আছে । আবার ভালো দিকও আছে । প্রচারটা হয়তো খুব অশ্লীলভাবে হয় । তবে প্রচার না পেলে আমরা এই বিদেশ বিভূয়ে বসে তাদের কথা জানতে পারতাম না এটাও ঠিক ।
পুনশ্চ: আপনার ব্লগসাইটের লিংকটা সদরপাতায় যোগ করে নিলাম । হাসিবউদ্ধৃতি
রাশেদ, জিনিসপাতি সংগ্রহে থাকা দরকার । দরকারের সময় অনেক কিছুই পাওয়া যায় না হাতের কাছে । হাসিবউদ্ধৃতি