Photo
ইয়ে …. এটা কোন দেশের পত্রিকা?

ইয়ে …. এটা কোন দেশের পত্রিকা?

Text

ডিয়ার বিডিনিউজ২৪ নিউজডেস্ক, ১ মিটার = ৩ ফুট ৩.৩৭ ইঞ্চি

মহসীন মন্ত্রীর বক্তব্যের পর সাংবাদিকেরা উনার বক্তব্যের সমস্যাগুলো ঠিকঠাকমতো চিহ্নিত না করে আশপাশে ঝোপঝাড় পেটাচ্ছেন। এর মধ্যে একটা ঝোপ যেটা নিয়ে মাতামাতি হচ্ছে সেটা হলো মন্ত্রী নাকি এইট পাশ (নাকি ফেল?)।

শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রশ্ন সাংবাদিকদেরও করা যায়। বিষয়টা এরকম যে চালুনি সুইকে বলছে তার পাছায় ফুটো।

আজকে বিডিনিউজ২৪-এ মাঝ আকাশে অল্পের জন্য রক্ষা শিরোনামে নিউজ করেছে। সেখানে এক পর্যায়ে লিখেছে

সুভাষ বসু বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের একজন কর্মকর্তা বলেন, আকাশ পথে ওপরে ও নিচ দিয়ে চলা দুটি বিমানের মধ্যে অন্তত এক হাজার ফুট ব্যবধান রাখার নিয়ম। কিন্তু ওই সময় ইউনাইটেড ও সৌদি এয়ারলাইন্সের বিমান দুটি ৭০০ মিটারের মধ্যে চলে এসেছিল।

Photo
৭ই অগাস্ট ২০১৪ তারিখে তথ্যমন্ত্রনালয়ের প্রেসনোট

৭ই অগাস্ট ২০১৪ তারিখে তথ্যমন্ত্রনালয়ের প্রেসনোট

Photo
বিশ্ব ***** দিবস উপলক্ষে আইনসম্মত শুভেচ্ছা।

বিশ্ব ***** দিবস উপলক্ষে আইনসম্মত শুভেচ্ছা।

ট্যাগ: শান্তি
Photo
অনলাইন মাছ ধরা প্রযুক্তি (Phishing) যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না। ইন্টারনেট বহুদুর আগায় গেলেও সেই একই স্ক্যাম চলছে। নতুন ও ক্রিয়েটিভ কিছু বের করতে পারে না এরা? নাকি এভাবে টোপ ফেললেও বড়শীতে যথেষ্ট মাছ ওঠে?

অনলাইন মাছ ধরা প্রযুক্তি (Phishing) যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না। ইন্টারনেট বহুদুর আগায় গেলেও সেই একই স্ক্যাম চলছে। নতুন ও ক্রিয়েটিভ কিছু বের করতে পারে না এরা? নাকি এভাবে টোপ ফেললেও বড়শীতে যথেষ্ট মাছ ওঠে?

ট্যাগ: ইন্টারনেট
Text

বাংলানিউজের বিস্ময় বালক ও ইংরেজি বিষয়ক জ্ঞান

আমার অনেক বন্ধুবান্ধব হাহুতাশ করেন এই বলে যে এখন নাকি সরকার এসএসসি ও এইচএসসিতে সবাইকে পাশ করিয়ে দিচ্ছে এবং এটা করে সরকার দেশকে পাশ করা মুর্খে ভরিয়ে দিচ্ছে। এই দাবির একটা অনুমিতি হলো এখন দেশটা পাশ করা মুর্খে ভরিয়া নাই। আমার তাদের সাথে একমত না। আমার মতে দেশ মুর্খে এখনই গিজ গিজ করছে।

বাংলানিউজ২৪ সেদিন একটা নিউজ (বা টুকলিফাই) করেছে লাইভ সম্প্রচারে বিস্ময় বালক শিরোনামে। হেডিংটাতে আশ্চর্যবোধক চিহ্ন দেখে বুঝলাম এটা আশ্চর্য হবার মতো ঘটনা।

বাংলানিউজের ভাষ্যমতে,

আধুনিক বিশ্বে গণমাধ্যমে বিশেষ করে টেলিভিশনে সরাসরি ঘটনা দুর্ঘটনার দৃশ্যই দেখতে পছন্দ করেন পাঠকরা। কেউ-ই আর পরের দিন কাগুজে পত্রিকায় বাসি খবর পড়তে চান না। আর খবর সংগ্রহের ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা ছুটে চলেন এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে। এখন বড়দের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকতায় পিছিয়ে নেই ছোটরাও। তাই বলে কী পাঁচ বছরেই লাইভ সম্প্রচারে!

অর্থাৎ তারা এরকম এক পাঁচ বছরের বাচ্চার রিপোর্ট যে লাইভ টিভিতে সাংবাদিকতা করছে।

শিশুশ্রম ইত্যাদির কথা মাথায় না নিয়েও বলা যায় এটা একটা চমকপ্রদ সংবাদ।

শিশুটির প্রতিক্রিয়াও জানতে পারছি আমরা বাংলানিউজ২৪এর সৌজন্য,

মাইক্রোফোন হাতে সে বলেছিল,‘এটা ছিল অসাধারণ… এবং এর আগে কখনও তা টেলিভিশনে হয়নি।


যথেষ্ট আগ্রহদ্দীপক এই সংবাদ পড়ে ইচ্ছে হলো একটু গুগল করে দেখি ঘটনা কী।

গুগল করে যা বুঝলাম সেটার সাথে বাংলানিউজের ঘটনার কোন মিল নাই। WNEP (ডাব্লিউনিপ নয়) এক টিভি স্টেশন থেকে Wayne Country Fair নামে এক মেলায় যাওয়া হয়েছিলো। সেখানে রিপোর্টার “মেলা দেখে আপনার অনুভুতি কী” জাতীয় প্রশ্ন করছিলো। তো সেখানে নোয়াহ রিটার (নোহ রিটার নয়, নূহ লিখলেও মানা যেত) নামে ৫ বছরের এক বাচ্চাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো তার মেলা কেমন লেগেছে। সে পিচ্চি বেশ সুন্দর করে উত্তর দিয়েছে সেটার। যে কারণে এই ভিডিওটা ভাইরাল ভিডিও হলো সেটা হলো নোয়াহ রিটারে প্রতিটা বাক্যে একাধিক Apparently শব্দটার ব্যবহার। ৫ বছরের বাচ্চারা সাধারণত এই শব্দটা ব্যবহার করেনা এবং তাদের এরকম মুদ্রাদোষও সাধারণত দেখা যায় না।

বাংলানিউজ এই জিনিস কোত্থেকে টুকে এনে নোয়াহ রিটারকে লাইভ টেলিকাস্ট করা রিপোর্টার বানিয়ে দিলো! বাচ্চাটার কথাবার্তা কেন মজার এই জিনিসটাও তারা তাদের ইংরেজি জ্ঞান দিয়ে ধরতে পারে নি।

পত্রিকাগুলো ইংরেজিতে শিক্ষিত করতে তাদের সাংবাদিকদের অবিলম্বে স্কুলে পাঠাতে পারে।

ভিডিও সূত্রঃ WNEP টিভি

Text

এমসিকিউ প্রশ্ন বনাম সিঙ্গেল চয়েস প্রশ্নঃ সঠিক শব্দটি ব্যবহার করুন

আমি এসএসসি ৯২ ব্যাচ। আমাদের সময় এসএসসির প্রশ্নের ধরণে একটা বড় ধরণের পরিবর্তন হয়। আমাদেরকে স্কুল থেকে বলা হলো “অবজেকটিভ প্রশ্ন” নাকি আসবে। অবজেকটিভ প্রশ্ন কী জিনিস এটা বোঝাতে স্যারেরা বললেন আগের মতো পাতার পর পাতা লিখতে হবে না। এখন থেকে প্রশ্নের চারটা সম্ভাব্য উত্তর দেয়া থাকবে ও সেখান থেকে একটা টিক দিয়ে উত্তর করতে হবে। এই “অবজেকটিভ প্রশ্ন” শব্দটার মানে কী এটা আমি তখনও বুঝি নাই এখনও বুঝি না। এটার বাংলা কি নিরপেক্ষ প্রশ্ন?

এই অবজেকটিভ প্রশ্নের আরেকটা প্রতিশব্দ চালু হয় কিছুদিন পর। স্যারেরা এমসিকিউ নামে একটা শব্দ আওড়াতে থাকলেন। সেটার মানে জানলাম মাল্টিপল চয়েস কোয়েশ্চেনস। আজকে পত্রিকার পাতায় অনেক দিন পরে এই শব্দটা নিয়ে একটা হেডলাইন চোখে পড়লো। সেখানে বলা হচ্ছে, “বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় এমসিকিউ-এর পরিবর্তে অন্য কোনো পদ্ধতি অনুসরণ করা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখার সুপারিশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।” (১)

আমি বিসিএস দেই নাই কখনো। এর জন্য প্রিপারেশনও নেই নাই কখনো। আমার বিসিএস হবে না এটা বিসিএস প্রিপারেশন নেবার জন্য যারা লাইব্রেরিতে সারাদিন পড়ে থাকতেন তাদের দেখেই আমি বুঝে গিয়েছিলাম। তো আমি এই কারণে জানতামও না বিসিএসে আসলে কী ধরণের প্রশ্ন আসে। গুগল করতেই কয়েকটা স্যাম্পল সাজেশন, পুরনো প্রশ্ন পেলাম (২)(৩)। এগুলো দেখে বুঝলাম আসলে বিসিএস প্রশ্নকর্তা জ্ঞানী ব্যক্তিরা বা আমাদের স্কুলের স্যারেরা মাল্টিপল চয়েস প্রশ্ন কী জিনিস সেটাই বোঝেন না। তাদের শেখানো আমরা মতো নগন্য ব্লগারের সাধ্যের অতীত। আমার এই পোস্ট আমার মতোই নাদান মুর্খদের জন্য।

সোজা বাংলায় বললে এমসিকিউ প্রশ্ন হলো যেখানে একটা প্রশ্নের একাধিক উত্তর দেয়া যাবে। আর যেখানে একটি প্রশ্নের একাধিক উত্তর দেয়া যাবে না সেটাকে বলে সিঙ্গেল চয়েস প্রশ্ন। যেমন,

১. O2 দিয়ে কোন গ্যাস বোঝায়?
ক. হাইড্রোজেন
খ. অক্সিজেন
গ. কার্বন ডাই অক্সাইড
ঘ. কার্বন মনোক্সাইড

এখানে সঠিক উত্তর একটিই এবং সেটা হলো খ। এখানে দ্বিতীয় উত্তর দেবার সম্ভাবনা বা সুযোগ নেই।

এবার দেখা যাক মাল্টিপল চয়েস প্রশ্নের নমুনা।

২. আপনি কোন কোন পত্রিকা দৈনিক পড়েন?
ক. প্রথম আলো
খ. সমকাল
গ. আমাদের সময়
ঘ. বাংলাদেশ প্রতিদিন
ঙ. ভোরের কাগজ
চ. কালের কণ্ঠ
ছ. সংবাদ

এখানে আপনি একটিতে টিক দিতে পারেন আবার সবকটিতেও টিক দিতে পারেন। এটা হলো একটি মাল্টিপল চয়েস অর্থাৎ যেখানে একাধিক উত্তর দেয়া যেতে পারে এরকম একটা প্রশ্নের নমুনা।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অরণ্যে রোদন ছাড়াই পোস্ট শেষ করা হলো।

সূত্র
১. সমকালের খবর
২. নমুনা প্রশ্ন
৩. নমুনা প্রশ্ন

ট্যাগ: বিসিএস ভাষা
Photo
স্কৃনশটটা ২২শে জুলাই, ২০১৪ দুপুরের দিকে তোলা। বাংলাদেশের প্রায় ট্যাবলয়েড চরিত্রের প্রধান পত্রিকা প্রথম আলোর স্কৃনশট এটা। সাংবাদিকতা শব্দটা সম্পর্কে অল্পবিস্তর যা জানি সেটাতে বুঝি সাংবাদিকেরা খবর সংগ্রহ করেন, খবরের আপডেট দেন, খবরের অনুসন্ধান করেন এবং এসব করতে তাদের তাদের এদিক ওদিক যেতে হয়। একে ওকে এটা সেটা জিজ্ঞেস করতে হয়। প্রথম আলোকে যদি আদর্শ মানি তাহলে বুঝতে হবে আমি আসলে ভুল জানি। সাংবাদিকতা অর্থ এখন এখান ওখান থেকে টুকলিফাই করে অফিসে বসে পত্রিকা ভরানো। অফিসে বসে ইন্টারনেট ঘেটে দিব্যি বিভিন্ন সাইট থেকে খবর অনুবাদ করার নাম এখন সাংবাদিকতা।

স্কৃনশটটা ২২শে জুলাই, ২০১৪ দুপুরের দিকে তোলা। বাংলাদেশের প্রায় ট্যাবলয়েড চরিত্রের প্রধান পত্রিকা প্রথম আলোর স্কৃনশট এটা। সাংবাদিকতা শব্দটা সম্পর্কে অল্পবিস্তর যা জানি সেটাতে বুঝি সাংবাদিকেরা খবর সংগ্রহ করেন, খবরের আপডেট দেন, খবরের অনুসন্ধান করেন এবং এসব করতে তাদের তাদের এদিক ওদিক যেতে হয়। একে ওকে এটা সেটা জিজ্ঞেস করতে হয়। প্রথম আলোকে যদি আদর্শ মানি তাহলে বুঝতে হবে আমি আসলে ভুল জানি। সাংবাদিকতা অর্থ এখন এখান ওখান থেকে টুকলিফাই করে অফিসে বসে পত্রিকা ভরানো। অফিসে বসে ইন্টারনেট ঘেটে দিব্যি বিভিন্ন সাইট থেকে খবর অনুবাদ করার নাম এখন সাংবাদিকতা।

Text

মুসা ইব্রাহীমের লেখা চুরির কাহিনী

মুসা ইব্রাহীম প্রথম আলোর প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাকআপ পান কোন এক কারণে। এই মুসা ইব্রাহীম যখন প্রথম আলোতে প্রথম আলোতে প্রদায়ক হিসেবে কাজ করতেন তখনকার দিনের এক চুরির কথা উঠে এসেছে ব্লগার অমি রহমান পিয়ালের এক ফেইসবুক স্ট্যাটাসে।

image


সেখানে মুসা ইব্রাহীম একই দিনে দুটি লেখা দুই জনের পুরনো লেখা দিয়ে মেরে দিয়েছিলেন। অমি পিয়ালের স্ট্যাটাসের রিলেভেন্ট ইনফরমেশনগুলো এরকম,


সবশেষে বলি মুসা ইব্রাহীমের সেই অবিস্মরণীয় কীর্তি যা আরেকটু হলে আমার চাকরিটাই খেয়ে দিতো। সেবার যে কোনো প্রদায়কের জন্য বিশ্বরেকর্ড হিসেবে স্টেডিয়ামের প্রথম এবং দ্বিতীয় লিড লেখার কৃতিত্ব দেখিয়েছিলো সে। একটার বিষয় সুইমিং পুল আরেকটা জিমনেসিয়াম। ভেরি গুড। সে লিখে দিলো, আমি চমৎকার স্টোরি পেয়ে দুটোই ছেপে দিলাম। যেহেতু বড় কোনো আন্তর্জাতিক ইভেন্ট না থাকলে দেশী স্টোরিগুলোকে লিডে প্রায়োরিটি দেওয়া হতো। স্টেডিয়াম বের হতো রোববার। সেদিন অফিসে গিয়ে প্রথম ফোনটা সানাউল হক খানের। তিনি কবি হলেও খেলা বিষয়ক চমৎকার সব লেখা লেখেন। কিন্তু ব্যাপক মাথাগরম পাবলিক। ফোনে শুরু করলেন তার প্রথাগত খিস্তি। প্রথম লিডের প্রথম দুই প্যারা মাত্র ছয় মাস আগে স্টেডিয়ামেই ছাপানো তার একটা লেখার হুবহু কপি! আমি স্যরি ট্যরি বলে মাফ চেয়ে অস্থির। তারপর স্টেডিয়াম পাড়া থেকে ফোন আসতে লাগলো নানা পত্রিকার স্পোর্টস রিপোর্টারদের। পিয়াল ভাই, সানা ভাইর লেখা নাকি চুরি করে কে লিখে দিছে স্টেডিয়ামে? তিনচারটা এমন কলের পর বললাম, হ,দিছে। এখন কি সাক্ষাতকার নিবেন আমার!

রিপোর্টাররা হাউজে ফেরার পরও সেই একই কাহিনী। ধুর মিয়া চেক করবেন না আগে! আমি বলি কিভাবে চেক করুম! কবে কি ছাপা হইছে আমি তো মুখস্ত রাখি না। সবার শেষে আসলেন পবিত্র কুন্ডু। উনি ঠান্ডা মানুষ, কারো সঙ্গে ঝগড়া ঝাটি বা গলা উচিয়ে কথা বলেন না। স্টেডিয়ামের একটা পুরানো ফাইল বগলদাবা করে নিয়ে এসেই খুললেন, তারপর বললেন, পিয়াল এটা কি হলো? আমি বললাম, দাদা পায়ে ধরি। এইবার খেমা দেন। সকাল থিকা এই এক চোদনের উপর আছি। সানা ভাইরে স্যরি বলছিতো, উনিও সেটা মেনে নিছেন। আর কতো। পবিত্র দা বললেন, সানা ভাইয়ের কথা কে বলছে! আপনি সেকন্ড লিড দেখেছেন? ওটার প্রথম তিন প্যারা হুবহু আমার লেখা। এইবার আমি আক্ষরিক অর্থে চেয়ার থেকে পড়ে গেলাম। ভাগ্যিস শুভ্রদা তখন ট্যুরে। হাউজ সামলাচ্ছে মামুন।
Text

প্যালেস্টাইন ইজরায়েল সংঘর্ষে নিহতদের সংখ্যাচিত্র

সেপ্টেম্বর ২০০০ এর পর থেকে প্যালেস্টাইন ইজরায়েল সংঘর্ষে নিহতদের সংখ্যাচিত্র। সূত্রআলোচনা