Photo
.tex - The most trustworthy file extension.

.tex - The most trustworthy file extension.

ট্যাগ: xkcd
Text

তারেক রহমানের উজ্জ্বলতার কাছে অন্যরা নিষ্প্রভঃ সেমিনারে বক্তারা

গতকাল সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৪৯তম জন্মদিন উপলক্ষে ‘প্রহসনের নির্বাচন, বিপন্ন গণতন্ত্র ও তারেক রহমানের অপরিহার্যতা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন।

সভায় মির্জা আব্বাস বলেন,

দেশের এই ক্রান্তিকালে তারেক রহমানের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য যারা তারেক রহমানকে নিয়ে নেতিবাচক চিন্তা করতেন তারাও এখন তাকে নিয়ে ইতিবাচক চিন্তা-ভাবনা করতে শুরু করেছেন। কারণ তারা বুঝতে পেরেছেন বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে হলে তারেক রহমানের প্রয়োজনীয়তা বেশি।

লন্ডনে দেয়া তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন,

তারেক রহমানের ভাষণের পরই অন্য একজনকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও চ্যানেলে দেখা যাচ্ছে।

তারেক রহমানের কাছে অন্যসব উজ্জ্বলতা ম্লান হয়ে যাচ্ছে বলেই শাসকগোষ্ঠী তাকে ঘিরে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বর্তমান সরকার খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে ভয় পায়। কারণ, বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চায় আর জিয়া পরিবার গণতন্ত্র রক্ষা করতে চায়। বর্তমান সরকার যদি দেশে একদলীয় নির্বাচন করতে চায় তাহলে তা বিএনপি কোনোভাবেই করতে দেবে না। দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের একতরফা নির্বাচন বন্ধ করে দেশে আবারও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রোভিসি প্রফেসর ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার বলেন,

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সব সময়ই আঁতাতের নির্বাচনে বিশ্বাসী। কিন্তু তারেক রহমান দেশে ফিরলে সরকার কখনও আঁতাতের নির্বাচন করতে পারবে না বলেই তাকে দেশে ফিরতে দিচ্ছে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তাজমেরী এস. ইসলাম বলেন,

কোনোভাবেই এই সরকার তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসা আটকাতে পারবে না। তারেক রহমান প্রতি দেশের জনগণের ভালোবাসার টানই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনবে।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদার বলেন,

আওয়ামী লীগের মতো দেশবিরোধী দলের সবাইকে রাজনৈতিকভাবে কবর দেয়ার শপথ করতে হবে আজ। আজকে যে ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলছে আওয়ামী লীগ তার প্রথম উদ্যোগ নিয়েছিলেন তারেক রহমান। এজন্য তারেক রহমান ছাড়া বাংলাদেশের কোনো উন্নতি হবে না। তারেক রহমান ফেরেশতা নন, তিনিও মানুষ। তার ভুল থাকতেও পারে। তবে চারটি ভুল থাকলে গুণ আছে হাজারটা।

শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া বলেন,

স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা যেনতেন নির্বাচন করে আবারও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। কিন্তু তার প্রহসনের নির্বাচন প্রতিহত করতে এদেশের শিক্ষক সমাজসহ বিভিন্ন পেশাজীবীরা রাজপথে নেমে আসবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা জানেন তারেক রহমান দেশে এলে তার মতো স্বৈরাচারীকে দেশ ছেড়ে বিদেশে চলে যেতে হবে। তাই তিনি আজ ষড়যন্ত্র করে তারেক রহমানকে দেশে আসতে দিচ্ছেন না।

সূত্রঃ আমার দেশ ২৪শে নভেম্বর ২০১৩

Text

ইলেকশন সিজন ২০১৩/১৪

ইলেকশন কাছাইছে। একদল ঐতিহ্য বজায় রেখে ধর্মীর রাজনীতি করে যাচ্ছে। আরেক দলও সেটাতে ভাগ বসাতে চাইছে।


ছবিগুলো ২৩শে নভেম্বর ২০১৩ তারিখে বিডিনিউজ২৪এ প্রকাশিত।

সৌদি থেকে ফিরে তারপর,

শেষ ছবিটা প্রথম আলো থেকে নেয়া ।

Text

ধুমপান বিষয়ে কিছু কথা

কেন মানুষে সিগারেটে আসক্ত হয়? রেডিটে একজন জিনিসটা ব্যাখ্যা করলো এভাবে,

He is what will probably happen if you start smoking…

First, you will try a cigarette. You will cough, your lungs will hurt, and you might have the feeling like you wanna puke. However, you will also get a feeling like all of your blood is rushing to your head. It will feel mildly euphoric, and you will have a little more clarity of thinking. I think of it as taking a very low dose of Percocet or other prescription pain killer, only enough to feel the effects but to not be a zombie.

Next, that feeling will go away, and you will light up again. Might be after a few hours or it might be a month down the road. After you light, you realize that it doesn’t hurt so much to inhale. It’s actually quite pleasurable. And that nicotine rush….WOW!!!! Hit you like a ton of bricks. Now you feel amazing! You’re thinking clearly, you feel great, life is on the up and up.

Fast forward a little bit. You now smoke 3 cigarettes a day. Smoking one still feels good, but it’s a little harder to feel that high. You explain to yourself that you will only have 3 a day. You don’t want to be full on addicted. Fact is, it’s already too late.

Before long, 3 cigarettes dont give you the high anymore, so you do 4. 4 becomes 5. You start smoking right after you get out of bed in the morning. Next thing you know, you’re smoking a half pack a day. You smoke more when you are stressed. You start smoking after a drink at the bar, after a few rounds of video games, during your break at work, on your way home. You start to realize that now you don’t get a nicotine high, but you smoke so you don’t have cravings.

On top of all of this, you start going through body changes. You are more irritable if you haven’t smoked for a while. Food/drinks don’t taste as good. Your fingers smell. You smell. Your level of fitness drops (can’t run as far, cant push as much, ect) and even moderate cardio makes you short of breath. You cough more. Your libido drops a bit. Your overall health drops, but you continue because you are addicted.

Finally, you decide to quit. However, patches, gum, and lozenges are total shit. You may try the prescription medication route. It works, but you start having vivid dreams and difficulty discerning reality from the dream world (I did). You may even consider suicide because it feels as if you are going insane. You quit prescriptions and go back to the cancer stick. Btw, cold turkey and the lollypop methods don’t work.

Smoking may seem harmless at first. But honestly, its a very slippery slope. I have been smoking for almost 5 years now. Yeah, I admit that sometimes I love it, and that it helps reduce stress (or my mind had reasoned that it does). But I also hate it. I currently have an e-cig on order so I can try to quit, because smoking a pack a day is hard on the body and extremely hard on the wallet.

TL;DR Smoking is bad, mmkay?

সিগারেট খেলে কী হতে পারে এই বিষয়ে সচল অনার্য সঙ্গীতের একটা লেখা আছে। সেখানে বলা হয়েছে,

সিগারেটের মূল আশক্তি নিকোটিনে। কিন্তু নিকোটিন নেয়ার জন্য আমরা তামাক পুড়িয়ে ধোঁয়া গ্রহন করি ফুসফুসে। সিগারেটের ধোঁয়াতে থাকে অন্তত ৭ হাজার (সাত হাজার) [ঠিকই বলছি, অন্তত ৭ হাজার] রকমের রাসায়নিক। মজার বিষয় হচ্ছে এই সাত হাজার রাসায়নিকের বেশিরভাগই মানুষের শরীরে (কোষে) কীরকমের প্রভাব ফেলতে পারে তা আমাদের জানা নেই। সুনির্দিষ্ট গবেষণা করে সেসব বের করার সুযোগ খুবই কম। কিন্তু সব যে আমাদের অজানা তা নয়। আমরা জানি এই সাত হাজার রাসায়নিকের মধ্যে অন্ততপক্ষে ৬০ টি হচ্ছে কারসিনোজেন। এর বেশিও হতে পারে, আমাদের জানা নেই। কিন্তু অন্তত ৬০টি কারসিনোজেন যে আছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কারসিনোজেন হচ্ছে সেই জিনিস যা ক্যান্সারের কারণ।

পুরোটা পড়তে এখানে ক্লিক করে পড়ে নিন।

পড়া শেষ করে এই ছবিটা দেখুন। এটি একটি ধুমপায়ীর ফুসফুস ও একজন অধুমপায়ীর ফুসফুসের কার্যক্ষমতার তুলনা।

ট্যাগ: ধুমপান
Quote
"

Well, so what? I may be a idiot, but most of the time, anyway, I tried to do the right thing - an dreams is jus dreams, ain’t they? So whatever else has happened, I am figgerin this: I can always look back an say, at least I ain’t led no hum-drum life.

You know what I mean?

"

— Forrest Gump - Winston Groom

Text

ইউনূসের সাথে বিএনপি-জামাতের সখ্যতা

Text

আমি খেলাধুলার সাথে রাজনীতি মেশাই

১.

প্রথমে গেল ভূপেন হাজারিকা। মানুষের মানুষের জন্য এই বক্তব্যটা উনি ঠিক বলেছিলেন। অমানুষ হয়ে যাওয়াতে মানুষ বাদ দিয়ে অমানুষদের নৌকায় উঠেছিলেন উনি। আমি সাথে সাথে তার সব গান হার্ডডিস্ক থেকে ডিলিট দিয়েছিলাম। আমি এখনও ভূপেন শুনি না। শুনবোও না। আমি খেলাধুলার সাথে রাজনীতি মেশাই।

প্রাসঙ্গিক নিউজটা,

Now Bhupen Hazarika joins the BJP

Tara Shankar Sahay in New Delhi | February 27, 2004 20:52 IST

Renowned Assamese musician Bhupen Hazarika on Friday joined the Bharatiya Janata Party saying he was ‘enamoured’ of the achievements of the Vajpayee government.

Hazarika, who is also a filmmaker, director and music composer, said it was his dream to develop the northeast.

BJP leader Sushma Swaraj pointed out that Hazarika was also a journalist having done his doctorate in mass communications from the Columbia University in 1952.

Hazarika is a Padma Bhsuhan awardee and recipient of the Dabasaheb Phalke Puruskar. He was also the chairman of the Sangeet Natak Akademi.

All his five films had received the President’s gold medal and he was also an independent legislator in the Assam assembly from 1967-72.

Swaraj said that Hazarika was well known to Prime Minister Atal Bihari Vajpayee and Deputy Prime Minister Lal Kishenchand Advani.

"Although Bhupenda is an Assamese he belongs to entire India and is a gift to his state," She said.

Asked why he had chosen to join the BJP, Hazarika said, “The BJP has proved to be the most stable party. I wanted and saw that the field of art (under the Vajpayee government) should be seen as an instrument of social change.”

He said that if Hindutva was to be rightly interpreted ‘then BJP has done wonders for the prestige of India’.

Asked if the people of the northeast and Assam would be offended by his joining the BJP since he was a liberal, Hazarika said, “I am the darling of everybody and I also love them all.”

Asked whether he would fight the impending parliamentary polls, he looked momentarily confused. Then he turned towards Swaraj and party colleague Mukhtar Abbas Naqvi and asked, “Shall I tell them?”

When the assembled journalists burst into guffaws, as did the BJP leaders, he was momentarily flustered. Then grinning he said he would do whatever Vajpayee and Advani decided.

Asked whether he had been invited by Congress chief Sonia Gandhi to have tea with her, Hazarika said, “No, I have never met her in my life.”

But he later admitted, “I was invited to have tea (with Sonia) but I came here (BJP) to have rice.”

BJP leader Arun Jaitley talking informally to reporters had a dig at the Congress chief’s expense.

"Whenever she (Sonia) calls potential recruits for tea, they all cross over to the BJP,” he laughed.

He cited the examples of former test cricketer Navjot Singh Sidhu, Arif Mohammed Khan and Hazarika in this context.

On Hazarika joining the BJP, Jaitley said, “He represents the aspirations of the northeast region.”

২.

আজ খবরে দেখলাম লতা মুঙ্গেশকর সাম্প্রদায়িক খুনি নরেন্দ্র মোদির চরণে নিজেকে নিবেদন করেছেন। লতার গান নাই মনে হয় হার্ডডিস্কে। থাকলেও খুঁজে বের করে ডিলিট করতে হবে।

Lata Mangeshkar backs Narendra Modi for PM
TNN | Nov 2, 2013, 06.19 AM IST PUNE:

Singing legend Lata Mangeshkar on Friday came out in support of Narendra Modi as the BJP’s prime ministerial candidate. Sharing the dais with the Gujarat chief minister here, she said, “From the bottom of my heart, I feel Narendra Modi should become the Prime Minister.” “Narendra Modi is like a brother to me. I wish him all the very best. We should see him as the country’s prime minister. This is the wish of all of us,” Mangeshkar said after Modi inaugurated Deenanath Mangeshkar hospital’s 600-bed new speciality unit. The Gujarat CM dwelt on how the health sector could become India’s unique selling point (USP) to connect with the wider world. He also stressed upon “health assurance” along with health insurance for the poor. “There are many democratic institutions in the US which exert their influence on other countries. Similarly, we can strike a chord with the world through our health sector, which has big pool of skilled manpower. Our hospitals are our biggest strength,” he said. Modi also stressed on preventive healthcare. “Gujarat was the first state to have fortified atta (flour), fortified edible oil and fortified salt to fill in the deficiencies in diet. This has benefited a large population in the state,” he claimed. Mangeshkar’s family members, including Hridaynath Mangeshkar, Usha Mangeshkar and Asha Bhosle, were present on the occasion.

Text

মানবাধিকারবারি অধিকারের সাফাইগাতকেরা

১.
অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং সরকারের হিংসাত্মক মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেন - হেফাজত নেতা তেতুল হুজুর শাহ আহমদ শফী।

২.
Adilur Rahman Khan is a human rights defender and his arrest shows the government’s increasingly hostile stand towards any criticism of its policies and alleged human rights violations. The government’s actions speak of wanting to clamp down on any space to talk about human rights, freedom of expression and opinion, prior to the parliamentary elections ahead. Odhikar has been reporting on disappearances and other alleged human rights abuses. We urge the authorities to immediately release Adilur Rahman Khan from custody.


Sara Hossain, Advocate, Supreme Court
Khushi Kabir, Human Rights Activist
Hameeda Hossain, Human Rights Activist
Sultana Kamal, Executive Director, Ain o Salish Kendra
Shaheen Anam, Human Rights Activist
Shireen Huq, Human Rights Activist
Anu Muhammad, Teacher, Economics department, Jahangirnagar University and member secretary, National Committee to Protect Oil, Gas, Mineral Resources, Power and Ports
Rahnuma Ahmed, Writer
Iftekharuzaman, Executive Director, Transparency International Bangladesh (TIB)
Shale Ahmed, Human Rights Activist
Imtiaz Ahmed, Professor, Dhaka University
Faustina Pereira, Advocate, Supreme Court
Meghna Guhathakurta, Researcher
Sanjeeb Drong, Human Rights Activist
Shapan Adnan, Associate, Contemporary South Asian Studies, University of Oxford
Ruby Ghuznavi, Human Rights Activist
Dina Siddiqi, Visiting Professor, Anthropology, BRAC University
Professor Amena Mohsin, Dept. of International Relations, Dhaka University
Ainoon Naher, Jahangirnagar University
Professor Piash Karim, BRAC University, Dept. ESS
Zakir Hossain, Chief Executive, Nagorik Uddyog
Shakhawat Hossain, Human Rights Activist
Zafrullah Chowdhury, Health Activist
Ali Ahmed Ziauddin, Freelance Researcher
Nur Khan Liton, Human Rights Activist
Tahmina Rahman, Human Rights Activist
Shahidul Alam, Photographer, Writer, Artist, and Human Rights Activist
Salma Ali, Advocate, Supreme Court
Lubna Marium, Artistic Director, Shadhona
Syed Sultan Uddin Ahmmed, Bangladesh Institute of Labour Studies
Ilira Dewan, Writer and Human Rights Activist
Udisa Islam, Journalist
Sushmita Preetha, Journalist and Human Rights Activist
Hana Shams Ahmed, Writer


৩.

Text

বিডি-সিএসআইআরটি (সাইবার ক্রাইম বিরোধী সেল) ও তাদের পারফরমেন্স

পড়ছিলাম বিডিনিউজে "ফেইসবুকে হয়রানি: ‘অসহায়’ নিয়ন্ত্রক সংস্থা" শিরোনামে প্রতিবেদন। সেখানে কেন ফেইসবুক নিয়ন্ত্রনে অসহায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেই বিষয়ে একজন সাইবার ক্রাইম “বিশেষজ্ঞের” কাছে প্রতিবেদক জানতে চেয়েছেন কিছু বিষয়। এই বিশেষজ্ঞ কাজ করছেন বিটিআরসিতে।

উনি কিছু ইন্টারেস্টিং পরিসংখ্যান দিয়েছেন। বিটিআরসি এ পর্যন্ত ৩১৭টি ওয়েবসাইট ‘ব্লক’ করেছে এগুলোর মধ্যে ২২২টিই বিভিন্ন পর্নো সাইট। বাকিগুলোর মধ্যে ৬০টি রাজনৈতিক বিদ্বেষ ছড়ায় এমন সাইট এবং ৩৫টি সাইটের বিরুদ্ধে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে রয়েছে।

এই পর্যন্ত ফেইসবুকের কাছে দাবি জানিয়ে একটি মাত্র কেইসের সুরাহা করা গেছে বলে জানিয়েছেন। একজনের অভিযোগ ফেইসবুকে ফরোয়ার্ড করার পর অভিযুক্ত এ্যাকাউন্টের ছবি সরিয়ে ফেলা হয় বলে জানাচ্ছেন ঐ বিশেষজ্ঞ।

ফেইসবুক যারা ব্যবহার করেন তারা নিশ্চয়ই জানেন যে আপত্তিি উত্থাপন করলে ফেইসবুক প্রায় সময়ই ছবি সরিয়ে দেয়। এরজন্য বিটিআরসির দ্বারস্থ হবার প্রয়োজন নেই।

এখানে আরেকটি বিষয়ে খেয়াল করার মতো। ফেইসবুক শুধুমাত্র ছবি সরিয়েছে। কিন্তু ব্যবহারকারির তথ্য বিটিআরসিকে তারা দিয়েছে এরকম দাবি তিনি করেননি।

বিটিআরসির এই বিশেষজ্ঞ কেন ফেইসবুককে বশে আনা যাচ্ছে না সেই সম্পর্কে বলছেন,

ফেইসবুকে যৌন হয়রানির বিষয়টি স্পষ্টতই ‘সাইবার অপরাধ’ হলেও বাংলাদেশের আইনি কাঠামোর জটিলতায় ফেইসবুক কর্তৃপক্ষকে চাপ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, সাইবার অপরাধের বিষয়টি ‘আইসিটি অ্যাক্ট’ এর আওতায় পড়ে। টেলিকম আইনে বিষয়টির কোনো উল্লেখ নেই। কিন্তু বিটিআরসি চলে টেলিকম আইনে। ফলে বিটিআরসির ডাকে সাড়া দেয়ার যথেষ্ট আইনি বাধ্যবাধকতা নেই বলে ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ মনে করতে পারে।

স্পষ্টত আন্তর্জাতিক আইন কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে এই বিশেষজ্ঞের কোন ধারণা নেই। বিদেশে অপারেট করা বিদেশি কোন কোম্পানি বাংলাদেশের জুরিসডিকশনে আসে না। এটা বাংলাদেশের আইনপ্রনেতা তাদের আইনে লিখে রাখলেও আসে না। কারণ বিদেশে গিয়ে আইনটা প্রয়োগ করার মতো চুক্তি বাংলাদেশের সাথে উন্নত বিশ্বের কোন দেশের মধ্যে নেই।

তবে ব্লগার হিসেবে আমার এহেন বিশেষজ্ঞদের ওপর কোন অভিযোগ নেই। বিটিআরসি ভরে যাক এরকম বিশেষজ্ঞে ;)

ইমেজ ব্যাকআপ

Text

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতিতে বহির্বৈশ্বিক তৎপরতা

আকারে ছোট অর্থনীতি ও তুলনামূলকভাবে প্রভাবহীন দেশগুলোর একটা সমস্যা হলো এদের সবসময় প্রতিবেশী দেশ ও বিশ্বরাজনীতির মোড়লদের কথা হাসিমুখে শুনতে হয় হয়। বাংলাদেশও এরকম একটা একটা দেশ। আমরা বহুকিছুর জন্য বাইরের শক্তির কাছে নির্ভরশীল। বাংলাদেশে প্রভাব রাখে এরকম প্রতিবেশি দেশ হলো ভারত। ভারত পার হয়ে পাকিস্তান বীর্যসূত্রে দেশি কিছু দালালের ওপর প্রভাব রাখে। পাকিস্তানের ভাইবেরাদর মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত সৌদি আরব বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভূমিকা রাখে। এদের বাইরে আছে স্যামকাগু অর্থাৎ বিশ্বমোড়ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

বাংলাদেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক টানাপোড়েনের সময় এই বাইরের শক্তিগুলোর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য প্রভাব রয়েছে। এই প্রভাব বিভিন্ন দরকষাকষিতে সুযোগ করে দেয়ার লোভ দেখিয়ে বা সরাসরি টাকাপয়সা দিয়ে হয়তো আদায় হয়। পাঠকদের মনে থাকার কথা ২০০৭ সালের জুন মাসে টিএফআই সেলে জিজ্ঞাসাবাদে চারদলীয় জোট সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর পাকিস্তানের কাছ থেকে বিএনপির ১০০ কোটি টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। বাবর স্বীকার করেছিলেন, বিএনপি নির্বাচনী তহবিলের জন্য পাকিস্তান, কুয়েত ও সৌদি আরবের কাছ থেকে ১০০ কোটি করে মোট ৩০০ কোটি টাকা নেয়। এই সময় পাকিস্তানের প্রাক্তন বিমানবাহিনী প্রধানের বরাতে আরো খবর বের হয় ১৯৯১ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই খালেদা জিয়াকে ৫কোটি রূপী দিয়েছিলো।

এই মুহুর্তে বাংলাদেশে নির্বাচন সামনে রেখে বেশ কিছুদিন ধরেই এইসব মুরুব্বী দেশগুলো ও তাদের দেশিয় তাবেদারকে হুঙ্কার ম্যাৎকার শোনা যাচ্ছে। এই কার্যক্রমে সবচেয়ে এগিয়ে বিশ্বমোড়ল মার্কিন দেশ। কদিন পরপরই বিভিন্ন রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবিদের সাথে মিটিং ভোজ ইত্যাদিতে এদের দেখা যায়। নিজের দেশের নড়বড়ে পরিস্থিতি থাকলেও এদেশে রাজনীতিবিদেরা কীভাবে কী করবে সেবিষয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা নিয়মিত বিরতিতে বিবৃতি দেন। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকা ছেড়ে তার এই তৎপরতা দিল্লী গিয়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কীরকম হবে সেটা নিয়ে আলোচনা করতে তিনি দিল্লী পর্যন্ত ঘুরে এসেছেন। এই সফরের আগে তিনি ঢাকায় ভারতের রাষ্ট্রদূত পঙ্কজ শরণের সাথে বৈঠক করেছেন। বৈঠকের বিষয়বস্তু বাংলাদেশ ভারত সম্পর্ক! (১) একটা তৃতীয় দেশ কেন অন্য দুটো দেশের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে উৎসাহি হবে সেটা সহজে বোধগম্য না। তৃতীয় দেশটা যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেহেতু ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই আগ্রহ কৌতুহলোদ্দীপক। এই আলাপের পরপর মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা ভারত সফর করেন। খবরে প্রকাশ এই সফর কোন আমন্ত্রন থেকে নয়, বরঞ্চ নিজ উদ্যোগেই মজিনা ভারত সফর করেন। এখানে স্মরণ রাখা ভালো ভারত ও বাংলাদেশের বর্তমান সরকার এই মুহুর্তে সাম্প্রতিককালের সর্বাপেক্ষা সুসম্পর্কের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে ভারতের জন্য কোন ঝামেলা না তৈরি হওয়া, পারস্পরিক সম্পর্ক বিভিন্ন চুক্তির মধ্য দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ইত্যাদির জন্য বর্তমান আওয়ামী সরকার ভারতের গুডবুকে আছে এটা বলাইবাহুল্য। এহেন অবস্থায় মজিনা কী আলোচনা করতে ভারত সফর করলেন সেটা জানার আগ্রহ তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক। বৈঠকের পরে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয়েছে দুই দেশই বাংলাদেশে একটি শান্তিপূর্ণ অবস্থা দেখতে চায়। তো সেখানে যেটা বলা হয়নি সেটা হলো কী কী বিষয়ে ড্যান মজিনার সাথে ভারত সরকার একমত হয়নি।

দুই পক্ষের এই দ্বিমত সম্পর্কে আভাস পাওয়া যায় বিডিনিউজে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন। (২) সেখানে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্ননালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয় মজিনা ও ভারতীয় পক্ষের বৈঠক বিষয়ে প্রতিবেদনগুলোতে “এসব প্রতিবেদনে সঠিক তথ্য আসেনি।” বিডিনিউজ জানাচ্ছে,

বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকটের ব্যাপারে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ‘এক নয়’ বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশী দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

প্রশ্ন হলো ঠিক কোন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একমত নয়। বিডিনিউজের প্রতিবেদনে এই বিষয়টি নির্দিষ্ট করা হয়নি। তবে প্রতিবেদনটা আরেকটু ভালো করে পড়ে বিচ্ছিন্ন বক্তব্যগুলো একত্র করলে কিছু ক্লু পাওয়া যায়। বিডিনিউজের সোর্স যা বলেছেন সেটা একটু গুছিয়ে একত্র করলে চলমান রাজনীতি বিষয়ে তিনটি স্টেটমেন্ট পাওয়া যায়।

১. আমরা বাংলাদেশে যে কোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপের বিপক্ষে। আমরা চাই, সব পক্ষের অংশগ্রহণে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই ঠিক করুক। বাংলাদেশের আসন্ন সংসদ নির্বাচন কীভাবে হবে- বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোই সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

২. “ঢাকায় যারাই ক্ষমতায় আসুক না কেন, প্রতিবেশী হিসেবে ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অব্যাহত রাখবে বলেই আমরা আশা করি।”

৩. যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বিষয়ে কী ভূমিকা নেবে তা একান্তই তাদের ব্যাপার। তবে ভারতও একই পথে আছে- এমন বলাটা হবে ‘অন্যায্য’। তারা (যুক্তরাষ্ট্র) যদি কারো পক্ষ নিতে বা কাউকে সমর্থন করতে চায়- সেটা তাদের ব্যাপার। তবে কেউ যদি বলে যে, আমরাও তাদের সঙ্গে আছি, তা হবে দুঃখজনক।

উপরের মন্তব্যগুলোর দ্বিতীয় পয়েন্টটিতে আন্দাজ করা যায় ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র দুই পক্ষই একমত। কিন্তু ১ম ও ৩য় পয়েন্টটিতে বাংলাদেশে বিদেশী হস্তক্ষেপ ও বাংলাদেশের কোন দলকে সমর্থনের প্রসঙ্গ এসেছে। ১ম পয়েন্টটি মূলত গড়পড়তা কূটনৈতিক কথা যেটা সবাই বলে থাকে। ভারত বা যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের প্রয়োজনে বাংলাদেশে প্রভাব রাখার চেষ্টা করবে এটা বলাবাহুল্য এগুলো কখনোই তারা স্বীকার করবে না। বাকি থাকে তৃতীয় পয়েন্ট। এই তৃতীয় পয়েন্টে ভারত সুস্পষ্টভাবে যুক্তরাষ্ট্র যাদের সমর্থন করবে ভারত তাদেরই সমর্থন করবে এই অনুমিতির বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছে। এখন কথা হলো ঠিক কোন অবস্থায় এরকম অবস্থান জানানোর দরকার পড়ে? দরকার পড়ে তখনই যখন এক পক্ষ আরেকপক্ষের অবস্থান বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করে ও সেই অবস্থানটা জানানোর দরকার মনে করে। এই হিসেবে ভারতকে আওয়ামী লীগ সরকারের সমর্থক হিসেবে ধরলে এই ক্ষেত্রে তাহলে ধরে নেয়া যায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি জামাত জোটের সমর্থক এবং ভারত সরকার এই সমর্থন প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাদের অবস্থান আলাদা এটা প্রকাশ করলো।

এদিকে কালের কণ্ঠ বলছে (৩) মার্কিনদূত ড্যান মজিনার দিল্লী থেকে বেইজিং যাবার পরিকল্পনা ছিলো। তবে এই পরিকল্পনা পরে বাতিল হয়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিষয়ে সাধারণত বেইজিং মন্তব্য করে না। তবে সম্প্রতি এই ঐতিহ্য ভেঙ্গে তারা একটি বিবৃতি দিয়েছিলো। চীনা রাষ্ট্রদূত লি জুন আবার গত সপ্তাহে জরুরী তলবে দেশে গেছেন। এথেকে আন্দাজ করা যায় সম্ভবত চীন এখন থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারো প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখতে শুরু করবে।

আমেরিকা বিএনপি জামাতের ধামা ধরবে এটা নতুন কিছু নয়। বাংলাদেশে সবসময় হাঁটু, মোল্লা ও ঞলিবারেলরা একত্রে হেঁটেছে। ভারত তাদের নিজেদের স্বার্থে এই মুহুর্তে এদের সাথে কাজ করতে চাইবে না। এখন ভারতের শত্রুপক্ষ চীন যদি মার্কিনিদের বিপক্ষে মত দিতে শুরু করে তাহলে অদুর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ এক ত্রিমুখি রাজনৈতিক চাপের মধ্যে দিন কাটাতে শুরু করবে। এই চাপ সামাল দিতে পারবে যারা তারাই রাজনীতির মাঠে এগিয়ে থাকবে।

সূত্র
১. দিল্লি গেলেন মজিনা
ইমেজ লিংক
লিংক

২. বাংলাদেশ ঘিরে বাড়ছে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র দূরত্ব
ইমেজ লিংক
লিংক
ইংরেজি ভার্সন লিংক
ইমেজ লিংক

৩. মজিনা এবার চীন সফরে যেতে পারেন
ইমেজ লিংক
লিংক

সংযোজন
১। ভারত যে ড্যান মজিনাকে দাওয়াত করেনি এই তথ্যের সূত্র সেখানকার দ্য ইকোনমিক টাইমস পত্রিকা। লিংক দেখতে এখানে ক্লিক করুন (ইমেইজ লিংক)। বিডিনিউজের এই খবরটাতে এটা নিশ্চিত করা হয়েছে। (ইমেজ লিংক)
২। বিডিনিউজ জানাচ্ছে চীন যাবার বদলে ড্যান মজিনা নিজ দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন। (ইমেজ লিংক)
৩। প্রথম আলোয় প্রকাশিত খবর (ইমেজ লিংক)

সচলায়তনে প্রকাশিত।