Photo
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাক্ষরিত বিবৃতি। ১৯শে মার্চ. ১৯৭১কৃতজ্ঞতা - সৌমিত্র পালিত

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাক্ষরিত বিবৃতি।
১৯শে মার্চ. ১৯৭১
কৃতজ্ঞতা - সৌমিত্র পালিত

ট্যাগ: বঙ্গবন্ধু
Link

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের হলগুলোতে নানা অজুহাতে ছাত্রীদের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। অথচ ছেলেদের হলে জরিমানার বালাই নেই। পরিচয়পত্র ও সমাবর্তন বাবদ বাড়তি ফি আদায়ের ক্ষেত্রেও এমন বৈষম্য রয়েছে।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা হলটির কথা বাদ দিলে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলেদের জন্য হল আছে ১৩টি, আর মেয়েদের পাঁচটি। দাপ্তরিক বিভিন্ন কাজের জন্য অনাবাসিক শিক্ষার্থীদেরও এগুলোর কোনো কোনোটির সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে হয়। বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ সবচেয়ে বেশি সামসুন নাহার হলের বিরুদ্ধে।
সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) সহিদ আকতার হুসাইন জানান, হলের প্রাধ্যক্ষ আবাসিক শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়ে ঠিক করেন হলটি কীভাবে পরিচালিত হবে। সিট ভাড়া বা সংস্থাপন ফির মতো বিষয়গুলো কেন্দ্রীয়ভাবে নির্ধারিত হয়। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ (অর্ডার), ১৯৭৩ অনুযায়ী, জরিমানা এবং বেশ কিছু ফিয়ের পরিমাণ নির্ধারণে হল কর্তৃপক্ষের স্বাধীনতা রয়েছে। সহ-উপাচার্য আরও বলেন, মেয়েদের ভালোর জন্যই জরিমানার বিধান। তা ছাড়া মেয়েদের হলে নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাড়তি খরচ হয়। তাই হলগুলো বেশ কিছু ফি নেয়, যেগুলো ছেলেদের হলে নেই। ভুক্তভোগী ছাত্রীরা অবশ্য বলছেন, একই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেও তাঁরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
তবে উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক একে বৈষম্য বলতে রাজি নন। মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘এটি বৈচিত্র্যের বিষয়, হল থেকে হলে পার্থক্য থাকবে।’
ছেলেদের চারটি হলের প্রাধ্যক্ষ ও আবাসিক শিক্ষক এবং বিভিন্ন হলের নিবাসী ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জরিমানার রেওয়াজ তাঁদের নেই। ছেলেদের অমর একুশে হলের প্রাধ্যক্ষ মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, কিছু জিনিস আইন করে বা শাস্তি দিয়ে শোধরানো যায় না।
অন্যদিকে পাঁচটি ছাত্রী হলেই কমবেশি জরিমানা আছে। পরিচয়পত্র দেরিতে হালনাগাদ করলে ২০১৩ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত শামসুন নাহার হল কর্তৃপক্ষ ৫০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা নিত। ছাত্রীদের অসন্তোষের মুখে এখন এটা ৫০ টাকায় নেমেছে।
রোকেয়া হল ও বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে এ জরিমানার হার ১০ টাকা। বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও কবি সুফিয়া কামাল হলে আবার এ খাতে কোনো জরিমানাই নেই।
পরিচয়পত্র হালনাগাদের ফি শামসুন নাহার হল নিচ্ছে ১০ টাকা করে। ফজিলাতুন্নেছা ও মৈত্রী হল নেয় ৩০ টাকা। আর সুফিয়া কামাল হল নিচ্ছে ৫০ টাকা। ছেলেদের হলে এই ফি ১০ টাকা অথবা কিছুই না।
স্নাতকোত্তর পরীক্ষা দেওয়ার পর শামসুন নাহার হলে বাড়তি কয়েক মাস থাকার জন্য ছাত্রীদের জরিমানা করার অভিযোগ পাওয়া যায়। বর্ধিত (এক্সটেনশন) ভবনের এক ছাত্রী প্রথম আলোকে বলেছেন, তাঁর পাশের ঘরের এক বাসিন্দা ২০১৩ সালে এভাবে বাড়তি কয়েক দিন হলে ছিলেন। এ জন্য তিনিসহ ওই কক্ষের আটজন বাসিন্দাকে মোট পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হয়েছে।
ছাত্রীদের দাবি, মেয়েদের নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবের বিবেচনায় তাঁদের বাড়তি কিছুদিন থাকতে দেওয়া উচিত। ছেলেদের দুটি হলের প্রাধ্যক্ষরা জানিয়েছেন, মেয়াদ ফুরোবার পর অতিরিক্ত সময় থাকলে ছাত্রদের জরিমানা করা হয় না।
গত ডিসেম্বরে শামসুন নাহার হলে অনার্স ভবনের তৃতীয় তলা থেকে ময়লা ফেলার জন্য দুজনকে ৫০০ টাকা জরিমানা করে হল কর্তৃপক্ষ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ ভবনের একজন ছাত্রী বলেন, ২০১২ সালে তাঁর রুমমেট একদিন বারান্দা থেকে পানি ঢেলে চামচ ধুয়েছিলেন। কর্মকর্তারা দেখতে পেয়ে তৎক্ষণাৎ দুই হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। মেয়েদের অন্য হলগুলোতে এ ধরনের ঘটনায় কোনো জরিমানা হয় না।
শামসুন নাহার হলবাসীর অভিযোগ, প্রাধ্যক্ষ তাঁর ইচ্ছেমতো জরিমানা নিচ্ছেন। প্রাধ্যক্ষ সাজেদা বানুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অবশ্য বললেন, ‘আমি হলের ব্যাপারে কোনো কথা বলব না। মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলা আমার পছন্দ না।’
জরিমানার টাকা কোন খাতে ব্যয় হয় জানতে চাইলে এ হলের এক কর্মকর্তা বলেন, এটা ছাত্রীদের জন্যই খরচ করা হয়। তিনি বলেন, ২০১২-১৩ অর্থবছরে জরিমানার টাকায় হল মিলনায়তনের জন্য সাউন্ড সিস্টেম ও প্রজেক্টর কেনা হয়েছে।
সুফিয়া কামাল হলে একজন আবাসিক শিক্ষক অনুমতি দিলে দপ্তরের এক কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে কিছু তথ্য দেন। পরক্ষণে ওই শিক্ষক ‘প্রাধ্যক্ষের অনুমতি নেই’ বলে আরেকজনকে দিয়ে প্রতিবেদকের নোট খাতা থেকে পাতা ছিঁড়ে নেন।
এদিকে সমাবর্তনের জন্য মূল ফি কেন্দ্রীয়ভাবে নেওয়া হয়, বিভিন্ন হল নিচ্ছে বাড়তি টাকা। ২০১৩ সালে সমাবর্তনের সময় শামসুন নাহার, কুয়েত মৈত্রী ও ফজিলাতুন্নেছা হল মেয়েদের কাছ থেকে খাত উল্লেখ না করে ৫০০ টাকা করে জমা নেয়। কিন্তু মেয়েরা বলেন, প্রতিবাদ করলে টাকাটা অর্ধেকে নেমে আসে। চলতি বছরের সমাবর্তনে ছাত্রী হলগুলো ২০০ থেকে ৩০০ টাকা করে নিয়েছে। অন্যদিকে ছেলেদের দুটি হলে নিবন্ধন ফরমের খরচা বাবদ ১০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ: নারী বৈষম্য
Link

কলকাতা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৪, ০৪:০০:১

1

সারদার জল এ বার গড়াল বাংলাদেশেও।

সে দেশের গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, বাংলাদেশে অস্থিরতা তৈরি করতে কাজে লাগানো হয়েছে সারদার কোটি কোটি টাকা। আর তার সঙ্গে জড়িত তৃণমূল সাংসদ আহমেদ হাসান ইমরান। এ ব্যাপারে ভারতের কাছে সরকারি ভাবে অভিযোগও জানিয়েছে বাংলাদেশ।

এই ঘটনার তদন্ত চেয়ে সরব হয়েছেন বাংলাদেশের জামাত-উপদ্রুত দুই এলাকা রাজশাহি ও সাতক্ষীরার দুই সাংসদ। যদিও ইমরান নিজে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, জামাতের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই।

কী বলা হয়েছে বাংলাদেশের গোয়েন্দা রিপোর্টে?

সে দেশের তদন্তকারীদের দাবি, ২০১২-’১৩ সালে ইমরানের মাধ্যমে ভারত থেকে দফায় দফায় বিপুল পরিমাণ অর্থ পৌঁছেছে জামাতে ইসলামি ও তাদের নানা শাখা সংগঠনের হাতে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামি লিগ সরকার জামাতের প্রথম সারির নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা শুরু করার পরে বাংলাদেশে দাঙ্গা, নাশকতা ও সন্ত্রাস শুরু করেছিল মৌলবাদীরা। সরকার জামাতকে নিষিদ্ধ করার হুঁশিয়ারি দিলে ‘হেফাজতে ইসলাম’ নামে বকলমে আরও একটি মৌলবাদী সংগঠন গজিয়ে ওঠে। তারা ঢাকা অবরোধ করে সরকার ফেলার ষড়যন্ত্র করেছিল। গোয়েন্দা সূত্র অনুসারে, সেই কাজে ইন্ধন জোগাতেই এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছিল। যার একটা বড় অংশ সারদা অর্থলগ্নি সংস্থার।

ভারতের গোয়েন্দা রিপোর্টও এই বক্তব্যকে অনেকটাই সমর্থন করছে। বাংলাদেশের গোয়েন্দা রিপোর্টে অবশ্য এই দাবিও করা হয়েছে যে, ইমরানের মাধ্যমে অর্থের পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরকের বেশ কয়েকটি চালানও ভারত থেকে পৌঁছে গিয়েছিল জামাতের হাতে।

কী ভাবে?

ভারতের গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, সারদার বেশ কিছু অ্যাম্বুল্যান্সে কাঁচা টাকার বান্ডিল ভরে তা নিয়ে যাওয়া হতো বনগাঁ, বসিরহাট, নদিয়া, মালদহ, বালুরঘাট ও কোচবিহারের সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে। তার পরে তা বাংলাদেশি টাকা, ডলার বা ইউরোয় পরিবর্তন করে জামাতের এজেন্টদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তৃণমূলের সাসপেন্ড হওয়া সাংসদ কুণাল ঘোষও ইডি-কে লেখা চিঠিতে সারদার অ্যাম্বুল্যান্সে করে বাংলাদেশে জামাতে ইসলামির কাছে টাকার বান্ডিল চালান যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। এ ছাড়া, হাওয়ালা ও হুন্ডির মাধ্যমেও গিয়েছে সারদার টাকা। বাংলাদেশের গোয়েন্দা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, জামাত পরিচালিত বেশ কিছু হাসপাতাল, ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বেনামে লগ্নিও করেছে সারদা। সেই অর্থও কার্যত জামাতের ‘জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলন’-এই খরচ হয়েছে।

রাজশাহির সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা আনন্দবাজারকে জানিয়েছেন, যুদ্ধাপরাধের দায়ে নিজেদের নেতাদের বিচার বানচাল করতে বাংলাদেশ জুড়ে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাস শুরু করেছিল জামাতে ইসলামি। রেললাইন উপড়ে, বাস-ট্রেন জ্বালিয়ে অজস্র মানুষকে হত্যা করা হয়। প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে তাঁদের প্রতিরোধ করেন। বাদশা বলেন, “বিশেষ করে রাজশাহি ও সাতক্ষীরার মতো সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে এই সন্ত্রাস মাত্রাছাড়া হওয়ায় ভারত থেকে থেকে অস্ত্র-বিস্ফোরক ও অর্থ আসার বিষয়ে আমরা সন্দিহান হই। পরে পুলিশ ও আধাসেনারা এই সব জায়গায় অভিযান চালিয়ে বহু মৌলবাদীকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকেই এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা।”

সাতক্ষীরার সাংসদ মুস্তাফা লুৎফুল্লা বলেন, “জামাতের দুষ্কৃতীরা পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকে পড়ে। সেখানে শাসক দলের নেতারা তাদের আশ্রয়ের বন্দোবস্ত করছে বলে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট খবর আছে। সন্ত্রাসের সময়েও সীমান্ত-পার থেকে নিয়মিত অর্থের জোগান পেয়েছে মৌলবাদীরা।”

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের আগে থেকেই বাংলাদেশের জামাতে ইসলামির সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু উর্দুভাষী নেতার দহরম মহরম শুরু হয়। ২০১১-র ভোটে সীমান্ত এলাকায় জামাত কর্মীরা তৃণমূলের হয়ে কাজ করে। সে সময়ে তৃণমূলকে অর্থেরও জোগান দিয়েছিল জামাতে ইসলামি। গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, সেই সুসম্পর্ক থেকেই পরবর্তী কালে জামাতকে তৃণমূল শুধু পাল্টা সাহায্যই করেনি, তিস্তা চুক্তি ও স্থল সীমান্ত চুক্তি আটকে দিয়ে বাংলাদেশ সরকারকেও বিপদে ফেলার চেষ্টা করে। বাংলাদেশ সংক্রান্ত নীতির বিষয়ে মমতা বরাবর জামাতের সঙ্গে নিত্য যোগাযোগ রাখা উর্দুভাষী নেতাদের মতামতই মেনে চলেছেন বলে গোয়েন্দা রিপোর্টের দাবি।

বাংলাদেশের এক কূটনীতিকের মতে, শেখ হাসিনার আমলে ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্ক যতটা মধুর হয়েছে, ততটাই তেতো হয়েছে কলকাতার সঙ্গে। এর জন্য তিনি দায়ী করেছেন তিস্তা ও স্থলসীমান্ত চুক্তি নিয়ে মমতার কট্টর বিরোধিতাকে। ওই পদস্থ কূটনীতিকের দাবি, তৃণমূলের জামাত-ঘনিষ্ঠ নেতারাই মমতাকে এ কাজে প্রভাবিত করতে সফল হয়েছেন। ওই নেতারাই বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসা জামাতের দুষ্কৃতীদের কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের নানা জায়গায় মাসের পর মাস আশ্রয় দিয়ে রেখেছেন। বাংলাদেশ সরকার এই বিষয়টিও ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে। ওই কূটনীতিকের অভিযোগ, তার পরেও সেই সব আশ্রয়শিবির কিন্তু বহাল রয়েছে। গত পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে এই সব অনুপ্রবেশকারী জামাত কর্মীরা তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন।

এই সব কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষিতেই প্রাক্তন সিমি নেতা, বর্তমান তৃণমূল সাংসদ ইমরানকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। দলের কেন্দ্রীয় নেতা সিদ্ধার্থনাথ সিংহ এ দিন বলেন, “সিমি-কে নিষিদ্ধ করার সময়ে মমতা কেন্দ্রে মন্ত্রী ছিলেন। তিনি সবই জানতেন। তার পরেও কেন তিনি ইমরানকে রাজ্যসভায় পাঠালেন?” তাঁর দাবি, জামাতের সঙ্গে বোঝাপড়া করেই তৃণমূল নেত্রী এই প্রার্থী বাছাই করেছেন। মমতার এই কাজকে ‘দেশদ্রোহ’ বলে মন্তব্য করে ওই বিজেপি নেতার অভিযোগ, এক জন মুখ্যমন্ত্রীর এমন কাজের জন্য রাজ্যে জঙ্গি ও দুষ্কৃতীরা সীমান্ত পেরিয়ে ঢুকছে। নাগরিকদের নিরাপত্তা বিপন্ন হচ্ছে।

Photo
চাঁদ খালি চোখেই দেখা যায় মাননীয় স্পিকার। বুড়ো চাঁদটারে নতুনভাবে ব্র্যান্ডিং করলেও দেখা যায় না করলেও দেখা যায়।

চাঁদ খালি চোখেই দেখা যায় মাননীয় স্পিকার। বুড়ো চাঁদটারে নতুনভাবে ব্র্যান্ডিং করলেও দেখা যায় না করলেও দেখা যায়।

Photo
ইয়ে …. এটা কোন দেশের পত্রিকা?

ইয়ে …. এটা কোন দেশের পত্রিকা?

Text

ডিয়ার বিডিনিউজ২৪ নিউজডেস্ক, ১ মিটার = ৩ ফুট ৩.৩৭ ইঞ্চি

মহসীন মন্ত্রীর বক্তব্যের পর সাংবাদিকেরা উনার বক্তব্যের সমস্যাগুলো ঠিকঠাকমতো চিহ্নিত না করে আশপাশে ঝোপঝাড় পেটাচ্ছেন। এর মধ্যে একটা ঝোপ যেটা নিয়ে মাতামাতি হচ্ছে সেটা হলো মন্ত্রী নাকি এইট পাশ (নাকি ফেল?)।

শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রশ্ন সাংবাদিকদেরও করা যায়। বিষয়টা এরকম যে চালুনি সুইকে বলছে তার পাছায় ফুটো।

আজকে বিডিনিউজ২৪-এ মাঝ আকাশে অল্পের জন্য রক্ষা শিরোনামে নিউজ করেছে। সেখানে এক পর্যায়ে লিখেছে

সুভাষ বসু বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের একজন কর্মকর্তা বলেন, আকাশ পথে ওপরে ও নিচ দিয়ে চলা দুটি বিমানের মধ্যে অন্তত এক হাজার ফুট ব্যবধান রাখার নিয়ম। কিন্তু ওই সময় ইউনাইটেড ও সৌদি এয়ারলাইন্সের বিমান দুটি ৭০০ মিটারের মধ্যে চলে এসেছিল।

Photo
৭ই অগাস্ট ২০১৪ তারিখে তথ্যমন্ত্রনালয়ের প্রেসনোট

৭ই অগাস্ট ২০১৪ তারিখে তথ্যমন্ত্রনালয়ের প্রেসনোট

Photo
বিশ্ব ***** দিবস উপলক্ষে আইনসম্মত শুভেচ্ছা।

বিশ্ব ***** দিবস উপলক্ষে আইনসম্মত শুভেচ্ছা।

ট্যাগ: শান্তি
Photo
অনলাইন মাছ ধরা প্রযুক্তি (Phishing) যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না। ইন্টারনেট বহুদুর আগায় গেলেও সেই একই স্ক্যাম চলছে। নতুন ও ক্রিয়েটিভ কিছু বের করতে পারে না এরা? নাকি এভাবে টোপ ফেললেও বড়শীতে যথেষ্ট মাছ ওঠে?

অনলাইন মাছ ধরা প্রযুক্তি (Phishing) যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না। ইন্টারনেট বহুদুর আগায় গেলেও সেই একই স্ক্যাম চলছে। নতুন ও ক্রিয়েটিভ কিছু বের করতে পারে না এরা? নাকি এভাবে টোপ ফেললেও বড়শীতে যথেষ্ট মাছ ওঠে?

ট্যাগ: ইন্টারনেট
Text

বাংলানিউজের বিস্ময় বালক ও ইংরেজি বিষয়ক জ্ঞান

আমার অনেক বন্ধুবান্ধব হাহুতাশ করেন এই বলে যে এখন নাকি সরকার এসএসসি ও এইচএসসিতে সবাইকে পাশ করিয়ে দিচ্ছে এবং এটা করে সরকার দেশকে পাশ করা মুর্খে ভরিয়ে দিচ্ছে। এই দাবির একটা অনুমিতি হলো এখন দেশটা পাশ করা মুর্খে ভরিয়া নাই। আমার তাদের সাথে একমত না। আমার মতে দেশ মুর্খে এখনই গিজ গিজ করছে।

বাংলানিউজ২৪ সেদিন একটা নিউজ (বা টুকলিফাই) করেছে লাইভ সম্প্রচারে বিস্ময় বালক শিরোনামে। হেডিংটাতে আশ্চর্যবোধক চিহ্ন দেখে বুঝলাম এটা আশ্চর্য হবার মতো ঘটনা।

বাংলানিউজের ভাষ্যমতে,

আধুনিক বিশ্বে গণমাধ্যমে বিশেষ করে টেলিভিশনে সরাসরি ঘটনা দুর্ঘটনার দৃশ্যই দেখতে পছন্দ করেন পাঠকরা। কেউ-ই আর পরের দিন কাগুজে পত্রিকায় বাসি খবর পড়তে চান না। আর খবর সংগ্রহের ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা ছুটে চলেন এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে। এখন বড়দের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকতায় পিছিয়ে নেই ছোটরাও। তাই বলে কী পাঁচ বছরেই লাইভ সম্প্রচারে!

অর্থাৎ তারা এরকম এক পাঁচ বছরের বাচ্চার রিপোর্ট যে লাইভ টিভিতে সাংবাদিকতা করছে।

শিশুশ্রম ইত্যাদির কথা মাথায় না নিয়েও বলা যায় এটা একটা চমকপ্রদ সংবাদ।

শিশুটির প্রতিক্রিয়াও জানতে পারছি আমরা বাংলানিউজ২৪এর সৌজন্য,

মাইক্রোফোন হাতে সে বলেছিল,‘এটা ছিল অসাধারণ… এবং এর আগে কখনও তা টেলিভিশনে হয়নি।


যথেষ্ট আগ্রহদ্দীপক এই সংবাদ পড়ে ইচ্ছে হলো একটু গুগল করে দেখি ঘটনা কী।

গুগল করে যা বুঝলাম সেটার সাথে বাংলানিউজের ঘটনার কোন মিল নাই। WNEP (ডাব্লিউনিপ নয়) এক টিভি স্টেশন থেকে Wayne Country Fair নামে এক মেলায় যাওয়া হয়েছিলো। সেখানে রিপোর্টার “মেলা দেখে আপনার অনুভুতি কী” জাতীয় প্রশ্ন করছিলো। তো সেখানে নোয়াহ রিটার (নোহ রিটার নয়, নূহ লিখলেও মানা যেত) নামে ৫ বছরের এক বাচ্চাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো তার মেলা কেমন লেগেছে। সে পিচ্চি বেশ সুন্দর করে উত্তর দিয়েছে সেটার। যে কারণে এই ভিডিওটা ভাইরাল ভিডিও হলো সেটা হলো নোয়াহ রিটারে প্রতিটা বাক্যে একাধিক Apparently শব্দটার ব্যবহার। ৫ বছরের বাচ্চারা সাধারণত এই শব্দটা ব্যবহার করেনা এবং তাদের এরকম মুদ্রাদোষও সাধারণত দেখা যায় না।

বাংলানিউজ এই জিনিস কোত্থেকে টুকে এনে নোয়াহ রিটারকে লাইভ টেলিকাস্ট করা রিপোর্টার বানিয়ে দিলো! বাচ্চাটার কথাবার্তা কেন মজার এই জিনিসটাও তারা তাদের ইংরেজি জ্ঞান দিয়ে ধরতে পারে নি।

পত্রিকাগুলো ইংরেজিতে শিক্ষিত করতে তাদের সাংবাদিকদের অবিলম্বে স্কুলে পাঠাতে পারে।

ভিডিও সূত্রঃ WNEP টিভি